স্ট্রিম সংবাদদাতা

খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলের অন্যতম পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ভবন ধসের পর পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
কয়রার গোবিন্দপুর গ্রামের বিদ্যালয়টির একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদসহ সামনের অংশ শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি হয়নি।
প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল হায়দার জানান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০০০ সালে দুইতলা একাডেমিক ভবনটি নির্মিত হয়। আইলা, ইয়াস ও রিমালের মতো ঘূর্ণিঝড়ের সময় লবণাক্ত পানিতে বারবার প্লাবিত হওয়ায় ভবনটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। ভবনের ছাদ ও পিলারে বড় বড় ফাটল তৈরি হয়। বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ে রড দেখা যেত। একপর্যায়ে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে সেখানে পাঠদান করা হতো।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তবে এখনো কার্যাদেশ জারি হয়নি। এর মধ্যে একাডেমিক ভবনের বড় অংশ ধসে পড়ায় পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমিক শাখার শিক্ষক রবিউল ইসলাম জানান, মাধ্যমিকে তাদের ১৯ শিক্ষক, ২৩০ শিক্ষার্থী এবং ৫ কর্মচারী রয়েছে। স্কুল শাখার ভবন ধসে পড়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ভোগান্তি হবে।
কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ভবন ধসে পড়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে।
খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কয়রার গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য চলতি বছর ফের দরপত্র আহ্বান করা হয়। প্রকল্পটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে অনুমোদিত হলেও এলাকার মাটির স্তর সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নকশা ও কারিগরি বিষয় একাধিকবার পুনর্বিবেচনা করতে হয়। সয়েল টেস্টের জটিলতা কাটিয়ে শেষপর্যন্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ধনঞ্জয় জানান, কয়রার গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চারতলা ভিত্তির ওপর একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে এটি চারতলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। পাঠদান সচল রাখতে দুই ইউনিট টিনশেড ভবন নির্মাণেরও বরাদ্দ রয়েছে।

খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলের অন্যতম পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ভবন ধসের পর পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
কয়রার গোবিন্দপুর গ্রামের বিদ্যালয়টির একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদসহ সামনের অংশ শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি হয়নি।
প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল হায়দার জানান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০০০ সালে দুইতলা একাডেমিক ভবনটি নির্মিত হয়। আইলা, ইয়াস ও রিমালের মতো ঘূর্ণিঝড়ের সময় লবণাক্ত পানিতে বারবার প্লাবিত হওয়ায় ভবনটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। ভবনের ছাদ ও পিলারে বড় বড় ফাটল তৈরি হয়। বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ে রড দেখা যেত। একপর্যায়ে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে সেখানে পাঠদান করা হতো।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তবে এখনো কার্যাদেশ জারি হয়নি। এর মধ্যে একাডেমিক ভবনের বড় অংশ ধসে পড়ায় পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমিক শাখার শিক্ষক রবিউল ইসলাম জানান, মাধ্যমিকে তাদের ১৯ শিক্ষক, ২৩০ শিক্ষার্থী এবং ৫ কর্মচারী রয়েছে। স্কুল শাখার ভবন ধসে পড়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ভোগান্তি হবে।
কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ভবন ধসে পড়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে।
খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কয়রার গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য চলতি বছর ফের দরপত্র আহ্বান করা হয়। প্রকল্পটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে অনুমোদিত হলেও এলাকার মাটির স্তর সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নকশা ও কারিগরি বিষয় একাধিকবার পুনর্বিবেচনা করতে হয়। সয়েল টেস্টের জটিলতা কাটিয়ে শেষপর্যন্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ধনঞ্জয় জানান, কয়রার গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চারতলা ভিত্তির ওপর একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে এটি চারতলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। পাঠদান সচল রাখতে দুই ইউনিট টিনশেড ভবন নির্মাণেরও বরাদ্দ রয়েছে।
.png)

বাংলাদেশি পাসপোর্টের নকশায় পরিবর্তন এনে পুনরায় ‘ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য এটি বৈধ’ বাক্যটি যুক্ত করছে সরকার। একই সঙ্গে পাসপোর্টের জলছাপে যুক্ত হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান।
১৭ মিনিট আগে
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে আন্দোলন। সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছে শিক্ষার্থীরা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ শহীদ হন আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী। তবু ঘরে আটকে রাখা যাচ্ছে না কাউকে।
১ ঘণ্টা আগে২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ছিল ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। এদিন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দিনভর সংঘর্ষ চলে।
২ ঘণ্টা আগে
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার কাজ স্থগিত করা হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভাস্কর্যটি পুনর্নির্মাণ করা হবে, নাকি অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী বুধবার নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে