ফিরে দেখা জুলাই অভ্যুত্থান
হুমায়ূন শফিক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতে রাজপথে নেমে এসেছিলেন দেশের শিল্পী সমাজ। ২০২৪ সালের ২ আগস্ট, বৃষ্টিভেজা শুক্রবারে ধানমন্ডির আবাহনী মাঠের পাশে জড়ো হয়েছিলেন চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, সংগীতশিল্পী, আলকচিত্রী, কবিসহ সর্বস্তরের সাংস্কৃতিক কর্মীরা। ‘গণহত্যা ও নিপীড়নবিরোধী শিল্পীসমাজ’-এর ব্যানারে কবি, লেখক ও সংগীতশিল্পী অরূপ রাহীসহ একাধিক অ্যাক্টিভিস্ট ও শিল্পীর উদ্যোগে এই সমাবেশ হয়।
‘জনতায় আস্থা, স্বৈরতন্ত্রে অনাস্থা’ স্লোগানের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্যই ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ। আন্দোলনের মূল লক্ষ্য নিয়ে অরূপ রাহী জানান, ‘অন্যান্য দাবি থাকলেও আমাদের প্রধান ও এক দফাই ছিল শেখ হাসিনার পদত্যাগ।’
আয়োজকেরা অল্প কিছু মানুষের উপস্থিতির আশা করলেও সমাবেশে লোকসমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) সদস্য ও আন্দোলনকর্মী আফজাল হোসেন বলেন, ‘দেড় শতাধিক মানুষের উপস্থিতি আশা করলেও সমাবেশে প্রায় দুই হাজার মানুষ অংশ নেন।’ সেদিন ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাঁকে ‘এক দফা এক দাবি, হাসিনা তুই কবে যাবি’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
ধানমন্ডির সড়কজুড়ে মিছিলের পাশাপাশি গান, কবিতা পাঠ ও পারফরম্যান্স আর্টের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। এই অবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে অরূপ রাহী বলেন, ‘শিল্পীসমাজ কখনোই অন্যায়, অবিচার ও গণহত্যা মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও নেবে না। এই সমাবেশ থেকে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে সেই চূড়ান্ত ঘোষণাই এসেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিল্পের বিভিন্ন ফর্মে (মাধ্যম) পদত্যাগের দাবি তোলা গণ-অভ্যুত্থানকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করেছিল।’
তৎকালীন সময়ে ইন্টারনেট বন্ধ থাকা সত্ত্বেও রাজপথের এই প্রতিবাদ পুরো দেশে সাড়া ফেলেছিল। অরূপ রাহী বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট সত্ত্বেও এই খবর দ্রুত দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের মনে সাহসের সঞ্চার করে এটি নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছিল।’
এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন নারীনেত্রী ফরিদা আখতার, লেখক-গবেষক রেহনুমা আহমেদ, নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা শিরিন হক, মানবাধিকারকর্মী ও ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ এবং কবি সাখাওয়াত টিপু। এছাড়া কর্মসূচি সফলে সংহতি জানিয়েছিলেন শিল্পী-লেখক মোস্তফা জামান, আলোকচিত্রশিল্পী ইমতিয়াজ আলম বেগ, সংগীতশিল্পী বীথি ঘোষ, কিউরেটর আমিরুল রাজীব এবং শিল্পী ও কবি শেহজাদ চৌধুরীসহ শিল্পাঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতে রাজপথে নেমে এসেছিলেন দেশের শিল্পী সমাজ। ২০২৪ সালের ২ আগস্ট, বৃষ্টিভেজা শুক্রবারে ধানমন্ডির আবাহনী মাঠের পাশে জড়ো হয়েছিলেন চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, সংগীতশিল্পী, আলকচিত্রী, কবিসহ সর্বস্তরের সাংস্কৃতিক কর্মীরা। ‘গণহত্যা ও নিপীড়নবিরোধী শিল্পীসমাজ’-এর ব্যানারে কবি, লেখক ও সংগীতশিল্পী অরূপ রাহীসহ একাধিক অ্যাক্টিভিস্ট ও শিল্পীর উদ্যোগে এই সমাবেশ হয়।
‘জনতায় আস্থা, স্বৈরতন্ত্রে অনাস্থা’ স্লোগানের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্যই ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ। আন্দোলনের মূল লক্ষ্য নিয়ে অরূপ রাহী জানান, ‘অন্যান্য দাবি থাকলেও আমাদের প্রধান ও এক দফাই ছিল শেখ হাসিনার পদত্যাগ।’
আয়োজকেরা অল্প কিছু মানুষের উপস্থিতির আশা করলেও সমাবেশে লোকসমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) সদস্য ও আন্দোলনকর্মী আফজাল হোসেন বলেন, ‘দেড় শতাধিক মানুষের উপস্থিতি আশা করলেও সমাবেশে প্রায় দুই হাজার মানুষ অংশ নেন।’ সেদিন ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাঁকে ‘এক দফা এক দাবি, হাসিনা তুই কবে যাবি’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
ধানমন্ডির সড়কজুড়ে মিছিলের পাশাপাশি গান, কবিতা পাঠ ও পারফরম্যান্স আর্টের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। এই অবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে অরূপ রাহী বলেন, ‘শিল্পীসমাজ কখনোই অন্যায়, অবিচার ও গণহত্যা মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও নেবে না। এই সমাবেশ থেকে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে সেই চূড়ান্ত ঘোষণাই এসেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিল্পের বিভিন্ন ফর্মে (মাধ্যম) পদত্যাগের দাবি তোলা গণ-অভ্যুত্থানকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করেছিল।’
তৎকালীন সময়ে ইন্টারনেট বন্ধ থাকা সত্ত্বেও রাজপথের এই প্রতিবাদ পুরো দেশে সাড়া ফেলেছিল। অরূপ রাহী বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট সত্ত্বেও এই খবর দ্রুত দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের মনে সাহসের সঞ্চার করে এটি নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছিল।’
এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন নারীনেত্রী ফরিদা আখতার, লেখক-গবেষক রেহনুমা আহমেদ, নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা শিরিন হক, মানবাধিকারকর্মী ও ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ এবং কবি সাখাওয়াত টিপু। এছাড়া কর্মসূচি সফলে সংহতি জানিয়েছিলেন শিল্পী-লেখক মোস্তফা জামান, আলোকচিত্রশিল্পী ইমতিয়াজ আলম বেগ, সংগীতশিল্পী বীথি ঘোষ, কিউরেটর আমিরুল রাজীব এবং শিল্পী ও কবি শেহজাদ চৌধুরীসহ শিল্পাঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
.png)

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে অতিরিক্ত সচিব নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির সংসদীয় আসন পুনবির্ন্যাস কমিটির সাবেক সদস্য সামসুল আলম। গত ২৩ জুলাই তাঁকে এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেয় সরকার।
১৭ মিনিট আগে
‘এত বছর ধরে শুধু অপেক্ষা করেছি, কবে বিচার হবে।’—২০১৮ সালের মে মাসে র্যাবের কথিত ক্রসফায়ারে টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হকের মৃত্যুর ঘটনার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় এভাবেই ন্যায়বিচারের আশা প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী আয়েশা বেগম।
২১ মিনিট আগে
চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন হবে। এ লক্ষ্যে সরকার কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনার সাঁথিয়ায় মসজিদে জুমার নামাজের ইমামতিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মুখোমুখি অবস্থানে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
১ ঘণ্টা আগে