স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ১৬টি শয্যা বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে এখানে ভর্তি আছে অর্ধশতাধিক শিশু। ফলে প্রতি শয্যায় তিন থেকে চারজন করে রোগীকে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সরেজমিনে হাসপাতালের ৯ নম্বর শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, ১৬টি শয্যায় ৫০টির বেশি শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগী ও স্বজনদের অতিরিক্ত ভিড়ে ওয়ার্ডজুড়ে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তীব্র গরমে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল ও আলোর অভাবে শিশুদের কষ্ট আরও বেড়েছে।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার হাম কর্নারে ভর্তি ৫৯ জন শিশুর মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের পিআইসিইউতে (PICU) স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন নতুন রোগী এখানে ভর্তি হচ্ছে।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক শিশুর মা সরমিলা ইয়াসমিন বলেন, ‘শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বা ওষুধ দেওয়ার মতো ন্যূনতম জায়গাও নেই। তিনটি শিশুর জন্য একটি বিছানা, তার ওপর ছোট কক্ষ। এই গরমে তারা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’
চিকিৎসকদের মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের এমন ঘিঞ্জি পরিবেশে আক্রান্ত শিশুদের সংস্পর্শে অন্য রোগে চিকিৎসাধীন শিশুরাও নতুন করে সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ছে।
শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা বলেন, ‘রোগীর চাপ সামাল দিতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। সামান্য সুস্থ হলেই শিশুদের অন্য ওয়ার্ডে সরিয়ে নিতে হচ্ছে, যাতে নতুন গুরুতর রোগীদের জায়গা দেওয়া যায়। একই বিছানায় একাধিক শিশুকে রাখা চিকিৎসকদের জন্যও অস্বস্তিকর, কিন্তু জায়গা না থাকায় আমাদের বাধ্য হয়েই তা করতে হচ্ছে।’
এদিকে জনস্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা কেন্দ্রের সদস্যসচিব ডা. সুশান্ত বড়ুয়া সতর্ক করে বলেছেন, সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি এবং হাসপাতালের সীমিত অবকাঠামো পরিস্থিতিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত মহানগর এলাকায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৮২টি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩৭৩টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ৩৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, অনেক শিশু টিকা নেওয়ার আগেই আক্রান্ত হচ্ছে, তাই মাঠপর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ১৬টি শয্যা বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে এখানে ভর্তি আছে অর্ধশতাধিক শিশু। ফলে প্রতি শয্যায় তিন থেকে চারজন করে রোগীকে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সরেজমিনে হাসপাতালের ৯ নম্বর শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, ১৬টি শয্যায় ৫০টির বেশি শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগী ও স্বজনদের অতিরিক্ত ভিড়ে ওয়ার্ডজুড়ে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তীব্র গরমে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল ও আলোর অভাবে শিশুদের কষ্ট আরও বেড়েছে।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার হাম কর্নারে ভর্তি ৫৯ জন শিশুর মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের পিআইসিইউতে (PICU) স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন নতুন রোগী এখানে ভর্তি হচ্ছে।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক শিশুর মা সরমিলা ইয়াসমিন বলেন, ‘শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বা ওষুধ দেওয়ার মতো ন্যূনতম জায়গাও নেই। তিনটি শিশুর জন্য একটি বিছানা, তার ওপর ছোট কক্ষ। এই গরমে তারা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’
চিকিৎসকদের মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের এমন ঘিঞ্জি পরিবেশে আক্রান্ত শিশুদের সংস্পর্শে অন্য রোগে চিকিৎসাধীন শিশুরাও নতুন করে সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ছে।
শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা বলেন, ‘রোগীর চাপ সামাল দিতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। সামান্য সুস্থ হলেই শিশুদের অন্য ওয়ার্ডে সরিয়ে নিতে হচ্ছে, যাতে নতুন গুরুতর রোগীদের জায়গা দেওয়া যায়। একই বিছানায় একাধিক শিশুকে রাখা চিকিৎসকদের জন্যও অস্বস্তিকর, কিন্তু জায়গা না থাকায় আমাদের বাধ্য হয়েই তা করতে হচ্ছে।’
এদিকে জনস্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা কেন্দ্রের সদস্যসচিব ডা. সুশান্ত বড়ুয়া সতর্ক করে বলেছেন, সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি এবং হাসপাতালের সীমিত অবকাঠামো পরিস্থিতিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত মহানগর এলাকায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৮২টি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩৭৩টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ৩৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, অনেক শিশু টিকা নেওয়ার আগেই আক্রান্ত হচ্ছে, তাই মাঠপর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে (পরিবর্তিত নাম মুজিবনগর) শুধু একটি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়নি; সেখানে জন্ম নিয়েছিল এক ইতিহাসও।
১৭ মিনিট আগে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কমিশনিং লাইসেন্স প্রদান করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)।
২৮ মিনিট আগে
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দমাতে তৎকালীন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সরাসরি নির্দেশে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে সারাদেশে ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এক কর্মকর্তা।
৩৩ মিনিট আগে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দুই কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলির আদেশ দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
৪৪ মিনিট আগে