জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

বইমেলার লিটলম্যাগ চত্বরে দর্শনার্থী খরা, আয়োজকদের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৬, ২০: ৪৮
‘লিটলম্যাগ চত্বর’ প্রাঙ্গণে এবার দর্শনার্থীর অভাব স্পষ্ট। স্ট্রিম ছবি।

অমর একুশে বইমেলার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ‘লিটলম্যাগ চত্বর’ এবার চিরচেনা রূপ হারিয়েছে। প্রথাবিরোধী লেখা আর নতুন চিন্তার এই প্রাঙ্গণে এবার দর্শনার্থীর অভাব স্পষ্ট। একদিকে আয়োজকদের অব্যবস্থাপনা, অন্যদিকে পবিত্র রমজান মাসের প্রভাবে চত্বরটি এখনো জমে ওঠেনি। স্টলগুলোতে সব বই না আসা এবং বসার সুষ্ঠু পরিবেশের অভাব নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও কেউ কেউ প্রকৃত পাঠকের দেখা পাচ্ছেন বলে মনে করছেন।

লিটলম্যাগ চত্বরের প্রতিবেশী একটি স্টলের কর্মী বিশাল প্যারেরা জানান, এবারই তাঁরা প্রথম মেলায় অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, “মেলায় এমনিতে লোকজন কম, আর এই চত্বরে লোকসমাগম আরও কম। তবে আশা করছি সামনের দিনগুলোতে ভিড় বাড়বে।”

চত্বরের ভেতরের দিকে থাকা ‘সাম্প্রতিক’ স্টলের কর্মী আশিকুল ইসলাম শাওন মেলার ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “দর্শনার্থীর উপস্থিতি হাতে গোনা, যা রীতিমতো হতাশাজনক। এখনো সব বই স্টলে আসেনি এবং লেখকদেরও তেমন আনাগোনা নেই। সব মিলিয়ে এখানকার ব্যবস্থাপনা ভালো না।”

লিটলম্যাগ চত্বরে লোকসমাগম নেই বললেই চলে। স্ট্রিম ছবি।
লিটলম্যাগ চত্বরে লোকসমাগম নেই বললেই চলে। স্ট্রিম ছবি।

তবে ‘লেখমালা’ পত্রিকার সম্পাদক মামুন মোস্তফা পরিস্থিতির একটি ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বলেন, “ছুটির দিন ছাড়া সপ্তাহের অন্য দিনে লোকজন একেবারেই আসছে না। আগে মেলায় প্রচুর মানুষ এলেও বই বিক্রি হতো না। তবে এখন যাঁরা আসছেন, তাঁরা অন্তত বই কিনছেন। প্রকৃত পাঠকের আনাগোনা বাড়াটা স্বস্তির বিষয়।” তবে আয়োজনে আরও বৈচিত্র্য থাকলে পাঠকদের আকৃষ্ট করা সহজ হতো বলে তিনি মনে করেন।

রমজান মাসের প্রভাব নিয়ে ‘নিসর্গ’ স্টলের বিক্রয়কর্মী শৈবাল নূর বলেন, “গতবারের তুলনায় মেলার পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। রোজার কারণেই মূলত মানুষের সমাগম কম।” তিনি আরও জানান, লিটলম্যাগ মূলত নির্দিষ্ট শ্রেণির পাঠক এবং কবি-লেখকরা পড়েন, তাই ভিড় এমনিতেই কিছুটা কম থাকে। তবে এখানকার বসার ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ নিয়ে তাঁর অভিযোগ রয়েছে।

বিষয়:

সম্পর্কিত