জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ২

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া

নাসিরনগরে রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনের টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষ। সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে আক্তার মিয়া ও হাবিব মিয়া নামে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় গোষ্ঠীর অন্তত ৩০ জন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের গোয়ালনগর গ্রামে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল পর্যন্ত রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজন টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষ চলে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে দুই গোষ্ঠীর প্রধানই এলাকা থেকে গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় লোকজন। ওই ঘটনায় সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি জানিয়েছেন নাসিরনগর থানা-পুলিশ। নিহতরা কোন পক্ষের লোক সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে জিয়াউর রহমানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি স্থানীয় বিএনপির সমর্থক রহিম তালুকদারের গোষ্ঠীর সদস্য। ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাঁকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন। এ ঘটনার তথ্য দাতা হিসেবে একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর সদস্য শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন জিয়াউর। এ নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।

কয়েকদিন আগেও সংঘর্ষে জড়ান রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর সদস্যরা। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে আবারও তাঁরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েনে। এতে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আক্তার মিয়া ও হাবিব মিয়া মারা যান। আহত হন উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন।

নাসিরনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) শফিকুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে দুজন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ মো. আব্দুর রউফ জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে দুটি পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সম্পর্কিত