লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত দিপালীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ০৯: ১৩
বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। সংগৃহীত ছবি

লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত দিপালির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে তাঁর মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। এরপর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মরদেহ গ্রহণের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'কোনো কিছু দিয়েই দিপালীকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, সেটি আমরা বুঝি। তবে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সচেষ্ট আছি। প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেছেন, এই যুদ্ধ যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভাইবোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাঁদের নিরাপত্তা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার এবং আমরা নিরলসভাবে সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।'

তিনি আরও বলেন, 'আমরা দিপালী আক্তারের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। তাঁর পরিবারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আরও কিছু করার থাকলে আমরা সচেষ্ট আছি। ইনশাআল্লাহ আমরা সব সময় দিপালী আক্তারের পরিবারের পাশে থাকব।'

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত আটজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরবে একজনকে দাফন করতে হয়েছে, কারণ মরদেহ আনার মতো অবস্থায় ছিল না। এ ছাড়া ইরাকে নিহত একজনের মরদেহ ফ্লাইটের সমস্যার কারণে এখনো আনা সম্ভব হয়নি।

মরদেহ দেশে আনতে বিলম্বের কারণ হিসেবে শামা ওবায়েদ বলেন, 'যুদ্ধ চলাকালীন বিভিন্ন দেশের সাথে আলোচনার মাধ্যমে মরদেহগুলো ফিরিয়ে আনতে হয়। এ ছাড়া ফ্লাইট চলাচল এবং সৌদি আরবের সহযোগিতার প্রয়োজন পড়ে। যুদ্ধাবস্থার কারণে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নিয়মকানুন মেনেই আমাদের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হচ্ছে। এ কারণেই কিছুটা সময় লাগছে, তবে আমরা দ্রুততম সময়ে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।'

গত ৮ এপ্রিল লেবানন প্রবাসী দিপালী বৈরুতের হামরা এলাকায় তাঁর নিয়োগকর্তার পরিবারের সাথে অবস্থানকালে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন।

সম্পর্কিত