রামরুর সংবাদ সম্মেলন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চলমান থাকলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসকারী ২০ লাখ বাংলাদেশির জীবন ও জীবিকা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে জানিয়েছে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।
বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি: বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের ওপর প্রভাব ও করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এই তথ্য দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার।
তিনি বলেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি থেকে দেশে ফিরতে পেরে অভিবাসী কর্মীরা যেমন খুশি হচ্ছেন, তেমন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সম্মুখীন হচ্ছেন। বকেয়া বেতন, ফেলে আসা সম্পদ ও প্রত্যাবর্তনের পরবর্তী অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি হিসাবে যুদ্ধে ১১ বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য থাকলেও প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
জালাল উদ্দিন আরও বলেন, ‘উপসাগরীয় অঞ্চলের (জিসিসি) কোনো সরকার এখন পর্যন্ত যুদ্ধে নিহত বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেনি। গন্তব্য দেশের সরকারি ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ বা আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি কার্যকর করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা তাও জানা যায়নি। এটি দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থায় পাওয়া না গেলে সরকারকে বহুপাক্ষিক ফোরামে আলোচনার উদ্যোগ নিতে হবে।’
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মীরা চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন বলেও জানান এই বিশেষজ্ঞ।
প্রবাসীদের বিমান ভাড়া ও চলাচলের দুর্দশা তুলে ধরে জালাল উদ্দিন শিকদার বলেন, ‘দেশে ফিরতে কর্মীরা ক্রমবর্ধমান টিকিটের মূল্য মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। ঢাকা বিমানবন্দরের দৈনিক যাত্রীদের প্রায় ৪০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হওয়ার খবর না জেনেই আসছেন। ভিসা আটকে থাকায় ৮ থেকে ১০ হাজার কর্মী ক্রমাগত আর্থিক নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন হচ্ছেন।’
সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধপরিস্থিতিকালীন কর্মীদের সুরক্ষায় রামরুর সুপারিশ তুলে ধরে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, সরকারি দপ্তরসমূহের সমন্বয়ে সব জিসিসিভুক্ত দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের অধীনে বিশেষ অভিবাসী সংকট মোকাবিলা সেল প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাংলা ভাষার হটলাইন চালুর ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তাৎক্ষণিক সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ নিশ্চিত করা যায়।
এ ছাড়া রাজস্ব বাজেট থেকে জরুরি তহবিল বরাদ্দ করা এবং দেশে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য একটি জাতীয় পুনর্বাসন নীতি বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে সংঘাত-নির্দিষ্ট মডিউল, কাউন্সেলিং, ফ্লাইট টিকিট ছাড়াই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক (পিকেবি) থেকে অস্থায়ী ঋণ এবং দক্ষতার সনদপত্র প্রদান থাকবে।
জালাল উদ্দিন নারী প্রত্যাবর্তনকারীদের, বিশেষ করে গৃহকর্মীদের জন্য বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিও জানান।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চলমান থাকলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসকারী ২০ লাখ বাংলাদেশির জীবন ও জীবিকা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে জানিয়েছে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।
বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি: বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের ওপর প্রভাব ও করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এই তথ্য দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার।
তিনি বলেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি থেকে দেশে ফিরতে পেরে অভিবাসী কর্মীরা যেমন খুশি হচ্ছেন, তেমন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সম্মুখীন হচ্ছেন। বকেয়া বেতন, ফেলে আসা সম্পদ ও প্রত্যাবর্তনের পরবর্তী অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি হিসাবে যুদ্ধে ১১ বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য থাকলেও প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
জালাল উদ্দিন আরও বলেন, ‘উপসাগরীয় অঞ্চলের (জিসিসি) কোনো সরকার এখন পর্যন্ত যুদ্ধে নিহত বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেনি। গন্তব্য দেশের সরকারি ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ বা আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি কার্যকর করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা তাও জানা যায়নি। এটি দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থায় পাওয়া না গেলে সরকারকে বহুপাক্ষিক ফোরামে আলোচনার উদ্যোগ নিতে হবে।’
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মীরা চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন বলেও জানান এই বিশেষজ্ঞ।
প্রবাসীদের বিমান ভাড়া ও চলাচলের দুর্দশা তুলে ধরে জালাল উদ্দিন শিকদার বলেন, ‘দেশে ফিরতে কর্মীরা ক্রমবর্ধমান টিকিটের মূল্য মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। ঢাকা বিমানবন্দরের দৈনিক যাত্রীদের প্রায় ৪০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হওয়ার খবর না জেনেই আসছেন। ভিসা আটকে থাকায় ৮ থেকে ১০ হাজার কর্মী ক্রমাগত আর্থিক নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন হচ্ছেন।’
সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধপরিস্থিতিকালীন কর্মীদের সুরক্ষায় রামরুর সুপারিশ তুলে ধরে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, সরকারি দপ্তরসমূহের সমন্বয়ে সব জিসিসিভুক্ত দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের অধীনে বিশেষ অভিবাসী সংকট মোকাবিলা সেল প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাংলা ভাষার হটলাইন চালুর ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তাৎক্ষণিক সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ নিশ্চিত করা যায়।
এ ছাড়া রাজস্ব বাজেট থেকে জরুরি তহবিল বরাদ্দ করা এবং দেশে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য একটি জাতীয় পুনর্বাসন নীতি বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে সংঘাত-নির্দিষ্ট মডিউল, কাউন্সেলিং, ফ্লাইট টিকিট ছাড়াই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক (পিকেবি) থেকে অস্থায়ী ঋণ এবং দক্ষতার সনদপত্র প্রদান থাকবে।
জালাল উদ্দিন নারী প্রত্যাবর্তনকারীদের, বিশেষ করে গৃহকর্মীদের জন্য বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিও জানান।

হামে আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও টিকা অবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। এ সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিও জানায়। বুধবার (১৩ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ সমাবেশ হয়।
২৯ মিনিট আগে
রাজস্ব আয় বাড়াতে আগামী বাজেটে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মোটরসাইকেলকে অগ্রিম আয়করের (এআইটি) আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
২৯ মিনিট আগে
বিএনপি নেতারা বলছেন, কেন্দ্রীয় সরকার আগ্রহী থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের সদ্যবিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আপত্তির কারণেই বাংলাদেশ তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা পায়নি। আবার ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ‘নতজানু’ পররাষ্ট্রনীতিও দায়ী। তবে এখন সময় বদলেছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের অর্থনীতিতে মার্চের তুলনায় এপ্রিলে কিছুটা গতি এসেছে। কৃষি ও উৎপাদন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনে দেশের পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ দশমিক ৬ পয়েন্টে। আগের মাসের তুলনায় এটি ১ দশমিক ১ পয়েন্ট বেশি।
১ ঘণ্টা আগে