স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে তিল ধারণের ঠাঁই না থাকায় আশপাশের ভবন, গলি ও রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। সংসদ ভবন এলাকা থেকে আগারগাঁও-জাহাঙ্গীরগেট-ফার্মগেট-কারওয়ান বাজার সড়ক ছাড়িয়ে জানাজার কাতার ছড়িয়ে গেছে শাহবাগ পর্যন্ত। যে যেখানে জায়গা পাচ্ছেন, সেখানেই কাতার তৈরি করে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন। আজ বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সরেজমিনে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। কাতারে অংশ গ্রহণ করেছেন সারা দেশ থেকে আসা কয়েক লাখ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ লোকে লোকারণ্য। জানাজার কাতারে জায়গা না পেয়ে পেছনের দিকে ফিরতে থাকেন অনেকে। এ সময় বিভিন্ন ভবনের গ্যারেজ, গলি ও ছোট-বড় ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবস্থান নেন তাঁরা। সেখানেই কাতার সোজা করে দাঁড়িয়ে যান।
রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা মোহাম্মদ রফিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘এত মানুষ! কোনোভাবেই মানিক মিয়ায় ঢুকতে পারলাম না। বরং যারা মানিক মিয়ায় ছিল, তাঁরা উল্টো দিকে ফিরছে। হাজার হাজার মানুষের চাপে আমিও উল্টো পথে এসে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’
মতিঝিল থেকে আসা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, ‘আগে কারও জানাজায় এত মানুষ দেখিনি। আমি খামারবাড়ি মোড়ে ছিলাম। হঠাৎ প্রচুর ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলাম। দেখলাম, মানিক মিয়া থেকে লোকজন এদিকে ফিরছে। কারণ, ওখানে আর জায়গা নেই।’
উজ্জ্বল আরও বলেন, ‘মানুষের চাপে আমার দুইজন সঙ্গী পড়ে গিয়েছিলেন। খুব চিৎকার করার পর লোকজনের গতি একটু কমলে তাঁরা উঠে দাঁড়ান। নইলে তাঁরা আজ আহত হয়ে যেতেন।’
মহসিন খান নামে একজন স্ট্রিমকে বলেন, ‘খালেদা জিয়া একজন আপসহীন নেত্রী। তাঁর জানাজায় অনেক মানুষ হবে, তা জানতাম। কিন্তু এত মানুষ হবে, এটা ভাবি নাই।’
মো. হাসান নামে একজন বলেন, ‘খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে যেমন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর জানাজাও তেমন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে তিল ধারণের ঠাঁই না থাকায় আশপাশের ভবন, গলি ও রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। সংসদ ভবন এলাকা থেকে আগারগাঁও-জাহাঙ্গীরগেট-ফার্মগেট-কারওয়ান বাজার সড়ক ছাড়িয়ে জানাজার কাতার ছড়িয়ে গেছে শাহবাগ পর্যন্ত। যে যেখানে জায়গা পাচ্ছেন, সেখানেই কাতার তৈরি করে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন। আজ বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সরেজমিনে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। কাতারে অংশ গ্রহণ করেছেন সারা দেশ থেকে আসা কয়েক লাখ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ লোকে লোকারণ্য। জানাজার কাতারে জায়গা না পেয়ে পেছনের দিকে ফিরতে থাকেন অনেকে। এ সময় বিভিন্ন ভবনের গ্যারেজ, গলি ও ছোট-বড় ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবস্থান নেন তাঁরা। সেখানেই কাতার সোজা করে দাঁড়িয়ে যান।
রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা মোহাম্মদ রফিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘এত মানুষ! কোনোভাবেই মানিক মিয়ায় ঢুকতে পারলাম না। বরং যারা মানিক মিয়ায় ছিল, তাঁরা উল্টো দিকে ফিরছে। হাজার হাজার মানুষের চাপে আমিও উল্টো পথে এসে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’
মতিঝিল থেকে আসা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, ‘আগে কারও জানাজায় এত মানুষ দেখিনি। আমি খামারবাড়ি মোড়ে ছিলাম। হঠাৎ প্রচুর ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলাম। দেখলাম, মানিক মিয়া থেকে লোকজন এদিকে ফিরছে। কারণ, ওখানে আর জায়গা নেই।’
উজ্জ্বল আরও বলেন, ‘মানুষের চাপে আমার দুইজন সঙ্গী পড়ে গিয়েছিলেন। খুব চিৎকার করার পর লোকজনের গতি একটু কমলে তাঁরা উঠে দাঁড়ান। নইলে তাঁরা আজ আহত হয়ে যেতেন।’
মহসিন খান নামে একজন স্ট্রিমকে বলেন, ‘খালেদা জিয়া একজন আপসহীন নেত্রী। তাঁর জানাজায় অনেক মানুষ হবে, তা জানতাম। কিন্তু এত মানুষ হবে, এটা ভাবি নাই।’
মো. হাসান নামে একজন বলেন, ‘খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে যেমন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর জানাজাও তেমন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

কেউ যেন তিন থেকে চারবারের বেশি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে না পারেন এমন নিয়ম চালুর প্রস্তাব করেছেন মো. নওশাদ জমির। পঞ্চগড়-১ আসনের এ সদস্য সোমবার সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ প্রথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল করিমের ‘জুলাই সনদ’কে অপ্রয়োজনীয় মন্তব্যের জেরে সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও হইচই হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ আলোচনার সময় এই মন্তব্য করেন বিএনপির এই এমপি।
৪ ঘণ্টা আগে
বাজারে অবৈধ সিগারেটের পাওয়ায় বছরে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে এবং রাজস্ব ফাঁকি রোধে সরকার ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ প্রযুক্তি ও কিউআর কোড চালু করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পুনর্গঠন ও রাষ্ট্র সংস্কারে রাজনৈতিক ঐকমত্যের আহ্বান জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে