স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের ৭০ শতাংশের বেশি অর্থ জনগণকে নিজের পকেট থেকে মেটাতে হচ্ছে, যা অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি বদলাতে সরকার ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য বরাদ্দ বাড়ানো এবং সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হওয়া ‘৭৯তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি’তে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের রূপরেখা ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। গত মঙ্গলবার সম্মেলনের মূল অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জেনেভায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে স্বাস্থ্যসেবাকে স্থান দিয়েছে। তবে দেশের স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উচ্চ ব্যক্তিগত খরচ বা ‘আউট অফ পকেট এক্সপেনডিচার’কে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, এখনও দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের বড় একটি অংশ মানুষকে সরাসরি বহন করতে হয়। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকার কার্যকর রেফারাল সিস্টেম তৈরি এবং স্বাস্থ্য খাতের দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের বক্তব্যে ড. এম এ মুহিত জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক স্বাস্থ্যগত প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকির সামনের সারিতে থাকায় বাংলাদেশে রোগের ধরন দ্রুত পাল্টাচ্ছে, যা বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। এর পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিকের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতিকে বাংলাদেশের সীমিত স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোর ওপর এক বিশাল বোঝা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
মূল অধিবেশনের পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী গ্লোবাল ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের (Gavi) নীতিনির্ধারণী সভায় বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে অংশ নেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের চলমান স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেন। ড. এম এ মুহিত একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও ন্যায্য 'প্যাথোজেন অ্যাক্সেস অ্যান্ড বেনিফিট শেয়ারিং' ব্যবস্থা দ্রুত চূড়ান্ত করার জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ওপর বৈশ্বিক স্বাস্থ্য অর্থায়নের সংকোচন ও মানবিক সংকটের প্রভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রতিমন্ত্রী সম্পদের দক্ষ ব্যবহারের তাগিদ দেন। বিশেষ করে ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে পরিচিত ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স’ এবং অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের ৭০ শতাংশের বেশি অর্থ জনগণকে নিজের পকেট থেকে মেটাতে হচ্ছে, যা অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি বদলাতে সরকার ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য বরাদ্দ বাড়ানো এবং সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হওয়া ‘৭৯তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি’তে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের রূপরেখা ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। গত মঙ্গলবার সম্মেলনের মূল অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জেনেভায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে স্বাস্থ্যসেবাকে স্থান দিয়েছে। তবে দেশের স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উচ্চ ব্যক্তিগত খরচ বা ‘আউট অফ পকেট এক্সপেনডিচার’কে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, এখনও দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের বড় একটি অংশ মানুষকে সরাসরি বহন করতে হয়। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকার কার্যকর রেফারাল সিস্টেম তৈরি এবং স্বাস্থ্য খাতের দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের বক্তব্যে ড. এম এ মুহিত জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক স্বাস্থ্যগত প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকির সামনের সারিতে থাকায় বাংলাদেশে রোগের ধরন দ্রুত পাল্টাচ্ছে, যা বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। এর পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিকের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতিকে বাংলাদেশের সীমিত স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোর ওপর এক বিশাল বোঝা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
মূল অধিবেশনের পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী গ্লোবাল ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের (Gavi) নীতিনির্ধারণী সভায় বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে অংশ নেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের চলমান স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেন। ড. এম এ মুহিত একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও ন্যায্য 'প্যাথোজেন অ্যাক্সেস অ্যান্ড বেনিফিট শেয়ারিং' ব্যবস্থা দ্রুত চূড়ান্ত করার জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ওপর বৈশ্বিক স্বাস্থ্য অর্থায়নের সংকোচন ও মানবিক সংকটের প্রভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রতিমন্ত্রী সম্পদের দক্ষ ব্যবহারের তাগিদ দেন। বিশেষ করে ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে পরিচিত ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স’ এবং অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।
.png)
-64ec3b.jpeg)
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মাত্র ছয় মাস বয়সী একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে রাতারাতি সব সংকট জাদু দিয়ে সমাধান করা অবাস্তব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩২ মিনিট আগে
সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীর বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
৪৩ মিনিট আগে-9002dc.jpeg)
সংসারের অভাব দূর করার লক্ষ্যে সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে চাকরি নিয়েছিলেন গাইবান্ধার রানা মিয়া (২৩) ও খোকন মিয়া (২৬)। কিন্তু শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে গ্যাস বিষক্রিয়ার ঘটনায় প্রাণ হারান তারা। দুজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে গেল দুটি পরিবারের স্বচ্ছলতায় ফেরার আশা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। ভোজে গরুর নাম ‘বাকশাল’ রেখে জবাই করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে হওয়া এ আয়োজন ঘিরে সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে