স্ট্রিম প্রতিবেদক

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে কেন্দ্র থেকে পরিকল্পনা চাপিয়ে না দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের প্রয়োজন ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলন-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে স্থানীয়করণ বা লোকালাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন, স্থানীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের মডেল তৈরি করতে হবে।
এসডিজি অর্জনের পথে বাংলাদেশের মাত্র ২০ শতাংশ সূচক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সঠিক পথে রয়েছে। বিপরীতে ৩৫ শতাংশ সূচকে অবনতি হয়েছে এবং ৪৪ শতাংশ সূচকে অগ্রগতি সীমিত বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিতুমীর বলেন, কার্যকর জাতীয় পরিকল্পনার প্রধান শর্ত হলো তথ্যের শুদ্ধতা। এসডিজির অগ্রগতি সঠিকভাবে মূল্যায়নের জন্য ‘ফরেনসিক রিভিউ অব ডেটা’ বা তথ্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, তথ্যের ঘাটতি ও অস্বচ্ছতা থাকলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন পরিস্থিতি বোঝা এবং সেই অনুযায়ী নীতি গ্রহণ করা সম্ভব নয়। এসডিজি অর্থায়নে বাংলাদেশের প্রায় ৪২১ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিতুমীর বলেন, তথ্য ব্যবস্থাপনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বেসলাইন উপাত্তের ঘাটতি ২০টি থেকে ১০টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে হালনাগাদ উপাত্তের সংখ্যা ১৪৫টি থেকে ১৬৩টিতে উন্নীত হয়েছে।
এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন দর্শনের মিল রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিতুমীর।
তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ, সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ’ এই দর্শনের ভিত্তিতে উন্নয়নের সুফল দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে কেন্দ্র থেকে পরিকল্পনা চাপিয়ে না দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের প্রয়োজন ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলন-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে স্থানীয়করণ বা লোকালাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন, স্থানীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের মডেল তৈরি করতে হবে।
এসডিজি অর্জনের পথে বাংলাদেশের মাত্র ২০ শতাংশ সূচক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সঠিক পথে রয়েছে। বিপরীতে ৩৫ শতাংশ সূচকে অবনতি হয়েছে এবং ৪৪ শতাংশ সূচকে অগ্রগতি সীমিত বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিতুমীর বলেন, কার্যকর জাতীয় পরিকল্পনার প্রধান শর্ত হলো তথ্যের শুদ্ধতা। এসডিজির অগ্রগতি সঠিকভাবে মূল্যায়নের জন্য ‘ফরেনসিক রিভিউ অব ডেটা’ বা তথ্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, তথ্যের ঘাটতি ও অস্বচ্ছতা থাকলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন পরিস্থিতি বোঝা এবং সেই অনুযায়ী নীতি গ্রহণ করা সম্ভব নয়। এসডিজি অর্থায়নে বাংলাদেশের প্রায় ৪২১ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিতুমীর বলেন, তথ্য ব্যবস্থাপনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বেসলাইন উপাত্তের ঘাটতি ২০টি থেকে ১০টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে হালনাগাদ উপাত্তের সংখ্যা ১৪৫টি থেকে ১৬৩টিতে উন্নীত হয়েছে।
এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন দর্শনের মিল রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিতুমীর।
তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ, সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ’ এই দর্শনের ভিত্তিতে উন্নয়নের সুফল দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
.png)

তফসিলি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব বা অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো ঝুঁকির সময়োপযোগী সমাধান ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।
১ মিনিট আগে
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আবদুল গফুরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি এবং তাঁর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১০ আগস্ট) ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের’ ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের কার্যালয় প্রাঙ্গণ
১১ মিনিট আগে
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পরিবারকে উন্নয়নের মূল একক হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। এই লক্ষ্যে ৪১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় এনে আর্থিক সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ দাখিল মাদ্রাসার একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই চার প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত ২৬ শিক্ষার্থীর ১৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এদের কেউ পাস করতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে