থাইল্যান্ড থেকে ২ দিন আগেই দেশে ফিরলেন স্পিকার

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। সংগৃহীত ছবি

চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যাওয়া জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ব্যাংকক থেকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের আলোচনার মধ্যে নির্ধারিত সূচির দুই দিন আগেই ব্যাংকক থেকে ফিরলেন তিনি। এর আগে ১৯ জুলাই ঢাকা থেকে ব্যাংককে যান স্পিকার।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানের তথ্যানুযায়ী, সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা ছিল। এজন্য কাটা ছিল ফিরতি টিকিটও।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্পিকারকে সফরসূচি সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র জমা দেন স্পিকারের কাছে। আর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগপর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন স্পিকার।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আজ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বিদায়ের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন- এমন তথ্যও পাওয়া গেছে।

বিমানবন্দরে নামার পর অবশ্য স্পিকার এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি দেশের বাইরে ছিলাম। সুতরাং এখানে কে পদত্যাগ করল, কী করল, আমার কিছুই জানা নেই। এখন হয়তো জানতে পারব।’

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্পিকার বলেন, ‘আপনারা যেরকম শুনেছেন, আমিও সেরকমই শুনেছি। উনি কী করবেন, না করবেন, আমি জানি না।’

নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফেরার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসার কথা ছিল ২৬ তারিখে। আমার ব্যক্তিগত কাজ, মেডিকেল চেকআপ যেহেতু শেষ হয়েছে, সেজন্যই আমি এসেছি।’

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে পরবর্তী দায়িত্বের বিষয়ে এক প্রশ্নে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী এটা একটা ট্র্যাডিশন। দেশের সংবিধানে লেখা আছে, যখন রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন, তখন স্পিকার অ্যাক্টিং রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে জাতীয় সংসদ। সেটা তিন মাসের মধ্যে করতে হয়। এটা হলো সংবিধানের অবস্থা।’

Ad 300x250

সম্পর্কিত