গত ৬ আগস্ট জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অপারেশন-২ শাখার চিঠিতে বিপিসির চেয়ারম্যানকে ১০ আগস্টের মধ্যে প্রস্তাবিত ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা-২০২৬’ নীতিমালার খসড়া পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের সুযোগ বেসরকারি খাতে দিচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে নীতিমালা করার উদ্যোগ নিয়েছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) খসড়া নীতিমালা প্রণয়নে মাত্র চার দিন দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ সূত্র জানায়, গত ৬ আগস্ট বিভাগের অপারেশন-২ শাখার এক চিঠিতে বিপিসির চেয়ারম্যানকে ১০ আগস্টের মধ্যে প্রস্তাবিত ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা-২০২৬’ নীতিমালার খসড়া পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের বিষয়ে একটি স্পষ্ট কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন।
এমন সময়ে এই নির্দেশনা দেওয়া হলো, যখন বিপিসিতে পূর্ণকালীন কোনো চেয়ারম্যান নেই। গত ২৬ জুলাই চেয়ারম্যান রেজানুর রহমানকে ওএসডি করা হয়। বর্তমানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউল হক অতিরিক্ত দায়িত্বে বিপিসির চেয়ারম্যান।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের অনুমতি চেয়ে সম্প্রতি কয়েকটি শিল্পগ্রুপ সরকারের কাছে আবেদন করে। এরপরই সরকার নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
দেশে বর্তমানে তেল আমদানির একক এখতিয়ার বিপিসির। বিপণন করে তাদের অধীন— পদ্মা অয়েল, যমুনা অয়েল ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম। বেসরকারি পর্যায়ে তেল আমদানি ও বিপণনের সুযোগ দেওয়া হলে, বিপিসির একক এখতিয়ার কমবে।
তবে সরকারের এই তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও খাত সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, এত তড়িঘড়ি না করে আরও সময় নেওয়া উচিত ছিল।
ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) উপাচার্য ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, এ ধরনের সংস্কারের আগে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা ও কারিগরি সমীক্ষার প্রয়োজন ছিল।
কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলছেন, শক্তিশালী ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছাড়া এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হলে অতীতে ভোক্তারা যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা আবারও একই ঝুঁকির মুখে পড়বেন।
জ্বালানি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের সংগঠন বাংলাদেশ অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনও এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা বলেন, জ্বালানির মতো স্পর্শকাতর একটি খাতকে বেসরকারি পর্যায়ে ছেড়ে দেওয়া হলে তা সরকারের জন্য আত্মঘাতী এবং দেশের জন্য বিপজ্জনক হবে।
এদিকে, বেসরকারি খাতে জ্বালানি আমদানির সুযোগ প্রদানের উদ্যোগ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। শনিবার (৮ আগস্ট) গণমাধ্যমের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যামূলক একটি বিবৃতি পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেকের পাঠানো এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশে নিরবছিন্ন ও নিরাপদ জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতেই বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
এই নীতিমালার অন্যতম উদ্দেশ্য স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করা।
জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের পরই নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হলেই কেবল এই নীতিমালার বাস্তবায়ন হবে। কাজেই নীতিমালাটির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।

পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের সুযোগ বেসরকারি খাতে দিচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে নীতিমালা করার উদ্যোগ নিয়েছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) খসড়া নীতিমালা প্রণয়নে মাত্র চার দিন দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ সূত্র জানায়, গত ৬ আগস্ট বিভাগের অপারেশন-২ শাখার এক চিঠিতে বিপিসির চেয়ারম্যানকে ১০ আগস্টের মধ্যে প্রস্তাবিত ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা-২০২৬’ নীতিমালার খসড়া পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের বিষয়ে একটি স্পষ্ট কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন।
এমন সময়ে এই নির্দেশনা দেওয়া হলো, যখন বিপিসিতে পূর্ণকালীন কোনো চেয়ারম্যান নেই। গত ২৬ জুলাই চেয়ারম্যান রেজানুর রহমানকে ওএসডি করা হয়। বর্তমানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউল হক অতিরিক্ত দায়িত্বে বিপিসির চেয়ারম্যান।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের অনুমতি চেয়ে সম্প্রতি কয়েকটি শিল্পগ্রুপ সরকারের কাছে আবেদন করে। এরপরই সরকার নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
দেশে বর্তমানে তেল আমদানির একক এখতিয়ার বিপিসির। বিপণন করে তাদের অধীন— পদ্মা অয়েল, যমুনা অয়েল ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম। বেসরকারি পর্যায়ে তেল আমদানি ও বিপণনের সুযোগ দেওয়া হলে, বিপিসির একক এখতিয়ার কমবে।
তবে সরকারের এই তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও খাত সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, এত তড়িঘড়ি না করে আরও সময় নেওয়া উচিত ছিল।
ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) উপাচার্য ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, এ ধরনের সংস্কারের আগে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা ও কারিগরি সমীক্ষার প্রয়োজন ছিল।
কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলছেন, শক্তিশালী ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছাড়া এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হলে অতীতে ভোক্তারা যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা আবারও একই ঝুঁকির মুখে পড়বেন।
জ্বালানি খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের সংগঠন বাংলাদেশ অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনও এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা বলেন, জ্বালানির মতো স্পর্শকাতর একটি খাতকে বেসরকারি পর্যায়ে ছেড়ে দেওয়া হলে তা সরকারের জন্য আত্মঘাতী এবং দেশের জন্য বিপজ্জনক হবে।
এদিকে, বেসরকারি খাতে জ্বালানি আমদানির সুযোগ প্রদানের উদ্যোগ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। শনিবার (৮ আগস্ট) গণমাধ্যমের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যামূলক একটি বিবৃতি পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেকের পাঠানো এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশে নিরবছিন্ন ও নিরাপদ জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতেই বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
এই নীতিমালার অন্যতম উদ্দেশ্য স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করা।
জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের পরই নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হলেই কেবল এই নীতিমালার বাস্তবায়ন হবে। কাজেই নীতিমালাটির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।
.png)

টানা বৃষ্টিতে খেত নষ্ট হওয়ায় শাক-সবজির দামে লেগেছিল আগুন। কয়েক দিন আগেও অধিকাংশ সবজির দাম ছিল শতকের আশেপাশে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সেই দাম কিছু কমেছে। তবে ওই সময় মাছ, মাংস ও ডিমের দামে যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়, তা কমেনি।
০৭ আগস্ট ২০২৬
দেশের স্বর্ণ খাতকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে ‘স্বর্ণ নীতিমালা ২০১৮ (সংশোধিত) ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করেছে সরকার। আগামী রোববারের মধ্যে প্রস্তাবিত নীতিমালার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও অংশীজনদের লিখিত মতামত দিতে বলা হয়েছে।
০৬ আগস্ট ২০২৬
‘মাঝে মাঝে চেষ্টা করে দেখা অন্য সব ধরন বাদ দিলে, গণতন্ত্রই হলো সরকারের সবচেয়ে নিকৃষ্ট রূপ।’ ১৯৪৭ সালে উইনস্টন চার্চিল যখন এই বিখ্যাত পরিহাসটি করেছিলেন, তখন তিনি একটি রূঢ় সত্যকেই স্বীকার করে নিয়েছিলেন। সেটি হচ্ছে, গণতন্ত্র ত্রুটিপূর্ণ হলেও এটি এখন পর্যন্ত স্বৈরতান্ত্রিক বিকল্পগুলোর চেয়ে বহুগুণে শ্রেষ
০৫ আগস্ট ২০২৬
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য ও সেবা অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) আলোচনা সমাপ্তের যৌথ ঘোষণা দেন দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী।
০৫ আগস্ট ২০২৬