স্ট্রিম ডেস্ক

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়াটারএইডের দক্ষিণ এশিয়ার সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক ডা. মো. খায়রুল ইসলাম মারা গেছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওয়াটারএইডের বর্তমান আঞ্চলিক পরিচালক হাসিন জাহান।
ডা. খায়রুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পানি, স্যানিটেশনসহ জনস্বাস্থ্য খাতে কাজ করেছেন। তিনি ২০০৮ সালে ওয়াটারএইড বাংলাদেশে কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ওয়াটারএইডের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের দায়িত্ব নেন।
দায়িত্ব পালনকালে তিনি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও মিয়ানমারে ওয়াটারএইডের কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন। এর আগে তিনি ১১ বছরের বেশি সময় ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
কর্মজীবনে ড. খায়রুল ইসলাম প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল, অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, এশিয়া ফাউন্ডেশন ও গ্রামীণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। আফ্রিকার কয়েকটি দেশে তিনি কমিউনিটি-লেড টোটাল স্যানিটেশন কার্যক্রমও চালু করেন।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্নাতক ডা. খায়রুল ইসলাম জনস্বাস্থ্য ও উন্নয়ন খাতে চার দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পপুলেশন অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল হেলথ এবং বাংলাদেশের ব্র্যাক স্কুল অব পাবলিক হেলথে খণ্ডকালীন সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
লেখালেখি ও গবেষণাতেও তাঁর অবদান ছিল। যৌথভাবে তিনি ‘মুক্তিযুদ্ধের চিকিৎসা ইতিহাস’ বইটি রচনা করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের ইতিহাস নিয়ে বইটি প্রকাশিত হয় ২০২২ সালে।
এ ছাড়া তিনি ‘50 Years of Bangladesh: Advances in Health’ বইটির অন্যতম সম্পাদক ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি, অর্জন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রকাশিত বইটিতে দেশের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের লেখা স্থান পেয়েছে।
বাংলাদেশে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনসহ জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ডা. খায়রুল ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়াটারএইডের দক্ষিণ এশিয়ার সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক ডা. মো. খায়রুল ইসলাম মারা গেছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওয়াটারএইডের বর্তমান আঞ্চলিক পরিচালক হাসিন জাহান।
ডা. খায়রুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পানি, স্যানিটেশনসহ জনস্বাস্থ্য খাতে কাজ করেছেন। তিনি ২০০৮ সালে ওয়াটারএইড বাংলাদেশে কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ওয়াটারএইডের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের দায়িত্ব নেন।
দায়িত্ব পালনকালে তিনি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও মিয়ানমারে ওয়াটারএইডের কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন। এর আগে তিনি ১১ বছরের বেশি সময় ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
কর্মজীবনে ড. খায়রুল ইসলাম প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল, অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, এশিয়া ফাউন্ডেশন ও গ্রামীণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। আফ্রিকার কয়েকটি দেশে তিনি কমিউনিটি-লেড টোটাল স্যানিটেশন কার্যক্রমও চালু করেন।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্নাতক ডা. খায়রুল ইসলাম জনস্বাস্থ্য ও উন্নয়ন খাতে চার দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পপুলেশন অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল হেলথ এবং বাংলাদেশের ব্র্যাক স্কুল অব পাবলিক হেলথে খণ্ডকালীন সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
লেখালেখি ও গবেষণাতেও তাঁর অবদান ছিল। যৌথভাবে তিনি ‘মুক্তিযুদ্ধের চিকিৎসা ইতিহাস’ বইটি রচনা করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের ইতিহাস নিয়ে বইটি প্রকাশিত হয় ২০২২ সালে।
এ ছাড়া তিনি ‘50 Years of Bangladesh: Advances in Health’ বইটির অন্যতম সম্পাদক ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি, অর্জন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রকাশিত বইটিতে দেশের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের লেখা স্থান পেয়েছে।
বাংলাদেশে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনসহ জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ডা. খায়রুল ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
.png)

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতা নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত আটটার দিকে সালেহনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিষ প্রয়োগ করে ২৯টি বন্য পাখি হত্যার অভিযোগে বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে বন বিভাগ। এ ঘটনায় আর্থিক মূল্যের পাশাপাশি প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকার পরিবেশগত ক্ষতি হয়েছে বলে বন বিভাগের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সামনে ফেলে রাখা অজ্ঞাতনামা কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। নিহত কিশোরীর নাম মিম আক্তার (১৫)। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
