তৌফিক হাসান

বিদেশে আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে নবগঠিত বিএনপি সরকার। দলটির ঘোষিত ইশতেহার অনুযায়ী ইতিমধ্যেই এই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এই সরকারের গত দুই মাস ১৭ দিনে এক লাখ ২৯ হাজার ১১৮ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। তবে কর্মীদের দক্ষতা ও লোক পাঠানোর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ৪৯ বছরে ১ কোটি ৭২ লাখ ৭৮ হাজার ২২৭ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। সেই জায়গায় মাত্র পাঁচ বছরেই এক কোটি কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনাকে ‘আকাশচুম্বী’ বলে মনে করছেন তাঁরা। বিশেষ করে যখন সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও ওমানসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার বন্ধ রয়েছে, তখন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
শুধু সক্ষমতা নয়, কর্মীর দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত ৪৯ বছরে মোট কর্মীর ৪৫ শতাংশের বেশি দক্ষ কর্মী বিদেশে যাননি। অদক্ষ হয়ে যাওয়ার ফলে বিদেশে গিয়ে কর্মীরা যেমন কাজ পান না, তেমনি বেতন-ভাতাও ঠিকমতো পান না। ফলে তাঁদের নানা ভোগান্তির শিকার হয়ে দেশে ফিরতে হয়। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মুহূর্তে শুধু কর্মী পাঠানোর সংখ্যা লক্ষ্য না হয়ে দক্ষ কর্মী পাঠানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের মতে, সরকার চাইলে হয়তো বড় সংখ্যায় কর্মী পাঠাতে পারবে, কিন্তু দক্ষ জনবল না পাঠালে এ খাতের প্রকৃত উন্নয়ন হবে না।
অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর স্ট্রিমকে বলেন, ‘পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী পাঠানো সম্ভব, কিন্তু সেটির জন্য আনুপাতিক হারে প্রস্তুতির দরকার। প্রশিক্ষণের জায়গাগুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে। এখন যদি লোক পাঠানোই মূল লক্ষ্য হয়, তবে প্রশিক্ষণে ছাড় দেওয়া হতে পারে। আবার গণপ্রশিক্ষণ দেওয়া হলে সেটির মান ঠিক থাকবে না। এতে কর্মীরাই ভুক্তভোগী হবে।’
একই কথা জানিয়েছেন ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান। তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি না গেলেও ৬০ থেকে ৭০ লাখ কর্মী পাঠানো সম্ভব। এটি অসম্ভব নয়। কিন্তু বিদেশে কত লোক গেল, সেটি সাফল্যের একমাত্র সূচক হতে পারে না। প্রকৃত সূচক হলো কত কম খরচে তাঁরা যেতে পারলেন এবং খরচ করা টাকা তাঁরা তুলতে পারছেন কি না। একই সাথে রেমিট্যান্স আসার হার বাড়ছে কি না সেটিও দেখতে হবে।’
পরিকল্পনায় দক্ষতার চেয়ে সক্ষমতা বাড়ানোর কৌশল
সরকারের কৌশলপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কর্মীর দক্ষতা তৈরির চেয়ে রিক্রুটিং এজেন্সির সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ অন্যান্য বিষয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি কর্মকৌশলে বলা হয়েছে, রিক্রুটিং এজেন্সিসহ অংশীজনদের সচেতনতা ও সক্ষমতা বাড়ানো হবে; বন্ধ ও সংকুচিত শ্রমবাজার খোলার ব্যবস্থা করা হবে; মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, জাপান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে উচ্চপর্যায়ের সফরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ছাড়া নতুন দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে কর্মী প্রেরণ এবং ল্যাঙ্গুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় জাপানগামীদের প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে দক্ষতার কৌশলে সরকার মাত্র তিনটি বিষয় রেখেছে। এর মধ্যে রয়েছে—প্রবাসগামী কর্মীদের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ, কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান এবং প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ভাতা ১৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই কৌশলে কর্মী পাঠানোর সক্ষমতা বাড়লেও দক্ষ কর্মী তৈরি করা কঠিন হবে।
আসিফ মুনীর বলেন, ‘সরকারের এখন উচিত প্রথম এক বছর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো সংস্কার করা এবং প্রশিক্ষকদের মানোন্নয়ন করা। টার্গেট পূরণ করার চেয়ে মান বাড়ানো গেলে কর্মীরা কম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’ তবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা সব সময় দক্ষ কর্মীই পাঠাতে চাই। আমাদের ১১০টি কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কিন্তু কর্মীদের মধ্যেই দক্ষ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা কম। ফলে অদক্ষ কিংবা স্বল্প দক্ষ কর্মীও আমাদের পাঠাতে হয়।’
৪৫ শতাংশের বেশি বাড়েনি দক্ষ কর্মী
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সাল থেকে দক্ষ ও অদক্ষ কর্মীর হিসাব রাখা শুরু হয়। বিএমইটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৯ সালে সর্বোচ্চ ৪৪ শতাংশ দক্ষ কর্মী বিদেশে গেছেন। সবচেয়ে কম দক্ষ কর্মী গেছেন ২০১০ সালে, মাত্র ১৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এ ছাড়া ২০১১ সালে ৩৯ দশমিক ৮৯, ২০১২ সালে ৩৫ দশমিক ৫৮, ২০১৩ সালে ১৯ দশমিক ৯৪, ২০১৪ সালে ৩৫ দশমিক ৭৮, ২০১৫ সালে ৩৮ দশমিক ৫৬ এবং ২০১৬ সালে ৪৩ দশমিক ১ শতাংশ দক্ষ কর্মী বিদেশে গেছেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে ৪৩ দশমিক ৩, ২০১৮ সালে ৪৩ দশমিক ৩১, ২০২১ সালে ২১ দশমিক ৩৩, ২০২২ সালে ২২ দশমিক ৭৩, ২০২৩ সালে ২৪ দশমিক ৭৭, ২০২৪ সালে ২২ দশমিক ২০ ও ২০২৫ সালে ২২ শতাংশ দক্ষ কর্মী গেছেন। বিএমইটির কর্মকর্তারা জানান, ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে দক্ষ কর্মীর আলাদা তালিকা করা সম্ভব হয়নি, তবে সে সময় দক্ষ কর্মীর হার ২০ থেকে ২২ শতাংশের বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বিদেশে আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে নবগঠিত বিএনপি সরকার। দলটির ঘোষিত ইশতেহার অনুযায়ী ইতিমধ্যেই এই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এই সরকারের গত দুই মাস ১৭ দিনে এক লাখ ২৯ হাজার ১১৮ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। তবে কর্মীদের দক্ষতা ও লোক পাঠানোর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ৪৯ বছরে ১ কোটি ৭২ লাখ ৭৮ হাজার ২২৭ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। সেই জায়গায় মাত্র পাঁচ বছরেই এক কোটি কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনাকে ‘আকাশচুম্বী’ বলে মনে করছেন তাঁরা। বিশেষ করে যখন সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও ওমানসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার বন্ধ রয়েছে, তখন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
শুধু সক্ষমতা নয়, কর্মীর দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত ৪৯ বছরে মোট কর্মীর ৪৫ শতাংশের বেশি দক্ষ কর্মী বিদেশে যাননি। অদক্ষ হয়ে যাওয়ার ফলে বিদেশে গিয়ে কর্মীরা যেমন কাজ পান না, তেমনি বেতন-ভাতাও ঠিকমতো পান না। ফলে তাঁদের নানা ভোগান্তির শিকার হয়ে দেশে ফিরতে হয়। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মুহূর্তে শুধু কর্মী পাঠানোর সংখ্যা লক্ষ্য না হয়ে দক্ষ কর্মী পাঠানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের মতে, সরকার চাইলে হয়তো বড় সংখ্যায় কর্মী পাঠাতে পারবে, কিন্তু দক্ষ জনবল না পাঠালে এ খাতের প্রকৃত উন্নয়ন হবে না।
অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর স্ট্রিমকে বলেন, ‘পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী পাঠানো সম্ভব, কিন্তু সেটির জন্য আনুপাতিক হারে প্রস্তুতির দরকার। প্রশিক্ষণের জায়গাগুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে। এখন যদি লোক পাঠানোই মূল লক্ষ্য হয়, তবে প্রশিক্ষণে ছাড় দেওয়া হতে পারে। আবার গণপ্রশিক্ষণ দেওয়া হলে সেটির মান ঠিক থাকবে না। এতে কর্মীরাই ভুক্তভোগী হবে।’
একই কথা জানিয়েছেন ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান। তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি না গেলেও ৬০ থেকে ৭০ লাখ কর্মী পাঠানো সম্ভব। এটি অসম্ভব নয়। কিন্তু বিদেশে কত লোক গেল, সেটি সাফল্যের একমাত্র সূচক হতে পারে না। প্রকৃত সূচক হলো কত কম খরচে তাঁরা যেতে পারলেন এবং খরচ করা টাকা তাঁরা তুলতে পারছেন কি না। একই সাথে রেমিট্যান্স আসার হার বাড়ছে কি না সেটিও দেখতে হবে।’
পরিকল্পনায় দক্ষতার চেয়ে সক্ষমতা বাড়ানোর কৌশল
সরকারের কৌশলপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কর্মীর দক্ষতা তৈরির চেয়ে রিক্রুটিং এজেন্সির সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ অন্যান্য বিষয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি কর্মকৌশলে বলা হয়েছে, রিক্রুটিং এজেন্সিসহ অংশীজনদের সচেতনতা ও সক্ষমতা বাড়ানো হবে; বন্ধ ও সংকুচিত শ্রমবাজার খোলার ব্যবস্থা করা হবে; মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, জাপান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে উচ্চপর্যায়ের সফরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ছাড়া নতুন দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে কর্মী প্রেরণ এবং ল্যাঙ্গুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় জাপানগামীদের প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে দক্ষতার কৌশলে সরকার মাত্র তিনটি বিষয় রেখেছে। এর মধ্যে রয়েছে—প্রবাসগামী কর্মীদের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ, কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান এবং প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ভাতা ১৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই কৌশলে কর্মী পাঠানোর সক্ষমতা বাড়লেও দক্ষ কর্মী তৈরি করা কঠিন হবে।
আসিফ মুনীর বলেন, ‘সরকারের এখন উচিত প্রথম এক বছর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো সংস্কার করা এবং প্রশিক্ষকদের মানোন্নয়ন করা। টার্গেট পূরণ করার চেয়ে মান বাড়ানো গেলে কর্মীরা কম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’ তবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা সব সময় দক্ষ কর্মীই পাঠাতে চাই। আমাদের ১১০টি কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কিন্তু কর্মীদের মধ্যেই দক্ষ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা কম। ফলে অদক্ষ কিংবা স্বল্প দক্ষ কর্মীও আমাদের পাঠাতে হয়।’
৪৫ শতাংশের বেশি বাড়েনি দক্ষ কর্মী
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সাল থেকে দক্ষ ও অদক্ষ কর্মীর হিসাব রাখা শুরু হয়। বিএমইটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৯ সালে সর্বোচ্চ ৪৪ শতাংশ দক্ষ কর্মী বিদেশে গেছেন। সবচেয়ে কম দক্ষ কর্মী গেছেন ২০১০ সালে, মাত্র ১৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এ ছাড়া ২০১১ সালে ৩৯ দশমিক ৮৯, ২০১২ সালে ৩৫ দশমিক ৫৮, ২০১৩ সালে ১৯ দশমিক ৯৪, ২০১৪ সালে ৩৫ দশমিক ৭৮, ২০১৫ সালে ৩৮ দশমিক ৫৬ এবং ২০১৬ সালে ৪৩ দশমিক ১ শতাংশ দক্ষ কর্মী বিদেশে গেছেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে ৪৩ দশমিক ৩, ২০১৮ সালে ৪৩ দশমিক ৩১, ২০২১ সালে ২১ দশমিক ৩৩, ২০২২ সালে ২২ দশমিক ৭৩, ২০২৩ সালে ২৪ দশমিক ৭৭, ২০২৪ সালে ২২ দশমিক ২০ ও ২০২৫ সালে ২২ শতাংশ দক্ষ কর্মী গেছেন। বিএমইটির কর্মকর্তারা জানান, ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে দক্ষ কর্মীর আলাদা তালিকা করা সম্ভব হয়নি, তবে সে সময় দক্ষ কর্মীর হার ২০ থেকে ২২ শতাংশের বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
.png)

দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করতে আগামী তিন-চার বছরে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। রোববার (২১ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ (২১ জুন) বেলা ৩টায় কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর মালয়েশিয়া থেকে সরাসরি চীন সফরে যাবেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গাফিলতিতে দেশে টিকা কর্মসূচিতে সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, সরকারের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট। তাই এ বিষয়ে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজন নেই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রায় ৩০০ টাকা ব্যয়ে আশির দশকের মাঝামাঝি শুরু হয় এর নির্মাণকাজ। তবে তাঁর মৃত্যুতে ইউনুস খান ক্যান্সার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পটি চার দশকেও চালু হয়নি।
৩ ঘণ্টা আগে