leadT1ad

রাখাইনে সংঘাত: গুলিবিদ্ধ শিশুটি এখনো জীবিত

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
কক্সবাজার

মিয়ানমার সীমান্ত। ফাইল ছবি

কক্সবাজারে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে ছোড়া গুলিতে বাংলাদেশি এক শিশু নিহত হয়েছে বলে যে খবর প্রচার হয়েছিল, তা সঠিক নয়। গুলিবিদ্ধ শিশুটি এখনো জীবিত আছে, তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্ত এলাকায় সীমান্তের ওপারে সংঘাতের জেরে ছোঁড়া গুলিতে বাংলাদেশি এক শিশু নিহত এবং কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র রুদ্র। তবে বিকাল পৌনে ৩টার দিকে তিনি জানান, শিশুটি এখনও বেঁচে আছে। শিশুটির বাবা-মায়ের বুঝতে না পেরে শিশুটির মৃত্যু সংবাদ প্রচার করে। পরে দেখা গেছে শিশুটি বেঁচে আছে।

শিশু আফনান (৭) একই এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে।

এসআই খোকন চন্দ্র রুদ্র বলেন, ‘সকালে সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাখাইনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে দুইপক্ষের মধ্যে অন্তত ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি হয়। এক পর্যায়ে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা পিছু হটে সীমান্তের শূন্যরেখার দিকে অবস্থান নেয়। এতে সকাল ৯টার দিকে আবারও উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় মিয়ানমার দিক থেকে ছোড়া গুলি সীমান্তের বাংলাদেশি এক বসত ঘরে এসে পড়ে। এতে বাংলাদেশি এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়।’

তিনি বলেন, ‘শুরুর দিকে শিশুটি মারা গেছে বলে প্রচার শুরু হয়। শিশুটির পিতা-মাতাও বুঝতে না পেরে শিশুটির মৃত্যু সংবাদ প্রচার করে। পরে দেখা গেছে শিশুটি বেঁচে আছে।’

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল জানান, ‘মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি এক বাংলাদেশি শিশু আহত হওয়ার পর আশঙ্কাজনক হওয়ায় মারা গেছে বলে প্রচার হয়। এতে স্থানীয় লোকজন সড়ক অবরোধ করে। এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ জনপ্রতিনিধিরা পরিস্থিতি শান্ত করে নিশ্চিত হয়, শিশুটি মারা যায়নি। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রামে মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

Ad 300x250

সম্পর্কিত