স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা রক্ষা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। নতুন নির্দেশনায় আদালত প্রাঙ্গণ ও ভবনে সব ধরনের মিছিল, স্লোগান ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক অফিস আদেশে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে এই আদেশ জারি করা হয়েছে।
অফিস আদেশে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আইনি বিধির উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট ডিভিশন) রুলস, ১৯৭৩ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, বারের সদস্য (আইনজীবী), আইনজীবী সহকারী বা আদালতের কর্মী আদালত প্রাঙ্গণে বা আদালত ভবনের কোনো অংশে কোনো মিছিল, স্লোগান, প্রচার, সভা বা বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
একই সঙ্গে আদালত প্রাঙ্গণে বৈধ ও অবৈধ যেকোনো প্রকার অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন এবং নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নির্ধারিত স্থান ছাড়া ভবনের গেটের সামনে গাড়ি বা রিকশা পার্কিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আদেশে দুর্নীতির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে। সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন বা অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শৃঙ্খলার বিষয়ে নির্দেশনায় বলা হয়, সকাল ৯টায় কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত সময়ের আগে কোনোভাবেই কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না। বিলম্ব উপস্থিতি বা অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিতি অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং এর জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া অফিস চলাকালীন সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত ফরমাল পোশাক পরিধান করতে হবে এবং অফিস আইডি কার্ড দৃশ্যমান রাখতে হবে। ডেস্কে কোনো কাজ অনিষ্পন্ন রাখা যাবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আদেশের অনুলিপি অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা রক্ষা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। নতুন নির্দেশনায় আদালত প্রাঙ্গণ ও ভবনে সব ধরনের মিছিল, স্লোগান ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক অফিস আদেশে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে এই আদেশ জারি করা হয়েছে।
অফিস আদেশে সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আইনি বিধির উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট ডিভিশন) রুলস, ১৯৭৩ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, বারের সদস্য (আইনজীবী), আইনজীবী সহকারী বা আদালতের কর্মী আদালত প্রাঙ্গণে বা আদালত ভবনের কোনো অংশে কোনো মিছিল, স্লোগান, প্রচার, সভা বা বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
একই সঙ্গে আদালত প্রাঙ্গণে বৈধ ও অবৈধ যেকোনো প্রকার অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন এবং নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নির্ধারিত স্থান ছাড়া ভবনের গেটের সামনে গাড়ি বা রিকশা পার্কিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আদেশে দুর্নীতির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে। সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন বা অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শৃঙ্খলার বিষয়ে নির্দেশনায় বলা হয়, সকাল ৯টায় কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত সময়ের আগে কোনোভাবেই কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না। বিলম্ব উপস্থিতি বা অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিতি অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং এর জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া অফিস চলাকালীন সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত ফরমাল পোশাক পরিধান করতে হবে এবং অফিস আইডি কার্ড দৃশ্যমান রাখতে হবে। ডেস্কে কোনো কাজ অনিষ্পন্ন রাখা যাবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আদেশের অনুলিপি অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ নিহতের মামলা তদন্তের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য দেননি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা নেতৃত্ব ও অংশ নিয়েছে, তাদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে হবে– এই অঙ্গীকার আমরা করেছি।
৩ মিনিট আগে
নানা নাটকীয়তার পর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন কবি মোহন রায়হান। তবে মর্যাদাপূর্ণ প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকেই পুরস্কারটি নিতে চান বলে জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীতে বাড়ি গিয়ে গালিগালাজের কারণ জানতে চাওয়ায় প্রতিবেশীর লাঠি পেটায় শমসের আলী শেখ (৬৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বরকত শেখকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার সকাল ৬টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলা পশ্চিম গৌরীপুর গ্রামের ইমাম বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
চলমান যুদ্ধপরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে