স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক বরেণ্য সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক এ কে এম সাদ উদ্দিন মারা গেছেন করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৫ মে) ভোরে রাজধানীর ধানমন্ডি স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ৯০ বছরের বেশি বয়সের এই অধ্যাপক বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. ফাতিমা রেজিনা ইকবাল জানান, শুক্রবার বাদ জুমা ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অধ্যাপক সাদ উদ্দিনের জানাজা হবে। এরপর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাঁকে শায়িত করা হবে।
সাদ উদ্দিনের অসুস্থতা ও শেষ সময়ের কথা তুলে ধরে ফাতিমা রেজিনা বলেন, ‘গত শুক্রবার বেলা ১০টা-১১টার দিকে খারাপ লাগলে চিকিৎসক মেয়ে ও মেয়ে জামাই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরীক্ষায় স্যারের মাইল্ড স্ট্রোক ও নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। কিছুদিন আইসিইউতে থাকার পর দ্রুত সুস্থতার দিকে গেলে তাঁকে কেবিনেও স্থানান্তর করা হয়েছিল।’
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার সময়ে তিনি এই সেখানে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের পরও তিনি সমাজবিজ্ঞান ও বিশ্বধর্মতত্ত্ব বিভাগে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান চর্চায় দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন অধ্যাপক সাদ উদ্দিন। শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রগতিশীল শিক্ষক রাজনীতি ও ক্রান্তিলগ্নে তাঁর আপসহীন ভূমিকা সর্বজনবিদিত।
১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী স্বৈরাচারী আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেওয়া হলে স্বৈরাচারের আদেশ অমান্য করে কলাভবনে খোলা আকাশের নিচে ‘প্রতীকী ক্লাস’ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তৎকালীন শিক্ষকেরা। ১৯৯০ সালের ১১ নভেম্বর সেই ঐতিহাসিক ক্লাসে প্রথম লেকচারটি নিয়েছিলেন অধ্যাপক সাদ উদ্দিন।
এর আগে ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে পূর্ব বাংলার স্বাধিকার আন্দোলনের সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমননীতি এবং বাঙালি সংস্কৃতির ওপর আঘাতের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ১৯ জন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক ঐতিহাসিক বিবৃতি দিয়েছিলেন, অধ্যাপক সাদ উদ্দিন ছিলেন তাঁদের অন্যতম। তাঁর প্রয়াণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, শিক্ষক সমাজ এবং অসংখ্য গুণগ্রাহীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক বরেণ্য সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক এ কে এম সাদ উদ্দিন মারা গেছেন করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৫ মে) ভোরে রাজধানীর ধানমন্ডি স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ৯০ বছরের বেশি বয়সের এই অধ্যাপক বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. ফাতিমা রেজিনা ইকবাল জানান, শুক্রবার বাদ জুমা ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অধ্যাপক সাদ উদ্দিনের জানাজা হবে। এরপর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাঁকে শায়িত করা হবে।
সাদ উদ্দিনের অসুস্থতা ও শেষ সময়ের কথা তুলে ধরে ফাতিমা রেজিনা বলেন, ‘গত শুক্রবার বেলা ১০টা-১১টার দিকে খারাপ লাগলে চিকিৎসক মেয়ে ও মেয়ে জামাই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরীক্ষায় স্যারের মাইল্ড স্ট্রোক ও নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। কিছুদিন আইসিইউতে থাকার পর দ্রুত সুস্থতার দিকে গেলে তাঁকে কেবিনেও স্থানান্তর করা হয়েছিল।’
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার সময়ে তিনি এই সেখানে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের পরও তিনি সমাজবিজ্ঞান ও বিশ্বধর্মতত্ত্ব বিভাগে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান চর্চায় দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন অধ্যাপক সাদ উদ্দিন। শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রগতিশীল শিক্ষক রাজনীতি ও ক্রান্তিলগ্নে তাঁর আপসহীন ভূমিকা সর্বজনবিদিত।
১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী স্বৈরাচারী আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেওয়া হলে স্বৈরাচারের আদেশ অমান্য করে কলাভবনে খোলা আকাশের নিচে ‘প্রতীকী ক্লাস’ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তৎকালীন শিক্ষকেরা। ১৯৯০ সালের ১১ নভেম্বর সেই ঐতিহাসিক ক্লাসে প্রথম লেকচারটি নিয়েছিলেন অধ্যাপক সাদ উদ্দিন।
এর আগে ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে পূর্ব বাংলার স্বাধিকার আন্দোলনের সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমননীতি এবং বাঙালি সংস্কৃতির ওপর আঘাতের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ১৯ জন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষক ঐতিহাসিক বিবৃতি দিয়েছিলেন, অধ্যাপক সাদ উদ্দিন ছিলেন তাঁদের অন্যতম। তাঁর প্রয়াণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, শিক্ষক সমাজ এবং অসংখ্য গুণগ্রাহীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রকাশ্য স্থানে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১০ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগেঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর খাইয়ারা রাস্তার মাথা এলাকায় থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়সহ আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যুবদল নেতা মনির খানের (৩৮) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে স্বজনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে