স্ট্রিম সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জে উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে নতুন করে আরও এক হাজার হেক্টরের বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে।
সোমবার (৪ মে) কৃষি বিভাগের হিসাবমতে, এ নিয়ে জেলার ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও নিকলি উপজেলাসহ আটটি উপজেলার হাওরাঞ্চলে মোট ১০ হাজার ৩৫ হেক্টর জমির পাকা ধান পানিতে নিমজ্জিত। এর মধ্যে শুধু ইটনার হাওরেই ডুবে আছে প্রায় তিন হাজার হেক্টরের বেশি জমি। জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা আনুমানিক ৩৬ হাজার।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, উজানের ঢলে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাওরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি। জমিতে জলাবদ্ধতার কারণে বাড়তি মজুরি দিয়েও ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। রোদ না থাকায় নষ্ট হয়ে গেছে শত শত মণ মাড়াই করা ধান। বৃষ্টিতে মাড়াই করা ফসল নষ্ট হওয়ার ভয়ে নতুন করে ধান কাটতে চাইছেন না কৃষকেরা। কষ্টে ফলানো ফসলের এমন পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
ইটনা হাওরের কৃষক কামাল উদ্দিন বলেন, ‘একদিকে ক্ষেতের পাকা ধান তলিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে কাটা ধান মাড়াই করে শুকানো নিয়ে বিপাকে আছি। বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধান শুকাতে না পারায় ধানে চারা গজিয়ে গেছে। কিছু ধান পচেও গেছে।’

অষ্টগ্রাম হাওরের কৃষক মনসুর মিয়া বলেন, ‘আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে। ধান কাটার শ্রমিক পাইনি। এখন নষ্ট হওয়া ধান রোদে দিয়েছি। এসব ধান বাজারে বিক্রি করা যাবে না। তবুও দেখি যদি কিছু ধান ভালো বের হয়, তাহলে ভাঙা চাল হলেও খাওয়া তো যাবে।’
মিঠামইন হাওরের কৃষক গফুর মিয়া বলেন, ‘আগে ধান কাটার শ্রমিকের মজুরি ছিল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এখন বিপদে পড়েছি, তাই ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার নিচে কোনো শ্রমিক ধান কাটতে চায় না। তাছাড়া শ্রমিক পাওয়াও যাচ্ছে না।’
নিকলি আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার আখতার ফারুক জানান, রোববার মধ্যরাত থেকে সোমবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত জেলায় ৩২ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সোমবার সারা দিনই থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, জেলায় মোট ১০ হাজার ৩৫ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলার হাওরের কৃষকেরা। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়েন, সে জন্য কাজ চলছে।

কিশোরগঞ্জে উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে নতুন করে আরও এক হাজার হেক্টরের বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে।
সোমবার (৪ মে) কৃষি বিভাগের হিসাবমতে, এ নিয়ে জেলার ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও নিকলি উপজেলাসহ আটটি উপজেলার হাওরাঞ্চলে মোট ১০ হাজার ৩৫ হেক্টর জমির পাকা ধান পানিতে নিমজ্জিত। এর মধ্যে শুধু ইটনার হাওরেই ডুবে আছে প্রায় তিন হাজার হেক্টরের বেশি জমি। জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা আনুমানিক ৩৬ হাজার।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, উজানের ঢলে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাওরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি। জমিতে জলাবদ্ধতার কারণে বাড়তি মজুরি দিয়েও ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। রোদ না থাকায় নষ্ট হয়ে গেছে শত শত মণ মাড়াই করা ধান। বৃষ্টিতে মাড়াই করা ফসল নষ্ট হওয়ার ভয়ে নতুন করে ধান কাটতে চাইছেন না কৃষকেরা। কষ্টে ফলানো ফসলের এমন পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
ইটনা হাওরের কৃষক কামাল উদ্দিন বলেন, ‘একদিকে ক্ষেতের পাকা ধান তলিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে কাটা ধান মাড়াই করে শুকানো নিয়ে বিপাকে আছি। বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধান শুকাতে না পারায় ধানে চারা গজিয়ে গেছে। কিছু ধান পচেও গেছে।’

অষ্টগ্রাম হাওরের কৃষক মনসুর মিয়া বলেন, ‘আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে। ধান কাটার শ্রমিক পাইনি। এখন নষ্ট হওয়া ধান রোদে দিয়েছি। এসব ধান বাজারে বিক্রি করা যাবে না। তবুও দেখি যদি কিছু ধান ভালো বের হয়, তাহলে ভাঙা চাল হলেও খাওয়া তো যাবে।’
মিঠামইন হাওরের কৃষক গফুর মিয়া বলেন, ‘আগে ধান কাটার শ্রমিকের মজুরি ছিল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এখন বিপদে পড়েছি, তাই ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার নিচে কোনো শ্রমিক ধান কাটতে চায় না। তাছাড়া শ্রমিক পাওয়াও যাচ্ছে না।’
নিকলি আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার আখতার ফারুক জানান, রোববার মধ্যরাত থেকে সোমবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত জেলায় ৩২ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সোমবার সারা দিনই থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, জেলায় মোট ১০ হাজার ৩৫ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলার হাওরের কৃষকেরা। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়েন, সে জন্য কাজ চলছে।

পল্লবীতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রামিসা আক্তারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি।
৫ মিনিট আগে
বাংলাদেশের কোরবানির বাজারে একসময় যেখানে গরু ও ছাগলই ছিল প্রধান আকর্ষণ, সেখানে উট, দুম্বা এবং বিদেশি জাতের পশুর বাজার তৈরি করছে। যদিও এবার উট আমদানির অনুমতি মেলেনি। দেশের খামারের উৎপাদিত বা আগে আমদানি করা উট যাচ্ছে বাজারে।
১৩ মিনিট আগে
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে (৭) ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার (২১ মে) সন্ধ্যায় মিরপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুব্ধ জনতা।
১ ঘণ্টা আগে
নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সহজলভ্য করতে অনুষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ কান্ট্রি কনক্লেভ ২০২৬’।
১ ঘণ্টা আগে