স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন উলামা মাশায়েখরা। এতে আলেম-ওলামা, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও সাধারণ গ্রাহকেরা অংশ নিয়েছেন।
আজ রবিবার (৭ জুন) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের মহাসচিব ড. মুফতি খলিলুর রহমান মাদানী।
মানববন্ধনে লেখক ও ইসলামি আলোচক মুফতি আলী হাসান ওসামা বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসে সরকার প্রতিটা সেক্টরে নিজেদের দখলদারত্ব প্রতিষ্ঠায় লিপ্ত রয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করতে সরকার এমন একজনকে গভর্নর নিয়োগ করেছে যার অর্থনীতিতে ন্যূনতম জ্ঞান নেই। যিনি একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। অযোগ্য, অদক্ষ একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করায় তিনি আরেক অযোগ্য, অথর্ব, দুর্নীতিবাজ, ব্যাংক লুটেরা খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের মতো পবিত্র স্থানে চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছেন।'
আলী হাসান ওসামা আরও বলেন, 'ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর ও এস আলম গ্রুপের কর্মীদের দিয়ে ইসলামী ব্যাংক পরিচালিত হলে অচিরেই এই ব্যাংক ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে ব্যাংকের একজন সাধারণ গ্রাহকও চুপ করে বসে থাকবে না। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সক্ষম।'
মুফতি মহি উদ্দিন বলেন, '৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে যেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম পালিয়ে গেছেন, তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় তিনি ব্যাংক লুটের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কারণ অপরাধ করেছেন বলেই তিনি পালিয়ে গেছেন। একজন ব্যাংক লুটেরার হাতে ইসলামী ব্যাংক কখনো নিরাপদ হতে পারে না। তাই উলামায়ে কেরামদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে বার্তা দিতে চাই, একজন ব্যাংক লুটেরাকে ইসলামী ব্যাংকের মতো পবিত্র স্থানে চেয়ারম্যানের চেয়ারে আমরা দেখতে চাই না।'
মাওলানা রফিকুল ইসলাম মিয়াজী বলেন, 'ইসলামী ব্যাংক দেশপ্রেমিক ইসলাম প্রিয় মানুষের ব্যাংক। এই ব্যাংক নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া যাবে না। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসলামী ব্যাংক থেকে ওএস আলম গ্রুপের কর্মীদের অপসারণ করতে হবে।'
সভাপতির বক্তব্যে ড. মুফতি খলিলুর রহমান আল মাদানী বলেন, 'ইসলামী ব্যাংকে জনগণের বিনিয়োগ ও আমানত রক্ষার পরিবর্তে সরকার জনগণের বিনিয়োগ ও আমানত পুরোনো ব্যাংক লুটেরাদের হাতে তুলে দিচ্ছে। যাতে করে আবারও ইসলামী ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকগুলো খালি করা যায়। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা ব্যাংকের ওপর শকুনের থাবা মারার সুযোগ আর দেবেন না। ইসলামী ব্যাংক নিয়ে চক্রান্ত করে কেউ টিকতে পারবে না।'
এ ছাড়া মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ডক্টর মিম আতিকুল্লাহ, ডক্টর অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আহমাদ, অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ, উপাধ্যক্ষ আনমোলাল উদ্দিন আনম হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন উলামা মাশায়েখরা। এতে আলেম-ওলামা, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও সাধারণ গ্রাহকেরা অংশ নিয়েছেন।
আজ রবিবার (৭ জুন) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের মহাসচিব ড. মুফতি খলিলুর রহমান মাদানী।
মানববন্ধনে লেখক ও ইসলামি আলোচক মুফতি আলী হাসান ওসামা বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসে সরকার প্রতিটা সেক্টরে নিজেদের দখলদারত্ব প্রতিষ্ঠায় লিপ্ত রয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করতে সরকার এমন একজনকে গভর্নর নিয়োগ করেছে যার অর্থনীতিতে ন্যূনতম জ্ঞান নেই। যিনি একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। অযোগ্য, অদক্ষ একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করায় তিনি আরেক অযোগ্য, অথর্ব, দুর্নীতিবাজ, ব্যাংক লুটেরা খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের মতো পবিত্র স্থানে চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছেন।'
আলী হাসান ওসামা আরও বলেন, 'ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর ও এস আলম গ্রুপের কর্মীদের দিয়ে ইসলামী ব্যাংক পরিচালিত হলে অচিরেই এই ব্যাংক ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে ব্যাংকের একজন সাধারণ গ্রাহকও চুপ করে বসে থাকবে না। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সক্ষম।'
মুফতি মহি উদ্দিন বলেন, '৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে যেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম পালিয়ে গেছেন, তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় তিনি ব্যাংক লুটের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কারণ অপরাধ করেছেন বলেই তিনি পালিয়ে গেছেন। একজন ব্যাংক লুটেরার হাতে ইসলামী ব্যাংক কখনো নিরাপদ হতে পারে না। তাই উলামায়ে কেরামদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে বার্তা দিতে চাই, একজন ব্যাংক লুটেরাকে ইসলামী ব্যাংকের মতো পবিত্র স্থানে চেয়ারম্যানের চেয়ারে আমরা দেখতে চাই না।'
মাওলানা রফিকুল ইসলাম মিয়াজী বলেন, 'ইসলামী ব্যাংক দেশপ্রেমিক ইসলাম প্রিয় মানুষের ব্যাংক। এই ব্যাংক নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া যাবে না। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসলামী ব্যাংক থেকে ওএস আলম গ্রুপের কর্মীদের অপসারণ করতে হবে।'
সভাপতির বক্তব্যে ড. মুফতি খলিলুর রহমান আল মাদানী বলেন, 'ইসলামী ব্যাংকে জনগণের বিনিয়োগ ও আমানত রক্ষার পরিবর্তে সরকার জনগণের বিনিয়োগ ও আমানত পুরোনো ব্যাংক লুটেরাদের হাতে তুলে দিচ্ছে। যাতে করে আবারও ইসলামী ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকগুলো খালি করা যায়। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা ব্যাংকের ওপর শকুনের থাবা মারার সুযোগ আর দেবেন না। ইসলামী ব্যাংক নিয়ে চক্রান্ত করে কেউ টিকতে পারবে না।'
এ ছাড়া মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ডক্টর মিম আতিকুল্লাহ, ডক্টর অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আহমাদ, অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ, উপাধ্যক্ষ আনমোলাল উদ্দিন আনম হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৈঠকে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও অবৈধ অনুপ্রবেশসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।
৪ মিনিট আগে
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের প্রতিটি নাগরিককে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু এখন আর সাধারণ কোনো রোগ নয়; এটি পুরো জাতির জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গে সঙ্গে ঝিনাইদহের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা পর রোববার (৭ জুন) বেলা পৌনে ৪টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন উদ্ধার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে চলতি সপ্তাহেও রাজপথে নেমেছেন গ্রাহকেরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামীকাল সোমবার দুই ঘণ্টার কলম বিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে