leadT1ad

‘জুলাই সনদ নিয়ে অপপ্রচার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই সনদ সংবিধানের চার মূলনীতি বাতিল করবে—এমন প্রচার ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন ও এর পক্ষে গণরায় অপরিহার্য, কারণ বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রথাগত নিয়মে নয় বরং গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

নির্বাচনে ঋণখেলাপিদের অংশগ্রহণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রার্থীরা ঋণের সামান্য অংশ শোধ করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এটি আইনি হলেও নৈতিকভাবে ভুল এবং ব্যাংক খাতের সুশাসনের পরিপন্থী। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন ও ব্যাংকগুলোর আরও কঠোর ভূমিকা রাখা উচিত ছিল। তবে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি ঋণ জালিয়াতি বা তথ্য গোপনের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে পদ বাতিলের সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনে না থাকা প্রসঙ্গে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনবিরোধী অবস্থানে থাকলেও তাদের ভোটার ও সমর্থকরা ভোট দিতে আসবেন বলে ধারণা করা যায়। তিনি মনে করেন, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতেই নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারিত হবে, ভোটের ব্যবধান সেখানে মুখ্য নয়।

দুর্নীতি প্রসঙ্গে হতাশা প্রকাশ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, গত দেড় বছরে দুর্নীতি প্রত্যাশিত মাত্রায় কমেনি। ৫ আগস্টের পর থেকেই মাঠপর্যায়ে দখলবাজি ও চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে এবং প্রশাসনের অভ্যন্তরেও অনিয়ম অব্যাহত রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য উপদেষ্টারা তাঁদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ না করে একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কারে সরকারের পদক্ষেপেও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

‘প্রাক-নির্বাচন এবং গণভোট পরিস্থিতি: টিআইবি’র পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী সহিংসতা রোধ এবং নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

Ad 300x250

সম্পর্কিত