স্ট্রিম সংবাদদাতা

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলের পানিতে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন এই অঞ্চলের কৃষকরা। আর বৃষ্টি ও ঢল অব্যাহত থাকায় আরও বিস্তীর্ণ এলাকা ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কাও করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।
গেল সপ্তাহেও কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আবদুল্লাপুর হাওরজুড়ে ছিল সোনালি ধানের ঝিলিক। পুরো হাওরের পাকা ধান ডুবে সেখানে এখন থৈ থৈ পানি। চলমান টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে খোয়াই নদীর পানি উপচে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ বোরো ধানের জমি। একই দৃশ্য এখন জেলার ইটনা, মিঠামইন, নিকলি, করিমগঞ্জ, তাড়াইল, বাজিতপুর ও সদর উপজেলার হাওর অধ্যুষিত এলাকাজুড়ে।
আজও থামেনি বৃষ্টি, টানা বর্ষণে হাওরের অন্যান্য এলাকায়ও ধান কাটা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে বাড়তি মজুরি দিলেও মিলছে না ধান কাটার শ্রমিক। এতে করে ক্ষেতে থেকেই নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় পাকা ধান। যেসব ধান কেটে মাড়াই করে রোদে শুকানোর আশায় রেখেছিল কৃষকেরা, সেসব ধানও এখন ভিজে নষ্ট হওয়ার পথে।

কিশোরগঞ্জের নিকলী প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তাদের দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী আরও চার দিন আবহাওয়া বৈরী থাকতে পারে।
বৃষ্টি শুরুর আগে, উজানের ঢল নামলে জলাবদ্ধ কিছু জমি থেকে ধান কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন কৃষকেরা। তবে, এর জন্য গুণতে হয়েছে বাড়তি খরচ। এসব ধান ঘরে তুললেও দিতে হয়েছে বাড়তি টাকা। সবমিলে বিপাকে কৃষকেরা।
অষ্টগ্রামের আবদুল্লাহপুর উপজেলার কৃষক আবদুল খালেক বলেন, ‘২ একর জমিতে বোরো ধান আবাদ করেছিলাম। ধান পাকা রং ধরেছিল। হয়তো আর আট থেকে ১০ দিন পর কেটে ফেলতাম। কিন্তু এখন পুরো ফসল পানির নীচে। আমার সব শেষ।‘
কলিমপুর হাওরের কৃষক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘মহাজনের কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়ে ৪ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। এখনতো চোখের সামনে পানিতে ডুবছে। প্রতি ঘণ্টায় পানি বাড়ছে। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এখন সারা বছর না খেয়ে কাটাতে হবে। এছাড়া কি খাবো, বলেন? মহাজনের টাকা কোথা থেকে দিবো, বলেন?’

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমানর। তিনি বলেন, ‘জেলার হাওর অধ্যুষিত আটটি উপজেলায় পাকা ধানের প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে। প্রতিটি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের তালিকা এবং ক্ষতিগ্রস্থ জমির পরিমাণ নির্ণয় করছেন। সব একসঙ্গে করে ঢাকায় পাঠানো হবে। কৃষক যাতে প্রণোদনা পান, সে ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জেলার হাওরাঞ্চলে ১ লাখ ৪ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ ধান কেটে ঘরে তুলেছেন কৃষকেরা।

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলের পানিতে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন এই অঞ্চলের কৃষকরা। আর বৃষ্টি ও ঢল অব্যাহত থাকায় আরও বিস্তীর্ণ এলাকা ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কাও করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।
গেল সপ্তাহেও কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আবদুল্লাপুর হাওরজুড়ে ছিল সোনালি ধানের ঝিলিক। পুরো হাওরের পাকা ধান ডুবে সেখানে এখন থৈ থৈ পানি। চলমান টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে খোয়াই নদীর পানি উপচে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ বোরো ধানের জমি। একই দৃশ্য এখন জেলার ইটনা, মিঠামইন, নিকলি, করিমগঞ্জ, তাড়াইল, বাজিতপুর ও সদর উপজেলার হাওর অধ্যুষিত এলাকাজুড়ে।
আজও থামেনি বৃষ্টি, টানা বর্ষণে হাওরের অন্যান্য এলাকায়ও ধান কাটা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে বাড়তি মজুরি দিলেও মিলছে না ধান কাটার শ্রমিক। এতে করে ক্ষেতে থেকেই নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় পাকা ধান। যেসব ধান কেটে মাড়াই করে রোদে শুকানোর আশায় রেখেছিল কৃষকেরা, সেসব ধানও এখন ভিজে নষ্ট হওয়ার পথে।

কিশোরগঞ্জের নিকলী প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তাদের দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী আরও চার দিন আবহাওয়া বৈরী থাকতে পারে।
বৃষ্টি শুরুর আগে, উজানের ঢল নামলে জলাবদ্ধ কিছু জমি থেকে ধান কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন কৃষকেরা। তবে, এর জন্য গুণতে হয়েছে বাড়তি খরচ। এসব ধান ঘরে তুললেও দিতে হয়েছে বাড়তি টাকা। সবমিলে বিপাকে কৃষকেরা।
অষ্টগ্রামের আবদুল্লাহপুর উপজেলার কৃষক আবদুল খালেক বলেন, ‘২ একর জমিতে বোরো ধান আবাদ করেছিলাম। ধান পাকা রং ধরেছিল। হয়তো আর আট থেকে ১০ দিন পর কেটে ফেলতাম। কিন্তু এখন পুরো ফসল পানির নীচে। আমার সব শেষ।‘
কলিমপুর হাওরের কৃষক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘মহাজনের কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়ে ৪ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। এখনতো চোখের সামনে পানিতে ডুবছে। প্রতি ঘণ্টায় পানি বাড়ছে। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এখন সারা বছর না খেয়ে কাটাতে হবে। এছাড়া কি খাবো, বলেন? মহাজনের টাকা কোথা থেকে দিবো, বলেন?’

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমানর। তিনি বলেন, ‘জেলার হাওর অধ্যুষিত আটটি উপজেলায় পাকা ধানের প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে। প্রতিটি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের তালিকা এবং ক্ষতিগ্রস্থ জমির পরিমাণ নির্ণয় করছেন। সব একসঙ্গে করে ঢাকায় পাঠানো হবে। কৃষক যাতে প্রণোদনা পান, সে ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জেলার হাওরাঞ্চলে ১ লাখ ৪ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ ধান কেটে ঘরে তুলেছেন কৃষকেরা।
.png)

চট্টগ্রাম নগরীতে অভিযান চালিয়ে পুলিশের তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার সহযোগীদের ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন দুই এসআই। এছাড়া রেললাইনের পাথর ছুড়ে মারায় আরও ৩-৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার রাতে প্রায় দুঘণ্টা ধরে নগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
২৪ মিনিট আগেপদত্যাগের দুই দিন পর রাষ্ট্রীয় বাসভবন ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি বঙ্গভবন থেকে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসার উদ্দেশে রওনা দেন।
৩৮ মিনিট আগে
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে একাত্তরের বীর সেনানিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে চারজন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে তাদের প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (৬০ বিজিবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যাটালিয়ন। তাদের মধ্যে এক নারী ও তিন শিশু রয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে