স্ট্রিম সংবাদদাতা

‘গ্রেপ্তারের হুমকির’ মুখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা। আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সরাইল প্রেস ক্লাবে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানান তিনি। তবে কারা তাঁকে গ্রেপ্তারের হুমকি দিচ্ছেন, তা উল্লেখ করা হয়নি।
জিয়াউল হক মৃধার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে করা তিনটি মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে জানতে তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নাসির খান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জিয়াউল হক উল্লেখ করেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ‘রাজনৈতিক স্বার্থ’ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাঁকে তিনটি মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর কারণে নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়েছেন তিনি। যদিও ওই সব মামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না তিনি। এজাহারে উল্লিখিত সময়ে তিনি এমপি ছিলেন না।
জিয়াউল মৃধার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। এরপর থেকেই তাঁকে ও তাঁর নেতাকর্মীদের নানাভাবে ভয়-ভীতি ও গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারছেন না তিনি। এই অবস্থায় দলের নেতাকর্মীর সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন জিয়াউল মৃধা।
জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার বলেন, ‘তিনি যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, সেটি আমাদের জানা নেই। এ বিষয়ে তিনি আমাদের কিছু জানাননি।’

‘গ্রেপ্তারের হুমকির’ মুখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা। আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সরাইল প্রেস ক্লাবে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানান তিনি। তবে কারা তাঁকে গ্রেপ্তারের হুমকি দিচ্ছেন, তা উল্লেখ করা হয়নি।
জিয়াউল হক মৃধার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে করা তিনটি মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে জানতে তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নাসির খান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জিয়াউল হক উল্লেখ করেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ‘রাজনৈতিক স্বার্থ’ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাঁকে তিনটি মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর কারণে নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়েছেন তিনি। যদিও ওই সব মামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না তিনি। এজাহারে উল্লিখিত সময়ে তিনি এমপি ছিলেন না।
জিয়াউল মৃধার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। এরপর থেকেই তাঁকে ও তাঁর নেতাকর্মীদের নানাভাবে ভয়-ভীতি ও গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারছেন না তিনি। এই অবস্থায় দলের নেতাকর্মীর সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন জিয়াউল মৃধা।
জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার বলেন, ‘তিনি যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, সেটি আমাদের জানা নেই। এ বিষয়ে তিনি আমাদের কিছু জানাননি।’

ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীতিদের মধ্যে ১৭ নেতা কোটিপতি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীতে এমন নেতা আছেন একজন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
গুজব ও অপতথ্যভিত্তিক উসকানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামায়াতকে ‘রাজনৈতিকভাবে নির্মূল’ করার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে দলটি। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ দিন আগে