স্ট্রিম সংবাদদাতা

চুয়াডাঙ্গায় টানা তিন দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার পর বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে। একদিনের ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রা প্রায় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে জানিয়েছে চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য মতে, রোববার দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৩ শতাংশ।
এর আগে বৃহস্পতি থেকে শনিবার (২, ৩ ও ৪ এপ্রিল) পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ, দিনমজুর, ভ্যানচালক ও কৃষিশ্রমিকদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। দুপুরের পর রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা হয়ে যেত। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছিল না লোকজন।
এদিকে রোববার (৫ এপ্রিল) ভোর থেকে আকাশে মেঘ জমতে শুরু করে। পরে শুরু হয় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। ঠান্ডা বাতাস ও মৃদু বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা দ্রুত কমে আসে। এদিন জেলা শহর ঘুরে দেখা গেছে, তাপমাত্রা কমার পর মানুষ আবার স্বাভাবিক কাজে বের হতে শুরু করেছে। রাস্তাঘাটে বেড়েছে মানুষের চলাচল। দোকানপাটেও ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য।
এর আগে শনিবার দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা ৩টায় তা বেড়ে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যা ছিল সারা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এদিকে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ছয়টাতেও তাপমাত্রা একই থাকলেও আর্দ্রতা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬ শতাংশে। এছাড়া বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা তিনটায় তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সেদিনও দেশের সর্বোচ্চ ছিল।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, বৃষ্টির কারণে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গেছে। আবহাওয়া এখন সহনীয় রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় টানা তিন দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার পর বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে। একদিনের ব্যবধানে জেলার তাপমাত্রা প্রায় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে জানিয়েছে চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য মতে, রোববার দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৩ শতাংশ।
এর আগে বৃহস্পতি থেকে শনিবার (২, ৩ ও ৪ এপ্রিল) পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ, দিনমজুর, ভ্যানচালক ও কৃষিশ্রমিকদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। দুপুরের পর রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা হয়ে যেত। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছিল না লোকজন।
এদিকে রোববার (৫ এপ্রিল) ভোর থেকে আকাশে মেঘ জমতে শুরু করে। পরে শুরু হয় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। ঠান্ডা বাতাস ও মৃদু বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা দ্রুত কমে আসে। এদিন জেলা শহর ঘুরে দেখা গেছে, তাপমাত্রা কমার পর মানুষ আবার স্বাভাবিক কাজে বের হতে শুরু করেছে। রাস্তাঘাটে বেড়েছে মানুষের চলাচল। দোকানপাটেও ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য।
এর আগে শনিবার দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা ৩টায় তা বেড়ে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যা ছিল সারা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এদিকে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ছয়টাতেও তাপমাত্রা একই থাকলেও আর্দ্রতা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬ শতাংশে। এছাড়া বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা তিনটায় তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সেদিনও দেশের সর্বোচ্চ ছিল।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, বৃষ্টির কারণে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গেছে। আবহাওয়া এখন সহনীয় রয়েছে।
.png)

বগুড়া সদর উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নিপীড়নের শিকার ওই নারী বর্তমানে প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে আটকের পর পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা।
১ ঘণ্টা আগে
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের-সংলগ্ন মেস থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের খালপাড় এলাকার মেসে নিজের কক্ষে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ পাওয়া যায়। এর আগে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশ ডাকে মেসের অন্য সদস্যরা।
২ ঘণ্টা আগে
কাবিননামা তৈরি করা সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার গাবুরা ইউনিয়নের কাজী মাওলানা বিএএম বাকী বিল্লাহ বিয়েতেই ছিলেন না। কবে, কোথায় বিয়ে হয়েছে সেটিও জানেন না বলে জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চিকিৎসা কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৫৬৭টি ওষুধের গরমিল পাওয়া গেছে। গত ২১ দিনে সরবরাহ করা ৯ ধরনের এসব ওষুধের নথিপত্রে কোনো হিসাব মেলেনি।
১৪ ঘণ্টা আগে