স্ট্রিম প্রতিবেদক

সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার কারণ অনুসন্ধানে তদন্তে যাচ্ছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ঠিক কী কারণে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি, কোথায় সিদ্ধান্তগত ব্যর্থতা ছিল এবং ক্রীড়া কূটনীতির ঘাটতি কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছে—তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলা স্কুলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারার পুরো বিষয় গভীরভাবে তদন্ত করে দেখা হবে এবং এ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন চাওয়া হবে।
এ সময় আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা কিছুদিন আগে দেখেছি যে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু আমাদের ক্রীড়া কূটনীতির অভাবে আমরা সেই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। কেন এমনটি ঘটেছে, সেটিও তদন্ত করে দেখার বিষয় রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, এই বিষয়গুলো নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করব। কেন আমরা বিশ্বকাপ খেলতে গেলাম না, কোথায় আমাদের সমস্যা ছিল, বা কেন আমাদের ক্রীড়া কূটনীতির অভাব ছিল—এসব বিষয় তদন্ত কমিটির মাধ্যমে প্রতিবেদন আকারে জানতে চাইব।’
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে প্রধান কারণ ছিল পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিরোধ। জানা যায়, ওই ঘটনার পর ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, সে সময়কার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিসিবি এই অবস্থান গ্রহণ করে।
পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানায় বিসিবি। তবে লজিস্টিকস ও ব্যবস্থাপনাগত জটিলতার কথা উল্লেখ করে সেই অনুরোধ নাকচ করে দেয় আইসিসি। সংস্থাটির প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি এবং সরাসরি বাংলাদেশে এসে বিসিবির সঙ্গে একাধিক বৈঠকও করেন। তারা বাংলাদেশকে নির্ধারিত ভেন্যুতেই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানালেও বোর্ড তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এদিকে, এ সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রিকেটারদের সঙ্গেও বোর্ডের দূরত্ব তৈরি হয়। ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) শুরু থেকেই বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আসছিল। প্রতিমন্ত্রী জানান, মোহাম্মদ মিঠুনের নেতৃত্বে কোয়াবের একটি প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যে তার সঙ্গে দেখা করে ক্রিকেটারদের অবস্থান তুলে ধরেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের কথাগুলো শুনেছি এবং আশ্বস্ত করেছি যে ঈদের পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে, বিসিবির নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। তবে সেই কমিটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিসিবি। এ বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওই তদন্ত কার্যক্রমও চলমান থাকবে এবং আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বিসিবির বিগত নির্বাচন প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা হয়েছে ক্রিকেট বোর্ডের ওপর। এগুলো নতুন করে বলার কিছু নেই। সঠিক তথ্য তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে জানি যে, যখন বিগত নির্বাচনের সময় ডিসিরা একবার কাউন্সিলরশিপ পাঠিয়েছিলেন, পরবর্তীতে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বুলবুল ভাইয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তারা আবার দ্বিতীয়বার কাউন্সিলর পাঠিয়েছেন। এটি তো একদম দৃশ্যমান সত্য ঘটনা। আইসিসির সঙ্গে কথা বলেই সকল সিদ্ধান্ত নেব।’

সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার কারণ অনুসন্ধানে তদন্তে যাচ্ছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ঠিক কী কারণে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি, কোথায় সিদ্ধান্তগত ব্যর্থতা ছিল এবং ক্রীড়া কূটনীতির ঘাটতি কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছে—তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলা স্কুলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারার পুরো বিষয় গভীরভাবে তদন্ত করে দেখা হবে এবং এ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন চাওয়া হবে।
এ সময় আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা কিছুদিন আগে দেখেছি যে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু আমাদের ক্রীড়া কূটনীতির অভাবে আমরা সেই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। কেন এমনটি ঘটেছে, সেটিও তদন্ত করে দেখার বিষয় রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, এই বিষয়গুলো নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করব। কেন আমরা বিশ্বকাপ খেলতে গেলাম না, কোথায় আমাদের সমস্যা ছিল, বা কেন আমাদের ক্রীড়া কূটনীতির অভাব ছিল—এসব বিষয় তদন্ত কমিটির মাধ্যমে প্রতিবেদন আকারে জানতে চাইব।’
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে প্রধান কারণ ছিল পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিরোধ। জানা যায়, ওই ঘটনার পর ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, সে সময়কার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিসিবি এই অবস্থান গ্রহণ করে।
পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানায় বিসিবি। তবে লজিস্টিকস ও ব্যবস্থাপনাগত জটিলতার কথা উল্লেখ করে সেই অনুরোধ নাকচ করে দেয় আইসিসি। সংস্থাটির প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি এবং সরাসরি বাংলাদেশে এসে বিসিবির সঙ্গে একাধিক বৈঠকও করেন। তারা বাংলাদেশকে নির্ধারিত ভেন্যুতেই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানালেও বোর্ড তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এদিকে, এ সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রিকেটারদের সঙ্গেও বোর্ডের দূরত্ব তৈরি হয়। ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) শুরু থেকেই বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আসছিল। প্রতিমন্ত্রী জানান, মোহাম্মদ মিঠুনের নেতৃত্বে কোয়াবের একটি প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যে তার সঙ্গে দেখা করে ক্রিকেটারদের অবস্থান তুলে ধরেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের কথাগুলো শুনেছি এবং আশ্বস্ত করেছি যে ঈদের পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে, বিসিবির নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। তবে সেই কমিটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিসিবি। এ বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওই তদন্ত কার্যক্রমও চলমান থাকবে এবং আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বিসিবির বিগত নির্বাচন প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা হয়েছে ক্রিকেট বোর্ডের ওপর। এগুলো নতুন করে বলার কিছু নেই। সঠিক তথ্য তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে জানি যে, যখন বিগত নির্বাচনের সময় ডিসিরা একবার কাউন্সিলরশিপ পাঠিয়েছিলেন, পরবর্তীতে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বুলবুল ভাইয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তারা আবার দ্বিতীয়বার কাউন্সিলর পাঠিয়েছেন। এটি তো একদম দৃশ্যমান সত্য ঘটনা। আইসিসির সঙ্গে কথা বলেই সকল সিদ্ধান্ত নেব।’

দেশে টানা দেড় দশকের কর্তৃত্ববাদী-ব্যবস্থার সূচনা হয়েছিল সর্বোচ্চ আদালতের একটি রায়ের মাধ্যমে। বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার-ব্যবস্থা বাতিলের যে রায় দিয়েছিল, তা ছিল আইনের সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা ও জনবিরোধী।
২৫ মিনিট আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু হয়েছে।
৪০ মিনিট আগে
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দ ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
৪১ মিনিট আগে
সড়ক ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন ও যানজট নিরসনে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। এখন থেকে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হবে ‘পোর্টেবল সিগন্যাল লাইট’। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই সিগন্যাল ব্যবস্থা এরই মধ্যে সড়কে ইতিবাচক সাড়া ফেলতে শুরু করেছে।
১ ঘণ্টা আগে