স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে স্থাপিত সেই ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য যথাযথ ও উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণ, নকশা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের আগেই নতুন ভাস্কর্য স্থাপন ও অসম্পূর্ণ ভাস্কর্য অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন।
কমিটিতে জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার (পদাধিকারবলে), জেলা পরিষদের প্রশাসক (পদাধিকারবলে), স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও পৌরসভার প্রশাসক রথীন্দ্র নাথ রায়, জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের প্রতিনিধি, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাইয়ের ছেলে মো. হাফিজুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিনিধিসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সদস্য করা হয়েছে।
সভার শুরুতে বক্তব্য দেন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘২০১৯ সালের ২৬ মার্চ ঝিনাইদহ-ঢাকা মহাসড়কের সড়কদ্বীপে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে চত্বর ও ভাস্কর্যের নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সেই সময় বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারের সদস্য হিসেবে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমরা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিন উপস্থিত ছিলাম। এরপর গত ১৪ জুলাই পত্রিকায় দেখলাম, আমার চাচা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হচ্ছে। কে বা কারা ভাস্কর্য ও চত্বর ভেঙে ফেলছে, তা প্রশাসনের কেউ বলতে পারেনি। পৌরসভার কেউ এ নিয়ে আমাদের কিছু জানায়নি।’
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামালউদ্দিন বলেন, ‘আমরা চাই প্রশাসন অতি দ্রুত মহান মুক্তিযুদ্ধের সূর্যসন্তান বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ একটি ভাস্কর্য যেন স্থাপন করে। এমন জায়গায় ভাস্কর্যটি পুনঃস্থাপন করতে হবে, যেন মানুষ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে।’
প্রসঙ্গত, ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর ও ভাস্কর্য ভাঙার কাজ গত ১৩ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত চলছিল। তবে কার নির্দেশে এবং কী কারণে এটি অপসারণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি প্রশাসন, পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
চত্বরটি ভাঙা নিয়ে গত ১৬ জুলাই থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে, শনিবার থেকে ভাঙার কাজ স্থগিত করে জেলা প্রশাসন।
ঝিনাইদহ পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের দিকে পৌরসভার উদ্যোগে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা লিংক সড়কে ৩০ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট প্রস্থের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়। কয়েক বছর পার হলেও অজ্ঞাত কারণে ভাস্কর্যটির কাজ শেষ করা হয়নি। এর মধ্যে দুই দফা মেয়র পরিবর্তন ও দুই দফা প্রশাসক নিয়োগ হয়। কাজ শেষ না হওয়ায় ভাস্কর্যের সম্পূর্ণ আকৃতিও ছিল না।
স্থানীয়রা জানায়, ২০১২ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুল করিম মিন্টু পৌরসভার মেয়র থাকাকালে ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৩২ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের সরকার পতনের পর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের এই ভাস্কর্যটিতেও হামলা করা হয়।
জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন বলেন, প্রয়োজনবোধে কমিটিতে দুই-একজন সদস্য বাড়ানো হতে পারে। আশা করছি, কমিটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য উপযুক্ত জায়গা যাচাই-বাছাই করবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সংক্রান্ত পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে স্থাপিত সেই ভাস্কর্য পুনর্নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ভাস্কর্য নির্মাণের জন্য যথাযথ ও উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণ, নকশা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের আগেই নতুন ভাস্কর্য স্থাপন ও অসম্পূর্ণ ভাস্কর্য অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন।
কমিটিতে জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার (পদাধিকারবলে), জেলা পরিষদের প্রশাসক (পদাধিকারবলে), স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও পৌরসভার প্রশাসক রথীন্দ্র নাথ রায়, জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের প্রতিনিধি, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাইয়ের ছেলে মো. হাফিজুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিনিধিসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সদস্য করা হয়েছে।
সভার শুরুতে বক্তব্য দেন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘২০১৯ সালের ২৬ মার্চ ঝিনাইদহ-ঢাকা মহাসড়কের সড়কদ্বীপে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নামে চত্বর ও ভাস্কর্যের নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সেই সময় বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারের সদস্য হিসেবে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমরা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিন উপস্থিত ছিলাম। এরপর গত ১৪ জুলাই পত্রিকায় দেখলাম, আমার চাচা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হচ্ছে। কে বা কারা ভাস্কর্য ও চত্বর ভেঙে ফেলছে, তা প্রশাসনের কেউ বলতে পারেনি। পৌরসভার কেউ এ নিয়ে আমাদের কিছু জানায়নি।’
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামালউদ্দিন বলেন, ‘আমরা চাই প্রশাসন অতি দ্রুত মহান মুক্তিযুদ্ধের সূর্যসন্তান বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ একটি ভাস্কর্য যেন স্থাপন করে। এমন জায়গায় ভাস্কর্যটি পুনঃস্থাপন করতে হবে, যেন মানুষ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে।’
প্রসঙ্গত, ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর ও ভাস্কর্য ভাঙার কাজ গত ১৩ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত চলছিল। তবে কার নির্দেশে এবং কী কারণে এটি অপসারণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি প্রশাসন, পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
চত্বরটি ভাঙা নিয়ে গত ১৬ জুলাই থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে, শনিবার থেকে ভাঙার কাজ স্থগিত করে জেলা প্রশাসন।
ঝিনাইদহ পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের দিকে পৌরসভার উদ্যোগে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা লিংক সড়কে ৩০ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট প্রস্থের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়। কয়েক বছর পার হলেও অজ্ঞাত কারণে ভাস্কর্যটির কাজ শেষ করা হয়নি। এর মধ্যে দুই দফা মেয়র পরিবর্তন ও দুই দফা প্রশাসক নিয়োগ হয়। কাজ শেষ না হওয়ায় ভাস্কর্যের সম্পূর্ণ আকৃতিও ছিল না।
স্থানীয়রা জানায়, ২০১২ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুল করিম মিন্টু পৌরসভার মেয়র থাকাকালে ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৩২ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের সরকার পতনের পর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের এই ভাস্কর্যটিতেও হামলা করা হয়।
জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন বলেন, প্রয়োজনবোধে কমিটিতে দুই-একজন সদস্য বাড়ানো হতে পারে। আশা করছি, কমিটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য উপযুক্ত জায়গা যাচাই-বাছাই করবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সংক্রান্ত পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
.png)

দেশের একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এতে দেশের শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি স্টেশনসহ গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।
৮ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাসে বিচারকের ছুড়ে মারা পেপারওয়েটের আঘাতে শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানা আহত হয়েছেন। তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
৩৯ মিনিট আগে
কেউ দলের মনোনয়নে নির্বাচিত হওয়ার পরে নৈতিক স্খলনের দায়ে বহিষ্কৃত হন, তবে তাঁর সংসদ সদস্য পদ বাতিলের আইনি ও যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)– এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন সংশোধনের সুপারিশের কারণে ভোট পেছানোর কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
২ ঘণ্টা আগে