স্ট্রিম সংবাদদাতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ দাখিল মাদ্রাসার একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই চার প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত ২৬ শিক্ষার্থীর ১৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এদের কেউ পাস করতে পারেননি।
ফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, গোমস্তাপুরের গোপীনাথপুর ডিএস দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ শিক্ষার্থী নিবন্ধিত থাকলেও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৪ জন। একই উপজেলার ব্রঞ্জনাথপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও একজন শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় বসেননি। অন্যদিকে নাচোলের বকুলতলা দাখিল মাদ্রাসার ৫ নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর ২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুজনেই ফেল করেন। এ ছাড়া শিবগঞ্জের নাটোর দাখিল মাদ্রাসা থেকে মাত্র ১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত থাকলেও তিনি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।
পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ অকৃতকার্য এবং নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীরা অনুপস্থিত থাকার ঘটনাকে শিক্ষার মান ও প্রাতিষ্ঠানিক তদারকির ঘাটতি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় শিক্ষাবিদেরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার বলেন, নামমাত্র পরীক্ষার্থী নিয়ে পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
এ বিষয়ে গোপীনাথপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার রায়হান উদ্দীনকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে বকুলতলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার সুলতান আহম্মেদের মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন সুলতানা বলেন, ‘পরীক্ষায় অংশ নিয়েও শতভাগ ফেল করাটা জেলার জন্য খুবই অসম্মানজনক। এ ছাড়া বাকি দুটি মাদ্রাসা থেকে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন করার পরও কেন পরীক্ষায় বসেনি, তা নিয়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে কথা হবে। খারাপ ফলাফল করা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত হবে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ দাখিল মাদ্রাসার একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই চার প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত ২৬ শিক্ষার্থীর ১৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এদের কেউ পাস করতে পারেননি।
ফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, গোমস্তাপুরের গোপীনাথপুর ডিএস দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ শিক্ষার্থী নিবন্ধিত থাকলেও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৪ জন। একই উপজেলার ব্রঞ্জনাথপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও একজন শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় বসেননি। অন্যদিকে নাচোলের বকুলতলা দাখিল মাদ্রাসার ৫ নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর ২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুজনেই ফেল করেন। এ ছাড়া শিবগঞ্জের নাটোর দাখিল মাদ্রাসা থেকে মাত্র ১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত থাকলেও তিনি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।
পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ অকৃতকার্য এবং নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীরা অনুপস্থিত থাকার ঘটনাকে শিক্ষার মান ও প্রাতিষ্ঠানিক তদারকির ঘাটতি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় শিক্ষাবিদেরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার বলেন, নামমাত্র পরীক্ষার্থী নিয়ে পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
এ বিষয়ে গোপীনাথপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার রায়হান উদ্দীনকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে বকুলতলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার সুলতান আহম্মেদের মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন সুলতানা বলেন, ‘পরীক্ষায় অংশ নিয়েও শতভাগ ফেল করাটা জেলার জন্য খুবই অসম্মানজনক। এ ছাড়া বাকি দুটি মাদ্রাসা থেকে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন করার পরও কেন পরীক্ষায় বসেনি, তা নিয়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে কথা হবে। খারাপ ফলাফল করা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত হবে।’
.png)

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরিবর্তে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।
৮ মিনিট আগে
তফসিলি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব বা অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো ঝুঁকির সময়োপযোগী সমাধান ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।
১৬ মিনিট আগে
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আবদুল গফুরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি এবং তাঁর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১০ আগস্ট) ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের’ ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের কার্যালয় প্রাঙ্গণ
২৬ মিনিট আগে
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পরিবারকে উন্নয়নের মূল একক হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। এই লক্ষ্যে ৪১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় এনে আর্থিক সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১ ঘণ্টা আগে