স্ট্রিম প্রতিবেদক

আইনি লড়াই শেষে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ খুললেও ফলাফলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে আইনি শর্ত জুড়ে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আদেশ দিয়েছেন, চট্টগ্রাম-২ আসনের সরোয়ার আলমগীর ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। তবে আদালতে চলমান আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই দুই আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ পৃথক পৃথক আদেশে এ নির্দেশনা দেন। উভয় প্রার্থীর ক্ষেত্রেই তাদের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদালত এই মধ্যবর্তী আদেশ দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে লিভ টু আপিল দায়ের করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ব্যাংকের করা সেই লিভ টু আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। আদেশে আদালত বলেন, আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, কিন্তু এই আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনের ফলাফলের চূড়ান্ত প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
আদালতে আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন। অপরপক্ষে ব্যাংকের আইনজীবী হিসেবে শুনানি করেন মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে ব্যাংকের করা আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়েছিল।
একইভাবে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদালত জানিয়েছেন, সরোয়ার আলমগীর নির্বাচন করতে পারবেন। তবে চলমান আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছিল, যা মঙ্গলবার শুনানির জন্য গৃহীত হয়।

আইনি লড়াই শেষে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ খুললেও ফলাফলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে আইনি শর্ত জুড়ে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আদেশ দিয়েছেন, চট্টগ্রাম-২ আসনের সরোয়ার আলমগীর ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। তবে আদালতে চলমান আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই দুই আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ পৃথক পৃথক আদেশে এ নির্দেশনা দেন। উভয় প্রার্থীর ক্ষেত্রেই তাদের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদালত এই মধ্যবর্তী আদেশ দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে লিভ টু আপিল দায়ের করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ব্যাংকের করা সেই লিভ টু আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। আদেশে আদালত বলেন, আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, কিন্তু এই আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনের ফলাফলের চূড়ান্ত প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
আদালতে আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন। অপরপক্ষে ব্যাংকের আইনজীবী হিসেবে শুনানি করেন মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে ব্যাংকের করা আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়েছিল।
একইভাবে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদালত জানিয়েছেন, সরোয়ার আলমগীর নির্বাচন করতে পারবেন। তবে চলমান আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছিল, যা মঙ্গলবার শুনানির জন্য গৃহীত হয়।

মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার করে চাচাকে বাবা বানিয়ে সরকারি চাকরি নেওয়ায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
৯ মিনিট আগে
শিল্প খাতের চাহিদার সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমের কার্যকর সংযোগ আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)।
১২ মিনিট আগে
বিদেশি নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।
৪২ মিনিট আগে
চব্বিশের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থান চলছিল। সেই সময়ে সংঘটিত হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউশন আজ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে। এই মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন অভিযুক্ত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে