ভোটার নিবন্ধনে এখন থেকে লাগবে এসএসসি সনদ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৩: ৪৫
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের সুবিধার্থে ভোটার হওয়া বা এনআইডি আবেদনের ক্ষেত্রে কেউ এসএসসি পাস করে থাকলে তাঁর সনদ সার্ভারে আপলোড করা বাধ্যতামূলক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ইসির এনআইডি শাখার পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম এই-সংক্রান্ত নির্দেশনা সব মাঠ কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটার বা পরিচয় নিবন্ধনের অন্যতম ধাপ হিসেবে কতিপয় নথিপত্র ডাটাবেজে সংযুক্ত করতে হয়। যেমন—নিবন্ধন ফরম-২, নিবন্ধন ফরম-৩, বিশেষ তথ্য ফরম (ফরম-২ এর অতিরিক্ত তথ্য), জন্মসনদ, এসএসসি বা সমমান সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), পাসপোর্ট ও আবেদনকারী স্বাক্ষরিত প্রুফ কপি ইত্যাদি। নিবন্ধন পরবর্তীকালে বিশেষ করে সনদধারী ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য-উপাত্ত সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জন্ম তারিখের সঠিকতা নিরূপণের জন্য এসএসসি বা সমমান সনদসহ নিবন্ধন ফরম ও জন্মসনদ যাচাইয়ের প্রয়োজন পড়ে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক কালে নথি সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক বা তদূর্ধ্ব হওয়া সত্ত্বেও কিছু উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস থেকে এসএসসি বা সমমান সনদ ডাটাবেজে সংযুক্ত করা হচ্ছে না। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমান সনদ যাচাই করা সম্ভব হয় না। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসুবিধা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রুফ কপি থাকলেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি আবেদনকারী অস্বীকার করেন। ফলে সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর মধ্যে এক প্রকার অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে।

এই অবস্থায় নিবন্ধিত ব্যক্তি মাধ্যমিক বা তদূর্ধ্ব পাস হলে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসার এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা কর্তৃক নিবন্ধনকালে এসএসসি বা সমমান সনদ (জন্মতারিখসংবলিত) আবশ্যিকভাবে ডাটাবেজে সংযুক্ত করতে হবে।

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত