স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের মারধরে জড়িত পুলিশের চার সদস্যকে ক্লোজড (সাময়িক প্রত্যাহার) করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের যেসব সদস্য বাড়াবাড়ি করেছেন, তাদের চিহ্নিত করে চারজনকে ক্লোজড করা হয়েছে। আরও কেউ জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্লোজড পুলিশ সদস্যদের নাম-পরিচয় জানাতে রাজি হননি। তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ডিসি মাসুদ।
পুলিশের ভাষ্যে, সোমবার রাতে তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ও বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের ঢাকা মহানগর ইউনিটের আহ্বায়ক নাইমুদ্দীনের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ ওই শিক্ষার্থী এবং সেখানে দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকদের ওপর লাঠিচার্জ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের এই মাদকবিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিসি মাসুদ আলম। তাঁর সঙ্গেই নাইমুদ্দীনের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সঙ্গে থাকা ফোর্স নাইমুদ্দীনকে বেধড়ক পেটায়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে শাহবাগ থানা ঘেরাও করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমের অপসারণ ও বিচার দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর কোনো কারণ ছাড়াই পুলিশ হামলা চালায়। এর প্রতিবাদে তারা রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নেন।
শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি পেশ করেন। সেগুলো হলো– ডিসি মাসুদসহ হামলায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা; ক্যাম্পাস এলাকার ভেতরে ও বাইরে সব ধরনের অযাচিত পুলিশিং বা হয়রানি বন্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় মারধরের শিকার নাইমুদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ডিসি মাসুদ নিজে উপস্থিত থেকে আমাদের ওপর বিনাপ্রমাণে ও বিনাঅপরাধে হামলা চালিয়েছেন। তারা তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু আমরা জানি এ দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি রয়েছে। অপরাধী পুলিশ সদস্যদের শাস্তি না দিয়ে কেবল পার্বত্য চট্টগ্রামে বদলি করার যে নাটক চলে, আমরা তা মানব না।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যদি নিজ ক্যাম্পাসের পাশেই অনিরাপদ বোধ করে, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিচ্ছি, এর মধ্যে ডিসি মাসুদের অপসারণ ও শাহবাগ থানা থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলে কঠোর কর্মসূচিতে যাব।’
একই ঘটনায় দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের সামনে মানববন্ধন করে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। সংগঠনের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আরমানুল হক বলেন, ‘৫ আগস্টের পর শুধু পুলিশের পোশাক বদল হয়েছে। কিন্তু আচরণের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমরা এই পুলিশি ব্যবস্থার আমূল সংস্কার চাই।’

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের মারধরে জড়িত পুলিশের চার সদস্যকে ক্লোজড (সাময়িক প্রত্যাহার) করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের যেসব সদস্য বাড়াবাড়ি করেছেন, তাদের চিহ্নিত করে চারজনকে ক্লোজড করা হয়েছে। আরও কেউ জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্লোজড পুলিশ সদস্যদের নাম-পরিচয় জানাতে রাজি হননি। তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ডিসি মাসুদ।
পুলিশের ভাষ্যে, সোমবার রাতে তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ও বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের ঢাকা মহানগর ইউনিটের আহ্বায়ক নাইমুদ্দীনের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ ওই শিক্ষার্থী এবং সেখানে দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকদের ওপর লাঠিচার্জ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের এই মাদকবিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিসি মাসুদ আলম। তাঁর সঙ্গেই নাইমুদ্দীনের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সঙ্গে থাকা ফোর্স নাইমুদ্দীনকে বেধড়ক পেটায়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে শাহবাগ থানা ঘেরাও করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমের অপসারণ ও বিচার দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর কোনো কারণ ছাড়াই পুলিশ হামলা চালায়। এর প্রতিবাদে তারা রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নেন।
শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি পেশ করেন। সেগুলো হলো– ডিসি মাসুদসহ হামলায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা; ক্যাম্পাস এলাকার ভেতরে ও বাইরে সব ধরনের অযাচিত পুলিশিং বা হয়রানি বন্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় মারধরের শিকার নাইমুদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ডিসি মাসুদ নিজে উপস্থিত থেকে আমাদের ওপর বিনাপ্রমাণে ও বিনাঅপরাধে হামলা চালিয়েছেন। তারা তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু আমরা জানি এ দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি রয়েছে। অপরাধী পুলিশ সদস্যদের শাস্তি না দিয়ে কেবল পার্বত্য চট্টগ্রামে বদলি করার যে নাটক চলে, আমরা তা মানব না।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যদি নিজ ক্যাম্পাসের পাশেই অনিরাপদ বোধ করে, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিচ্ছি, এর মধ্যে ডিসি মাসুদের অপসারণ ও শাহবাগ থানা থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলে কঠোর কর্মসূচিতে যাব।’
একই ঘটনায় দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের সামনে মানববন্ধন করে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। সংগঠনের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আরমানুল হক বলেন, ‘৫ আগস্টের পর শুধু পুলিশের পোশাক বদল হয়েছে। কিন্তু আচরণের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমরা এই পুলিশি ব্যবস্থার আমূল সংস্কার চাই।’

রাজশাহীর দাওকান্দি সরকারি কলেজের শিক্ষিকা (ডেমোনস্ট্রেটর) আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অধ্যক্ষের কার্যালয়ে এক বিএনপি নেতাকে চড় মারার ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
৩ ঘণ্টা আগে
ভৌগোলিক কারণে সাতক্ষীরায় প্রতিবছর সবার আগে আম পাকে। অপরিপক্ব আম সংগ্রহ ও বাজারজাত ঠেকাতে আম সংগ্রহের ক্যালেন্ডার (সময়সূচি) ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। নির্ধারিত সময়ের আগে আম পাড়া বা বিক্রি করা যাবে না বলেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকার অপরাজেয় বাংলার সামনে বজ্রপাতে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—মো. সাব্বির হোসেন (২১) ও মোহাম্মদ রিফাত (২২)।
৩ ঘণ্টা আগে