স্ট্রিম সংবাদদাতা

ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রক্টোরিয়াল টিমের অতিরিক্ত নজরদারি থাকলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক পুরোপুরি কাটেনি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও শহীদ মিনারের সামনে পুলিশ অবস্থান করছে। সংঘর্ষের আশঙ্কায় প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজন এখনো রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আহত কয়েকজন সাংবাদিকও চিকিৎসা নিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
জকসু ভিপি ও সাবেক জবি শিবির সভাপতির কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ‘ক্যাম্পাসে হামলার পর আহত ব্যক্তিদের ন্যাশনাল মেডিকেলে নেওয়া হলে সেখানেও হামলা চালানো হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে দুজন শিক্ষক অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। তারা হলেন ইতিহাস বিভাগের বেলাল স্যার ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ওমর ফারুক স্যার।’ জকসুর জিএস আলিম গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিনের কাছে জানতে চাইলে বলেন, ‘শিবিরকর্মীদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের রোষানল থেকে রক্ষা করতে গিয়ে ছাত্রদলের কয়েকজন আহত হয়েছে।’
জবি ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহীন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ছাত্রসংগঠনটির কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন হাসপাতালে ও কয়েকজন বাসায় অবস্থান করছেন।
ঘটনা-পরবর্তী কোনো কর্মসূচি আছে কিনা এমনটি জানতে চাইলে তিন সংগঠনের নেতারা জানান, আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই। পরবর্তীতে কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে তা জানানো হবে।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, রাজনৈতিক সংঘাতের কারণে বারবার শিক্ষা ও স্বাভাবিক ক্যাম্পাস জীবন ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
এদিকে সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আগের মতো দেখা যায়নি। শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন ছাড়া ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন না। সংঘর্ষের রেশ কাটিয়ে ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসবে—এমন প্রত্যাশা তাদের।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী, জকসু প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রক্টোরিয়াল টিমের অতিরিক্ত নজরদারি থাকলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক পুরোপুরি কাটেনি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও শহীদ মিনারের সামনে পুলিশ অবস্থান করছে। সংঘর্ষের আশঙ্কায় প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজন এখনো রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আহত কয়েকজন সাংবাদিকও চিকিৎসা নিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
জকসু ভিপি ও সাবেক জবি শিবির সভাপতির কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ‘ক্যাম্পাসে হামলার পর আহত ব্যক্তিদের ন্যাশনাল মেডিকেলে নেওয়া হলে সেখানেও হামলা চালানো হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে দুজন শিক্ষক অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। তারা হলেন ইতিহাস বিভাগের বেলাল স্যার ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ওমর ফারুক স্যার।’ জকসুর জিএস আলিম গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিনের কাছে জানতে চাইলে বলেন, ‘শিবিরকর্মীদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের রোষানল থেকে রক্ষা করতে গিয়ে ছাত্রদলের কয়েকজন আহত হয়েছে।’
জবি ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহীন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ছাত্রসংগঠনটির কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন হাসপাতালে ও কয়েকজন বাসায় অবস্থান করছেন।
ঘটনা-পরবর্তী কোনো কর্মসূচি আছে কিনা এমনটি জানতে চাইলে তিন সংগঠনের নেতারা জানান, আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই। পরবর্তীতে কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে তা জানানো হবে।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, রাজনৈতিক সংঘাতের কারণে বারবার শিক্ষা ও স্বাভাবিক ক্যাম্পাস জীবন ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
এদিকে সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আগের মতো দেখা যায়নি। শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন ছাড়া ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন না। সংঘর্ষের রেশ কাটিয়ে ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসবে—এমন প্রত্যাশা তাদের।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী, জকসু প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।
.png)

শেখ হাসিনার পতনের দুই বছর পূর্তিতে ৫ আগস্ট ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ খুলে দেওয়া হচ্ছে। গণভবনে গড়ে তোলা এই জাদুঘর ১৬ বছরের শাসনচিত্র এবং চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত ইতিহাস সংরক্ষণের এক অনন্য স্থান হিসেবে প্রদর্শিত হবে। মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে জাদুঘরকে।
১০ মিনিট আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাস ঘুরে আবার প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
১০ মিনিট আগে
কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান হাইকোর্টের দেওয়া জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।
৩৫ মিনিট আগে
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।
৪৩ মিনিট আগে