এসডিজি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে হবে: রাশেদ তিতুমীর

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ২০: ০০
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। স্ট্রিম ছবি

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে কেন্দ্র থেকে পরিকল্পনা চাপিয়ে না দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের প্রয়োজন ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলন-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে স্থানীয়করণ বা লোকালাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন, স্থানীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের মডেল তৈরি করতে হবে।

এসডিজি অর্জনের পথে বাংলাদেশের মাত্র ২০ শতাংশ সূচক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সঠিক পথে রয়েছে। বিপরীতে ৩৫ শতাংশ সূচকে অবনতি হয়েছে এবং ৪৪ শতাংশ সূচকে অগ্রগতি সীমিত বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিতুমীর বলেন, কার্যকর জাতীয় পরিকল্পনার প্রধান শর্ত হলো তথ্যের শুদ্ধতা। এসডিজির অগ্রগতি সঠিকভাবে মূল্যায়নের জন্য ‘ফরেনসিক রিভিউ অব ডেটা’ বা তথ্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, তথ্যের ঘাটতি ও অস্বচ্ছতা থাকলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন পরিস্থিতি বোঝা এবং সেই অনুযায়ী নীতি গ্রহণ করা সম্ভব নয়। এসডিজি অর্থায়নে বাংলাদেশের প্রায় ৪২১ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিতুমীর বলেন, তথ্য ব্যবস্থাপনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বেসলাইন উপাত্তের ঘাটতি ২০টি থেকে ১০টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে হালনাগাদ উপাত্তের সংখ্যা ১৪৫টি থেকে ১৬৩টিতে উন্নীত হয়েছে।

এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন দর্শনের মিল রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিতুমীর।

তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ, সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ’ এই দর্শনের ভিত্তিতে উন্নয়নের সুফল দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত