ফারাক্কার ক্ষতি ও দক্ষিণ-পশ্চিমের পরিবেশ পুনরুদ্ধার: প্রসঙ্গ পদ্মা ব্যারেজ

মো. শহীদুল ইসলাম
মো. শহীদুল ইসলাম

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৬: ২৬
স্ট্রিম গ্রাফিক

সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘পদ্মা ব্যারেজ মেগা প্রকল্প’ অনুমোদন পেয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের মানুষ আর কৃষকেরা এমন একটা প্রকল্পের আশায় বুক বেঁধে বসেছিলেন। একজন কৃষিবিজ্ঞানী হিসেবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস, পদ্মা ব্যারেজ মেগা প্রকল্প এদেশের সেচকাজ, কৃষি, মৎস্য চাষ, নৌপথ সচল রাখা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হলেও এক অদ্ভুত বৈপরীত্যের কারণে শুকনো মৌসুমে অনেক অঞ্চলেই তীব্র পানির সংকট দেখা দেয়। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে নদীর পানি কমে যাওয়া, পলি জমা, নোনা পানির অনুপ্রবেশ এবং ঘন ঘন খরার কারণে কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও মানুষের জীবনজীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে অনেক নদীতেই শুকনো মৌসুমের পানিপ্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। ফলে সেচের সুযোগ কমছে, জলাশয় শুকিয়ে যাচ্ছে এবং ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের। ফারাক্কা ব্যারেজের বিরূপ প্রভাবের ফলে শুকনো মৌসুমে গঙ্গা নদী অববাহিকায় ভাটির দিকে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় এই সংকটগুলো আরও ঘনীভূত হয়েছে। এই পটভূমিতে, পদ্মা ব্যারেজ মেগা প্রকল্প বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম এক বড় ও রূপান্তরকারী পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা উদ্যোগ হিসেবে সামনে এসেছে।

এই মেগা প্রকল্পের আওতায় রাজবাড়ী জেলার পাংশায় একটি ২.১ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যারেজ বা বাঁধ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো তৈরি করা হবে। শুকনো মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং মিষ্টি পানি ধরে রাখার জন্য এই প্রকল্পে আধুনিক জলবাহী ও প্রকৌশল সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করা হবে। এই প্রকল্পের অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো—পদ্মা ব্যারেজ এবং গড়াই মুখ উভয় স্থানেই জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা থাকবে। ধারণা করা হচ্ছে, এই দুটি উৎস থেকে যৌথভাবে প্রায় ১১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন দেশের পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের লক্ষ্যপূরণে বড় অবদান রাখবে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর আমাদের নির্ভরশীলতা কমাতে সাহায্য করবে।

এই প্রকল্পের অন্যতম অসাধারণ দিক হলো এর বিশাল পানি ধরে রাখার ক্ষমতা। ব্যারেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ৯০ কোটি ঘনমিটার পানি জমিয়ে রাখা সম্ভব হবে। এই সংরক্ষিত পানি শুকনো মৌসুমে—বিশেষ করে রবিশস্য চাষের সময়ে সেচের পানি জোগাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যখন পানির অভাবে অনেক জেলাতেই কৃষিকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এ ছাড়া, এই জমানো পানি মন্দা সময়েও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে সাহায্য করবে। তা নদী অববাহিকার পরিবেশ, নৌযান চলাচল এবং গৃহস্থালির পানির চাহিদা মেটাবে।

আশা করা হচ্ছে, এই প্রকল্প পাঁচটি প্রধান নদী অববাহিকাকে নতুন জীবন দেবে—হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাসিয়া, বড়াল এবং ইছামতি। কৃষি, মৎস্য সম্পদ, নৌপথ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এই নদীগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু উজানের পানি কমে যাওয়া এবং পলি জমার কারণে শুকনো মৌসুমে এই নদীগুলোর অনেক অংশই সরু, অগভীর এবং প্রায় মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে। নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হলে জলজ জীববৈচিত্র্য আবার ফিরে আসবে, নদীগুলোর নাব্যতা বাড়বে এবং লাখ লাখ মানুষের জন্য মিষ্টি পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত হবে। একই সাথে, ফারাক্কা ব্যারেজের কারণে শুকনো মৌসুমে পানি কমে যাওয়ার যে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতেও এই প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে।

পদ্মা ব্যারেজ মেগা প্রকল্প বাংলাদেশের মোট ভৌগোলিক এলাকার প্রায় ৩৭ শতাংশ জুড়ে অবদান রাখবে। এর ফলে রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল—এই ৪টি বিভাগের ১৯টি জেলা এবং ১৬৩টি উপজেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এত বড় এলাকা জুড়ে এর বিস্তৃতিই প্রমাণ করে যে, এই প্রকল্প জাতীয়ভাবে কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এর প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী। কৃষি, মৎস্য চাষ, পরিবহন ও গ্রামীণ ব্যবসার ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল লাখ লাখ মানুষ এই উদ্যোগের সুফল পাবেন।

প্রকল্পের অবকাঠামোগত নকশাটি অত্যন্ত আধুনিক ও সুপরিকল্পিত। এতে থাকবে ৭৮টি পানি নিষ্কাশন পথ, ১৮টি আন্ডার স্লুইস গেট, ২টি মাছ চলাচলের পথ, একটি নৌযান পারাপারের বিশেষ গেট, গাইড বাঁধ এবং সংযোগ সড়ক। এর মধ্যে ফিশ পাস রাখার বিষয়টি বিশেষভাবে প্রশংসার দাবিদার। এটি মাছের বংশবৃদ্ধি ও চলাচলের পথ সচল রাখা এবং জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রতি সদিচ্ছা প্রকাশ করে। একইভাবে, নেভিগেশন লক অভ্যন্তরীণ নৌযোগাযোগকে আরও সহজ করবে।

কৃষির দৃষ্টিকোণ থেকে, শুকনো মৌসুমে পানির প্রাপ্যতা বাড়লে তা একই জমিতে বছরে একাধিকবার ফসল ফলানো উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে। বৈচিত্র্যময় ফসল চাষ উদ্বুদ্ধ করবে। কৃষকেরা রবি মৌসুমে আরও বেশি পরিমাণে বোরো ধান, গম, ভুট্টা, ডাল, তৈলবীজ এবং শাকসবজি চাষ করতে পারবেন। প্রকল্পের হিসাব অনুযায়ী, উন্নত সেচ সুবিধার কল্যাণে দেশে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ২৩ লাখ ৯০ হাজার টন ধান উৎপাদন হতে পারে। এই বাড়তি উৎপাদন আমাদের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তাকে আরও মজবুত করবে, গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখবে এবং খাদ্য আমদানির ওপর চাপ কমাবে। নির্ভরযোগ্য সেচ সুবিধার কারণে প্রকল্প এলাকার কৃষকেরা আধুনিক, উচ্চফলনশীল এবং জলবায়ু-সহনশীল জাতের ফসল চাষেও উৎসাহিত হবেন।

মৎস্য খাতেও এর এক বিশাল ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের সাথে যুক্ত নদী, খাল, প্লাবনভূমি ও জলাশয়গুলো থেকে বছরে প্রায় ২ লাখ ৩৪ হাজার টন অতিরিক্ত মাছ উৎপাদন করা সম্ভব হতে পারে। পানির উন্নত প্রবাহ এবং পরিবেশগত অবস্থার উন্নতির ফলে মাছের প্রজনন, চলাচল ও বাড়বাড়ন্তের জন্য এক চমৎকার পরিবেশ তৈরি হবে। এর ফলে জেলে এবং মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনজীবিকার মান বাড়বে ও আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। নদী ও জলাশয়গুলো নতুন জীবন পেলে আমাদের দেশি প্রজাতির মাছ—যা গত কয়েক দশকে বিলুপ্তির পথে চলে যাচ্ছিল—সেগুলোকেও টিকিয়ে রাখা সহজ হবে।

এই প্রকল্পের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুফল হলো প্রকৃতির ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা বা পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে শুকনো মৌসুমে প্রায়ই খরা দেখা দেয়। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যায়, জলাভূমিগুলো সংকুচিত হয় এবং সামগ্রিক পরিবেশ এক ধরণের সংকটের মুখে পড়ে। নদীর পানির প্রবাহ ফিরিয়ে এনে এবং মিষ্টি পানি ধরে রাখার মাধ্যমে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প পরিবেশগত এই পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি ঘটাবে। ভূপৃষ্ঠের পানির প্রাপ্যতা বাড়লে ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলনের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে। তাতে মাটির নিচের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং পরিবেশের ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করবে। জলাভূমি ও প্লাবনভূমিগুলো আবার সতেজ হয়ে উঠলে জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি পাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রকৃতির নিজস্ব লড়াইয়ের শক্তি আরও বাড়বে।

একই সাথে, দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে নোনা পানির অনুপ্রবেশ ঠেকাতেও এই প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং মিষ্টি পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে নোনা পানি এখন আমাদের কৃষি, খাওয়ার পানি এবং পরিবেশের জন্য অন্যতম বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীগুলো পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে মিষ্টি পানির সরবরাহ বাড়ানো গেলে নোনা পানির প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। তা কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াবে এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে। এটি বিশেষ করে সেই উপকূলীয় কৃষকদের জন্য দারুণ আশীর্বাদ হবে।

কৃষক, জেলে, পরিবহন শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জীবনজীবিকার সুযোগও এর ফলে বেড়ে যাবে। কৃষি উৎপাদন বাড়লে চাষাবাদ, সেচ সেবা, কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বাজারজাতকরণ খাতে বাড়তি কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। ফলস্বরূপ প্রকল্প এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতি আরও চাঙ্গা, প্রাণবন্ত ও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। নৌপথ সচল হওয়ার কারণে পণ্য পরিবহনের খরচ কমবে, যা এই অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সহজ করে তুলবে।

এত সব বিশাল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, একটি বিষয়ে আমাদের একটু বাড়তি নজর দেওয়া দরকার। এই অঞ্চলের পানি ও কৃষিখাতের সংকট যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেই জরুরি পরিস্থিতির তুলনায় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত ৮ বছর সময় একটু বেশিই দীর্ঘ মনে হয়। সাধারণত বড় বড় মেগা প্রজেক্টে দেরি হলে খরচ যেমন বাড়ে, তেমনি মানুষও এর সুফল পেতে অনেক পিছিয়ে পড়ে। তাই সরকারের উচিত হবে দক্ষ ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে জোরালো সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজটি কম সময়ের মধ্যে শেষ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।

একই সঙ্গে, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, কাজের স্বচ্ছতা এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রকল্পটি যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশগত বা সামাজিক সংকট তৈরি না করে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারে, সেজন্য সঠিক পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি। এর পাশাপাশি, নদীগুলোর দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও স্থায়িত্ব ধরে রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং বা খনন, পলি ব্যবস্থাপনা এবং নদী অববাহিকার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

পদ্মা ব্যারেজ মেগা প্রকল্প কেবল পানি ব্যবস্থাপনার কোনো সাধারণ অবকাঠামো নয়। এটি আমাদের জাতীয় উন্নয়নের এমন এক রূপান্তরকারী উদ্যোগ। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে কৃষি, মৎস্য সম্পদ, পরিবেশ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং গ্রামীণ জীবনজীবিকার ওপর। এটি দীর্ঘদিন ধরে খরা, নদীর পানি কমে যাওয়া এবং তীব্র পানির সংকটে ভোগা লাখ লাখ মানুষের মনে আশার আলো জোগাবে। সঠিক সময়ে, স্বচ্ছতা ও টেকসই উপায়ে এটি বাস্তবায়ন করা গেলে পদ্মা ব্যারেজ মেগা প্রকল্প বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও গ্রামীণ উন্নয়নের ইতিহাসে যুগান্তকারী সাফল্য হিসেবে গণ্য হবে। ফারাক্কা ব্যারেজের কারণে শুকনো মৌসুমে পানি কমে যাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এই ব্যারেজ অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে।

  • ড. মো. শহীদুল ইসলাম: কৃষিবিজ্ঞানী। মাটি, পানি ব্যবস্থাপনা, সার, পরিবেশ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বায়োগ্যাস প্রযুক্তি এবং বায়োস্লারি জৈব সার নিয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণায় প্রায় ৫৭ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

সম্পর্কিত