স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে গণহত্যায় উসকানি ও তথ্য গোপনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আজ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
শুনানিতে প্রথমে প্রসিকিউশন পক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো আদালতের সামনে উপস্থাপন করবে। এরপর আসামিপক্ষ তাদের আইনি যুক্তি ও অব্যাহতির আবেদন পেশ করার সুযোগ পাবে।
মামলার অন্যতম আসামি জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন। আজ সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রিজনভ্যানে করে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তার পক্ষে শুনানি করবেন আইনজীবী লিটন আহমেদ।
অন্যদিকে, মামলার অপর আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই বিচারিক কার্যক্রম চলছে। পলাতক আসামির ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আইনি বিধান অনুযায়ী, গত ১৭ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল তার পক্ষে একজন স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দিয়েছেন। আজ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত এই আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেবেন।
প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় বা মাস্টারমাইন্ডে ইন্টারনেট শাটডাউন বা ব্ল্যাকআউট করা হয়েছিল। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী পলক।
প্রসিকিউশনের দাবি, ইন্টারনেট বন্ধ করার মূল উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যা ও নিযার্তনের তথ্য বিশ্ববাসীর কাছ থেকে গোপন করা এবং আন্দোলন দমনে উসকানি দেওয়া। গত ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই অভিযোগ আমলে নেন এবং একই দিন জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর আদালত সজীব ওয়াজেদ জয়কে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছিলেন। গত ১৭ ডিসেম্বর তাঁর হাজির হওয়ার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হননি। ফলে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত জয়ের পক্ষে সরকারি খরচে আইনি লড়াইয়ের জন্য স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ দেন এবং অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আজকের দিন (৭ জানুয়ারি) ধার্য করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে গণহত্যায় উসকানি ও তথ্য গোপনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আজ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
শুনানিতে প্রথমে প্রসিকিউশন পক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো আদালতের সামনে উপস্থাপন করবে। এরপর আসামিপক্ষ তাদের আইনি যুক্তি ও অব্যাহতির আবেদন পেশ করার সুযোগ পাবে।
মামলার অন্যতম আসামি জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন। আজ সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রিজনভ্যানে করে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তার পক্ষে শুনানি করবেন আইনজীবী লিটন আহমেদ।
অন্যদিকে, মামলার অপর আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই বিচারিক কার্যক্রম চলছে। পলাতক আসামির ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আইনি বিধান অনুযায়ী, গত ১৭ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল তার পক্ষে একজন স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দিয়েছেন। আজ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত এই আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেবেন।
প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় বা মাস্টারমাইন্ডে ইন্টারনেট শাটডাউন বা ব্ল্যাকআউট করা হয়েছিল। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী পলক।
প্রসিকিউশনের দাবি, ইন্টারনেট বন্ধ করার মূল উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যা ও নিযার্তনের তথ্য বিশ্ববাসীর কাছ থেকে গোপন করা এবং আন্দোলন দমনে উসকানি দেওয়া। গত ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই অভিযোগ আমলে নেন এবং একই দিন জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর আদালত সজীব ওয়াজেদ জয়কে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছিলেন। গত ১৭ ডিসেম্বর তাঁর হাজির হওয়ার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হননি। ফলে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত জয়ের পক্ষে সরকারি খরচে আইনি লড়াইয়ের জন্য স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ দেন এবং অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আজকের দিন (৭ জানুয়ারি) ধার্য করেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী মত দমনে জিয়াউল আহসানকে অন্যতম ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছে প্রসিকিউশন। তিনি দীর্ঘ সময় র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং পরবর্তীতে এনটিএমসির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৫ মিনিট আগে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) যদি মনে করে, তাহলেই কেবল জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) রদবদল করা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।
৬ মিনিট আগে
ঢাকার ধামরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথটি সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রথটি পুড়ে যাওয়ার যে তথ্য ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব। রথের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া রথ পোড়ানোর ছবিটি মূলত এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স)
১ ঘণ্টা আগে
সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার জন্য পতিত দেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট চক্র আবারও সুপরিকল্পিতভাবে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন কার্ড’ খেলার পাঁয়তারা করছে বলে মন্তব্য করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
১ ঘণ্টা আগে