লুট হওয়া অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

শনিবার রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অপরাধ পর্যালোচনা সম্মেলন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: পিআইডি
শনিবার রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অপরাধ পর্যালোচনা সম্মেলন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: পিআইডি

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় থানা থেকে লুট হওয়া এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের জন্য পুরস্কারের অঙ্ক বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। হালকা থেকে ভারী অস্ত্রের তথ্যদাতারা ১০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ত্রৈমাসিক (এপ্রিল-জুন) অপরাধ পর্যালোচনা সম্মেলন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। থানা থেকে লুণ্ঠিত এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ ইউনিটের মাধ্যমে অভিযান জোরদারের কথাও জানান তিনি।

অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের পুরস্কারের পরিমাণ পুনর্নির্ধারণের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা ভারী অস্ত্রের (হেভি ওয়েপনস) তথ্য দেবেন, তাদেরকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কৃত করা হবে। পিস্তল, রিভলভার বা শটগান জাতীয় অস্ত্র উদ্ধারে সহায়তাকারীদের ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত এবং সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারগ্যাসের শেল এবং অন্যান্য অস্ত্রের ক্ষেত্রে ১০, ১৫ ও ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।

এদিকে, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এবং পুলিশকে জনবান্ধব ও জনপ্রত্যাশিত সংস্থায় পরিণত করতে নিয়মিত কৌশলগত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কোনো কর্মকর্তা ওই সময়ের মধ্যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, মহানগরের পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত