স্ট্রিম সংবাদদাতা

কক্সবাজারের রামুতে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে বালিশ চাপা দিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়।
গত রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ফতেখারকুল ইউনিয়নের শ্রীধন পাড়া এলাকার সাধন বড়ুয়ার বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রামু থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ ফরিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গতকাল তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
তিনি জানান, আজ ওই পরিবারের সদস্যদের থানায় ডেকে কথা বলা হবে। তারপর এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে গৃহকর্তা সাধন বড়ুয়া নিহতের পরিবারের সদস্যদের কাছে দাবি করেছে, ওই কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। তবে সরাসরি তাঁর বক্তব্য জানতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পরিবারের সদস্যরা এরই মধ্যে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁদের বাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর নাম মায়া চাকমা। তিনি উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের তেলখোলা গ্রামের বাসিন্দা ক্যউছিং চাকমার মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার প্রায় এক মাস আগে মায়ার সঙ্গে তার বাবার ফোনে কথা হয়। সে সময় মায়া স্বাভাবিক ও হাসিখুশি ছিল। বাবা তাকে বাড়িতে আসার কথা বললে মায়া জানায়, পহেলা বৈশাখের আগে মালিক নিজেই তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেবেন। এ কথা বলে আরও কিছুদিন থাকার জন্য বাবাকে রাজি করান।
এদিকে ঘটনার দিন ১২ এপ্রিল সকালে মায়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাননি তার বাবা। বিকেলে মায়ার খালার ফোনে সাধন বড়ুয়ার বাড়ি থেকে একটি কল আসে। ফোনে দ্রুত তাঁদের ওই বাড়িতে যাওয়ার কথা বলেই কল কেটে দেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যরা রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মায়ার মরদেহ সাদা কাপড়ে ঢাকা অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় বাড়ির লোকজন দাবি করেন, মায়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, মায়ার আত্মহননের কোনো পূর্বাভাস ছিল না। তাদের ধারণা, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
তাঁদের দাবি, ঘটনার পর সাধন বড়ুয়া তাদের মামলা করতে নিরুৎসাহিত করেন। পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, টাকা ছাড়া পুলিশ মামলা নেবে না। মেয়ের সৎকারের সব খরচ বহনের প্রস্তাবও দেন তিনি। এতে পরিবারের সন্দেহ আরও প্রকট হয়।
নিহতের বাবা ক্যউছিং চাকমা বলেন, ‘আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি।’

কক্সবাজারের রামুতে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে বালিশ চাপা দিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়।
গত রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ফতেখারকুল ইউনিয়নের শ্রীধন পাড়া এলাকার সাধন বড়ুয়ার বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রামু থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ ফরিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গতকাল তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
তিনি জানান, আজ ওই পরিবারের সদস্যদের থানায় ডেকে কথা বলা হবে। তারপর এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে গৃহকর্তা সাধন বড়ুয়া নিহতের পরিবারের সদস্যদের কাছে দাবি করেছে, ওই কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। তবে সরাসরি তাঁর বক্তব্য জানতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পরিবারের সদস্যরা এরই মধ্যে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁদের বাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর নাম মায়া চাকমা। তিনি উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের তেলখোলা গ্রামের বাসিন্দা ক্যউছিং চাকমার মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার প্রায় এক মাস আগে মায়ার সঙ্গে তার বাবার ফোনে কথা হয়। সে সময় মায়া স্বাভাবিক ও হাসিখুশি ছিল। বাবা তাকে বাড়িতে আসার কথা বললে মায়া জানায়, পহেলা বৈশাখের আগে মালিক নিজেই তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেবেন। এ কথা বলে আরও কিছুদিন থাকার জন্য বাবাকে রাজি করান।
এদিকে ঘটনার দিন ১২ এপ্রিল সকালে মায়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাননি তার বাবা। বিকেলে মায়ার খালার ফোনে সাধন বড়ুয়ার বাড়ি থেকে একটি কল আসে। ফোনে দ্রুত তাঁদের ওই বাড়িতে যাওয়ার কথা বলেই কল কেটে দেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যরা রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মায়ার মরদেহ সাদা কাপড়ে ঢাকা অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় বাড়ির লোকজন দাবি করেন, মায়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, মায়ার আত্মহননের কোনো পূর্বাভাস ছিল না। তাদের ধারণা, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
তাঁদের দাবি, ঘটনার পর সাধন বড়ুয়া তাদের মামলা করতে নিরুৎসাহিত করেন। পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, টাকা ছাড়া পুলিশ মামলা নেবে না। মেয়ের সৎকারের সব খরচ বহনের প্রস্তাবও দেন তিনি। এতে পরিবারের সন্দেহ আরও প্রকট হয়।
নিহতের বাবা ক্যউছিং চাকমা বলেন, ‘আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি।’

মামলায় জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি, জামায়াত কর্মী হিসেবে পরিচিত একজন এবং স্থানীয় এক মাদ্রাসার শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
সড়ক বন্ধ, তাতে কী! বন্ধ সড়কের দুই ধারে নানা পণ্যের পসরা সাজানো। আগ্রহ নিয়ে সেসব পণ্য নেড়েচেড়ে দেখছেন পথচারীরা। কেউ কেউ কিনছেন দু-একটি পণ্য। চরকি, খেলনা টমটম, ময়ূর, একতারা, ডুগডুগি আর তালপাতার হাতপাখাসহ নানা পণ্যে শিশুদের পাশাপাশি বড়দেরও আগ্রহ দেখা গেল।
১ ঘণ্টা আগে
পয়লা বৈশাখের উৎসবে প্রান্তিক কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই কর্মসূচির আওতায় দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৫ জন প্রান্তিক কৃষকের মোবাইলে তাৎক্ষণিকভাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ আয়োজিত বৈশাখী শোভাযাত্রায় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নেমেছে। নতুন বছরকে বরণের উৎসবে মেতেছে সবাই।
২ ঘণ্টা আগে