ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে খসড়াটি লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়।

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ২০: ৫৮
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক। সংগৃহীত ছবি

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন-২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে খসড়াটি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮ক ধারার সকল শর্ত পরিপালন করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ওই ধারা বিলুপ্ত করার উদ্দেশ্যে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তফসিলি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব বা অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো ঝুঁকির সময়োপযোগী সমাধান ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।

অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিল আকারে উত্থাপন হলে পর্যালোচনার জন্য সংসদীয় বিশেষ কমিটির কাছে পাঠানো হয়। কমিটি অধ্যাদেশটি সংশোধিত আকারে উপস্থাপনের সুপারিশ করে।

ওই সুপারিশের ভিত্তিতে অধ্যাদেশের কিছু বিধান বিধিমালার মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য আলাদা করা হয়। পাশাপাশি সরকারের আর্থিক দায়ভার, গ্রাহকদের স্বার্থ এবং ব্যাংকিং খাতের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আইনে নতুন ১৮ক ধারা সংযোজন করে বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হয়। পরে উত্থাপিত আকারেই ব্যাংক রেজল্যুশন আইন পাস হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, প্রচলিত রেজল্যুশন ব্যবস্থার পাশাপাশি একটি বাজারভিত্তিক বিকল্প ব্যবস্থা চালু, রেজল্যুশনের আওতাধীন ব্যাংককে সচল রেখে পুনর্গঠন, মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সংকট দূর করা, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং সরকারের আর্থিক সংশ্লেষ কমানোর লক্ষ্যে ১৮ক ধারা সংযোজন করা হয়েছিল।

তবে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর ১৮ক ধারায় নির্ধারিত সব শর্ত পরিপালন করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত