সিইজিআইএসের প্রতিবেদন
মাইদুল ইসলাম

চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মা—দেশের প্রধান এই তিন নদীর দুই তীরের ১১টি এলাকায় তীব্র ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। এতে সাতটি জেলার প্রায় ৯১৫ হেক্টর বসতভিটা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে অন্তত ৭৩টি জনপদ। এ ছাড়া তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তিনটি মসজিদ এবং একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) সম্প্রতি তাদের ‘নদীভাঙন পূর্বাভাস ২০২৬’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। ল্যান্ডস্যাট স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ৩০ মিটার রেজল্যুশনের ছবি ও গত দুই দশকের নদীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে।
পূর্বাভাসের কারিগরি দিক নিয়ে সিইজিআইএসের সিনিয়র স্পেশালিস্ট সুদীপ্ত কুমার হোর বলেন, ‘স্যাটেলাইট ইমেজের রেজল্যুশন সীমাবদ্ধতার কারণে যেসব স্থানে ১০০ মিটারের বেশি ভাঙনের সম্ভাবনা থাকে, কেবল সেগুলোকেই আমরা প্রতিবেদনে আনি। এর চেয়ে কম ভাঙন নিখুঁতভাবে ধরা কঠিন, তাই ভুল তথ্য যাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে আমরা বড় ভাঙনগুলোকেই গুরুত্ব দিই।’
২০০৪ সাল থেকে নিয়মিত এই পূর্বাভাস দিচ্ছে সিইজিআইএস। দীর্ঘ সময় ধরে এই পূর্বাভাসের সাফল্যের হার প্রায় ৮০ শতাংশ। সুদীপ্ত কুমার জানান, ২০২৫ সালের পূর্বাভাস এবং বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে ব্যাপক মিল পাওয়া গেছে। গত বছরও যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মার তীরে মোট ১ হাজার ৩৪ হেক্টর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
যমুনার সাত পয়েন্টে মহাবিপদ
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে সবচেয়ে বেশি ভাঙন দেখা দিতে পারে যমুনা নদীতে। এই নদীর দুই তীরের সাতটি স্থানে বড় ধরনের ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি স্থান নদীর ডান তীরে এবং চারটি বাম তীরে অবস্থিত। যমুনা তীরের জেলাগুলোর মধ্যে কুড়িগ্রাম, জামালপুর, গাইবান্ধা ও সিরাজগঞ্জ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সিইজিআইএসের তথ্য বলছে, শুধু যমুনা অববাহিকার প্রায় ৫২৪ হেক্টর এলাকা (কৃষিজমি ও বসতভিটা) বিলীন হতে পারে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২২৩ হেক্টর জমি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে গাইবান্ধা জেলা। কুড়িগ্রামে ১১৩ হেক্টর ও সিরাজগঞ্জে ৯৩ হেক্টর জমি বিলীন হতে পারে। যমুনার এই ভাঙনে অন্তত দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তিনটি মসজিদ এবং একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সুদীপ্ত কুমার হোর বলেন, ‘নদীভাঙন ও বন্যার মধ্যে বড় পার্থক্য আছে। বন্যায় জমি ডুবে গেলেও পরে আবার জেগে ওঠে। কিন্তু ভাঙন হলে জমিটি স্থায়ীভাবে হারিয়ে যায়। এটি মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর এক অপূরণীয় ক্ষতি।’
গঙ্গা ও পদ্মা তীরের চিত্র
গঙ্গা নদীর দুই তীরের তিনটি স্থানে ভাঙনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা মূলত পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত। এই এলাকায় প্রায় ৩২৫ হেক্টর এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। পাবনা জেলাতেই সর্বোচ্চ ২১৫ হেক্টর জমি বিলীন হতে পারে। এ ছাড়া কুষ্টিয়া জেলায় একটি মাধ্যমিক উচ্চবিদ্যালয় নদীভাঙনের সরাসরি হুমকিতে রয়েছে।
সাধারণত রাজশাহী এলাকায় নদীটিকে পদ্মা বলা হলেও একাডেমিক বা কারিগরি ভাষায় এই অংশটিকে ‘গঙ্গা’ বলা হয়। গঙ্গা ও যমুনা নদী যেখানে মিলিত হয়েছে, অর্থাৎ আরিচা বা গোয়ালন্দ ঘাটের পর থেকে মিলিত প্রবাহটি গবেষকদের কাছে ‘পদ্মা’ হিসেবে পরিচিত। এই দুই নদীর অববাহিকা মিলিয়ে ৩৪০ হেক্টর জমি বিলীন হতে পারে।
পদক্ষেপের তাগিদ
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নদীভাঙনের শিকার হওয়া মানুষেরা ভিটেমাটি হারিয়ে সাধারণত বড় শহরগুলোর বস্তি এলাকায় আশ্রয় নেন, যা নতুন সামাজিক সংকট তৈরি করে। ব্যয়বহুল স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি কম খরচে নদীভাঙন পূর্বাভাসের এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগকে (সওজ) এখনই সতর্ক হতে হবে। বিশেষ করে যমুনার ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনজিওগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ও অবকাঠামো নিয়ে দ্রুত পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সুদীপ্ত কুমার হোর বলেন, ‘যেসব এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিচ্ছে, সেখানে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো নির্মাণ করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও জানান, কয়েকটি উন্নয়ন সংস্থা এই পূর্বাভাস ব্যবহার করে স্থানীয়দের আগেভাগে সচেতন করে। এতে মানুষ তাঁদের ঘরবাড়ি বা মূল্যবান স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার সময় পায়, যা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মা—দেশের প্রধান এই তিন নদীর দুই তীরের ১১টি এলাকায় তীব্র ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। এতে সাতটি জেলার প্রায় ৯১৫ হেক্টর বসতভিটা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে অন্তত ৭৩টি জনপদ। এ ছাড়া তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তিনটি মসজিদ এবং একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) সম্প্রতি তাদের ‘নদীভাঙন পূর্বাভাস ২০২৬’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। ল্যান্ডস্যাট স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ৩০ মিটার রেজল্যুশনের ছবি ও গত দুই দশকের নদীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে।
পূর্বাভাসের কারিগরি দিক নিয়ে সিইজিআইএসের সিনিয়র স্পেশালিস্ট সুদীপ্ত কুমার হোর বলেন, ‘স্যাটেলাইট ইমেজের রেজল্যুশন সীমাবদ্ধতার কারণে যেসব স্থানে ১০০ মিটারের বেশি ভাঙনের সম্ভাবনা থাকে, কেবল সেগুলোকেই আমরা প্রতিবেদনে আনি। এর চেয়ে কম ভাঙন নিখুঁতভাবে ধরা কঠিন, তাই ভুল তথ্য যাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে আমরা বড় ভাঙনগুলোকেই গুরুত্ব দিই।’
২০০৪ সাল থেকে নিয়মিত এই পূর্বাভাস দিচ্ছে সিইজিআইএস। দীর্ঘ সময় ধরে এই পূর্বাভাসের সাফল্যের হার প্রায় ৮০ শতাংশ। সুদীপ্ত কুমার জানান, ২০২৫ সালের পূর্বাভাস এবং বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে ব্যাপক মিল পাওয়া গেছে। গত বছরও যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মার তীরে মোট ১ হাজার ৩৪ হেক্টর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
যমুনার সাত পয়েন্টে মহাবিপদ
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে সবচেয়ে বেশি ভাঙন দেখা দিতে পারে যমুনা নদীতে। এই নদীর দুই তীরের সাতটি স্থানে বড় ধরনের ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি স্থান নদীর ডান তীরে এবং চারটি বাম তীরে অবস্থিত। যমুনা তীরের জেলাগুলোর মধ্যে কুড়িগ্রাম, জামালপুর, গাইবান্ধা ও সিরাজগঞ্জ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সিইজিআইএসের তথ্য বলছে, শুধু যমুনা অববাহিকার প্রায় ৫২৪ হেক্টর এলাকা (কৃষিজমি ও বসতভিটা) বিলীন হতে পারে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২২৩ হেক্টর জমি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে গাইবান্ধা জেলা। কুড়িগ্রামে ১১৩ হেক্টর ও সিরাজগঞ্জে ৯৩ হেক্টর জমি বিলীন হতে পারে। যমুনার এই ভাঙনে অন্তত দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তিনটি মসজিদ এবং একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সুদীপ্ত কুমার হোর বলেন, ‘নদীভাঙন ও বন্যার মধ্যে বড় পার্থক্য আছে। বন্যায় জমি ডুবে গেলেও পরে আবার জেগে ওঠে। কিন্তু ভাঙন হলে জমিটি স্থায়ীভাবে হারিয়ে যায়। এটি মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর এক অপূরণীয় ক্ষতি।’
গঙ্গা ও পদ্মা তীরের চিত্র
গঙ্গা নদীর দুই তীরের তিনটি স্থানে ভাঙনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা মূলত পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত। এই এলাকায় প্রায় ৩২৫ হেক্টর এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। পাবনা জেলাতেই সর্বোচ্চ ২১৫ হেক্টর জমি বিলীন হতে পারে। এ ছাড়া কুষ্টিয়া জেলায় একটি মাধ্যমিক উচ্চবিদ্যালয় নদীভাঙনের সরাসরি হুমকিতে রয়েছে।
সাধারণত রাজশাহী এলাকায় নদীটিকে পদ্মা বলা হলেও একাডেমিক বা কারিগরি ভাষায় এই অংশটিকে ‘গঙ্গা’ বলা হয়। গঙ্গা ও যমুনা নদী যেখানে মিলিত হয়েছে, অর্থাৎ আরিচা বা গোয়ালন্দ ঘাটের পর থেকে মিলিত প্রবাহটি গবেষকদের কাছে ‘পদ্মা’ হিসেবে পরিচিত। এই দুই নদীর অববাহিকা মিলিয়ে ৩৪০ হেক্টর জমি বিলীন হতে পারে।
পদক্ষেপের তাগিদ
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নদীভাঙনের শিকার হওয়া মানুষেরা ভিটেমাটি হারিয়ে সাধারণত বড় শহরগুলোর বস্তি এলাকায় আশ্রয় নেন, যা নতুন সামাজিক সংকট তৈরি করে। ব্যয়বহুল স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি কম খরচে নদীভাঙন পূর্বাভাসের এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগকে (সওজ) এখনই সতর্ক হতে হবে। বিশেষ করে যমুনার ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনজিওগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ও অবকাঠামো নিয়ে দ্রুত পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সুদীপ্ত কুমার হোর বলেন, ‘যেসব এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিচ্ছে, সেখানে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো নির্মাণ করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও জানান, কয়েকটি উন্নয়ন সংস্থা এই পূর্বাভাস ব্যবহার করে স্থানীয়দের আগেভাগে সচেতন করে। এতে মানুষ তাঁদের ঘরবাড়ি বা মূল্যবান স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার সময় পায়, যা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় আকস্মিক বন্যা একটি সাধারণ ঘটনা। বাটি আকৃতির এই বৃহৎ ভৌগোলিক নিম্নভূমিগুলো বছরের প্রায় সাত মাস পানিতে ডুবে থাকে।
২০ দিন আগে
উপকূলবাসীর কাছে ২৯ এপ্রিল মানেই শোক, বেদনা আর স্বজন হারানোর এক দীর্ঘশ্বাস। ১৯৯১ সালের এই দিনে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে চালিয়েছিল নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞ।
২১ দিন আগে
ঢাকার বাতাসে মিশে আছে এক অদৃশ্য বিষ—সিসা। এই বিষ শিশুদের শুধু মানসিক বিকাশে বাধা দিচ্ছে না, তাদের ভবিষ্যৎকেও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাম্প্রতি আইসিডিডিআরবি ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা এই সংকটের চিত্রকে আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরেছে।
২২ দিন আগে
দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে হাম্পব্যাক তিমির অভূতপূর্ব সমাবেশ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে একদিনে ৩০৪টি হাম্পব্যাক তিমি শনাক্ত হওয়ার ঘটনা ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। টানা দুই দিনের পর্যবেক্ষণে মোট ৩৭২টি পৃথক তিমি শনাক্ত করা হয়
২৪ দিন আগে