মাহবুবুল আলম তারেক

সরকার বন্ধ পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু করছে। সেখানে নতুন বিনিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বাড়ছে উৎপাদন। রপ্তানির মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে এই শিল্প। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও বাজার নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের সোনালি আঁশ আবার রপ্তানি আয়ে পথ দেখাবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও ক্রমাগত লোকসানের মুখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২০ সালে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) অধীনে থাকা ২৫ পাটকলের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর ২০টি বেসরকারি উদ্যোগে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর ১৪ পাটকল হস্তান্তর হয়েছে। যেগুলোর মধ্যে ৯টি বর্তমানে উৎপাদনে রয়েছে।
গত ২৩ এপ্রিল বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে বন্ধ মিল ইজারা-সংক্রান্ত অংশীজনের সঙ্গে সভা করেন মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ছয়টি পাটকল বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হবে। মিলভেদে ২০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত নতুন বিনিয়োগ আসবে। প্রতিটি মিলে এক হাজারের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে অলস শিল্পসম্পদ পুনরায় কাজে লাগাচ্ছে। এখন পাট ও পাটজাত পণ্যকে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে যুক্ত করা গেলে রপ্তানি বাড়বে। লাভবান হবে কৃষক। বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএসএ) সভাপতি তাপস প্রামাণিক বলেছেন, বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা হারিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে। পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদনে কোনো কাঁচামাল আমদানি করতে হয় না। ফলে সম্পূর্ণ দেশীয় কাঁচামালে উৎপাদিত পাটপণ্যের মাধ্যমে প্রকৃত আয় বাড়বে।
দেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন কাঁচা পাট উৎপাদিত হয়। এছাড়া প্রায় ৩০ লাখ টন পাটখড়ি পাওয়া যায়, যা থেকে ছয় লাখ টনের বেশি চারকোল তৈরি হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭ লাখ ৫ হাজার ৬৭০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
বাড়ছে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি
চীন, ভারত, তুরস্ক, ইরান, বেলজিয়ামসহ ১৩৮টি দেশে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়। পাটশিল্পে সরাসরি ৫০ হাজার থেকে এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। কৃষক, ব্যবসায়ী, সুতা প্রস্তুতকারক, তাঁতিসহ পুরো প্রক্রিয়ায় আরও ৫০ লাখ মানুষ জড়িত। জাতীয় মোট দেশজ উৎপাদনে পাটখাতের অবদান প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ।
২০২০-২১ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় সর্বোচ্চ ১ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। তবে পরে কমতে থাকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮২০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাড়ছে রপ্তানি। প্রাথমিক হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৩৪৬ মিলিয়ন ডলার। এই সময়ে পাটজাত পণ্যে মূল্য সংযোজিত ১৮ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে এবং এই খাতের আয় দাঁড়িয়েছে ১২৫ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ হওয়ার পর নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। পাটপণ্যের উৎপাদন ও দাম বাড়ার কারণে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। মূলত বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পাটশিল্পে নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে এজন্য দেশের ভেতরেও প্রতিযোগিতামূলক বাজার গড়ে তোলা জরুরি। পণ্য মোড়ক আইনের আলোকে পাটের ব্যাগের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা দরকার।
তিনি আরও বলেন, পাট শিল্পের টেকসই উন্নয়নে দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ বাড়াতে দরকার। এ জন্য বিডা, বেপজা, বেজাসহ বাণিজ্যসহ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
বাংলাদেশে ড. মুবারক আহমেদ খানের উদ্ভাবিত ‘সোনালি ব্যাগ’ পাটশিল্পের ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাটের সেলুলোজ থেকে তৈরি এই ব্যাগ একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বিকল্প হতে পারে। মুবারক আহমেদ মনে করেন, সঠিক অর্থায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন পরিকল্পনা থাকলে শুধু সোনালি ব্যাগই দেশের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য হতে পারে।
কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক গোলাম হাফেজ কেনেডি বলেন, বৈশ্বিক পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের পাটশিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। সঠিক নীতি সহায়তা, সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় এবং সম্মিলিত উদ্যোগ থাকলে সোনালি আঁশকে পুনরায় শক্তিশালী শিল্পে রূপ দেওয়া সম্ভব।
বিজেএসএ’র সেক্রেটারি জেনারেল রেজা-ই-আজম খান পাট ব্যবসায়ীদের চামড়ার মতো মৌসুমে স্বল্পসুদে ঋণ দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, আলু-পেঁয়াজের মতো পাটের ক্ষেত্রেও কৃষক লাভ পেলে নিজেরা উৎপাদনে আগ্রহী হবে। তবে সার্বিক বিষয় সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন জুট কমিশন গঠন এখন সময়ের দাবি।
বিজেএসএ’র সভাপতি তাপস প্রামাণিক বলেন, মিল মালিকদের কাঁচাপাট কেনা, রপ্তানি এবং ভতুর্কির ওপর বিভিন্ন ধরনের ট্যাক্স (১০ শতাংশ আয়কর ও করপোরেট ট্যাক্স) দিতে হয়। এই ট্যাক্স আদায়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় মিল মালিকরা নিরুৎসাহিত হন। এই ট্যাক্স তুলে দেওয়া এবং আমলাতান্ত্রিক বাধা দূর করা গেলে দ্বিতীয় সোনালি আঁশের যুগ শুরু হতে পারে।

সরকার বন্ধ পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু করছে। সেখানে নতুন বিনিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বাড়ছে উৎপাদন। রপ্তানির মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে এই শিল্প। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও বাজার নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের সোনালি আঁশ আবার রপ্তানি আয়ে পথ দেখাবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও ক্রমাগত লোকসানের মুখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২০ সালে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) অধীনে থাকা ২৫ পাটকলের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর ২০টি বেসরকারি উদ্যোগে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর ১৪ পাটকল হস্তান্তর হয়েছে। যেগুলোর মধ্যে ৯টি বর্তমানে উৎপাদনে রয়েছে।
গত ২৩ এপ্রিল বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে বন্ধ মিল ইজারা-সংক্রান্ত অংশীজনের সঙ্গে সভা করেন মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ছয়টি পাটকল বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হবে। মিলভেদে ২০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত নতুন বিনিয়োগ আসবে। প্রতিটি মিলে এক হাজারের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে অলস শিল্পসম্পদ পুনরায় কাজে লাগাচ্ছে। এখন পাট ও পাটজাত পণ্যকে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে যুক্ত করা গেলে রপ্তানি বাড়বে। লাভবান হবে কৃষক। বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএসএ) সভাপতি তাপস প্রামাণিক বলেছেন, বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা হারিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে। পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদনে কোনো কাঁচামাল আমদানি করতে হয় না। ফলে সম্পূর্ণ দেশীয় কাঁচামালে উৎপাদিত পাটপণ্যের মাধ্যমে প্রকৃত আয় বাড়বে।
দেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন কাঁচা পাট উৎপাদিত হয়। এছাড়া প্রায় ৩০ লাখ টন পাটখড়ি পাওয়া যায়, যা থেকে ছয় লাখ টনের বেশি চারকোল তৈরি হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭ লাখ ৫ হাজার ৬৭০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
বাড়ছে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি
চীন, ভারত, তুরস্ক, ইরান, বেলজিয়ামসহ ১৩৮টি দেশে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়। পাটশিল্পে সরাসরি ৫০ হাজার থেকে এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। কৃষক, ব্যবসায়ী, সুতা প্রস্তুতকারক, তাঁতিসহ পুরো প্রক্রিয়ায় আরও ৫০ লাখ মানুষ জড়িত। জাতীয় মোট দেশজ উৎপাদনে পাটখাতের অবদান প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ।
২০২০-২১ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় সর্বোচ্চ ১ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। তবে পরে কমতে থাকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮২০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাড়ছে রপ্তানি। প্রাথমিক হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৩৪৬ মিলিয়ন ডলার। এই সময়ে পাটজাত পণ্যে মূল্য সংযোজিত ১৮ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে এবং এই খাতের আয় দাঁড়িয়েছে ১২৫ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ হওয়ার পর নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। পাটপণ্যের উৎপাদন ও দাম বাড়ার কারণে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। মূলত বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পাটশিল্পে নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে এজন্য দেশের ভেতরেও প্রতিযোগিতামূলক বাজার গড়ে তোলা জরুরি। পণ্য মোড়ক আইনের আলোকে পাটের ব্যাগের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা দরকার।
তিনি আরও বলেন, পাট শিল্পের টেকসই উন্নয়নে দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ বাড়াতে দরকার। এ জন্য বিডা, বেপজা, বেজাসহ বাণিজ্যসহ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
বাংলাদেশে ড. মুবারক আহমেদ খানের উদ্ভাবিত ‘সোনালি ব্যাগ’ পাটশিল্পের ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাটের সেলুলোজ থেকে তৈরি এই ব্যাগ একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বিকল্প হতে পারে। মুবারক আহমেদ মনে করেন, সঠিক অর্থায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন পরিকল্পনা থাকলে শুধু সোনালি ব্যাগই দেশের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য হতে পারে।
কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক গোলাম হাফেজ কেনেডি বলেন, বৈশ্বিক পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের পাটশিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। সঠিক নীতি সহায়তা, সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় এবং সম্মিলিত উদ্যোগ থাকলে সোনালি আঁশকে পুনরায় শক্তিশালী শিল্পে রূপ দেওয়া সম্ভব।
বিজেএসএ’র সেক্রেটারি জেনারেল রেজা-ই-আজম খান পাট ব্যবসায়ীদের চামড়ার মতো মৌসুমে স্বল্পসুদে ঋণ দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, আলু-পেঁয়াজের মতো পাটের ক্ষেত্রেও কৃষক লাভ পেলে নিজেরা উৎপাদনে আগ্রহী হবে। তবে সার্বিক বিষয় সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন জুট কমিশন গঠন এখন সময়ের দাবি।
বিজেএসএ’র সভাপতি তাপস প্রামাণিক বলেন, মিল মালিকদের কাঁচাপাট কেনা, রপ্তানি এবং ভতুর্কির ওপর বিভিন্ন ধরনের ট্যাক্স (১০ শতাংশ আয়কর ও করপোরেট ট্যাক্স) দিতে হয়। এই ট্যাক্স আদায়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় মিল মালিকরা নিরুৎসাহিত হন। এই ট্যাক্স তুলে দেওয়া এবং আমলাতান্ত্রিক বাধা দূর করা গেলে দ্বিতীয় সোনালি আঁশের যুগ শুরু হতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁদের বিজয়ী ঘোষণা করে আগামীকাল বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
৭ মিনিট আগে
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্য অব্যাহত থাকায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশজুড়ে কালবৈশাখী, ভারী বৃষ্টি এবং অতিবর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংস্কারবিষয়ক বিশেষ কমিটির প্রস্তাব করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে এই প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।
১৫ মিনিট আগে
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা থেকে হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনকে অব্যাহতি দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে আগে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বুধবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার বেঞ্চ এই রায় দেন।
৩৫ মিনিট আগে