স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঢাকার সাভারে মডেল ও অভিনেত্রী নায়লা নাঈমকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। বাজারে শাকসবজি কেনার সময় এক ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পোশাক ও পর্দা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। সামাজিক মাধ্যমে খবরটি নিজেই দিয়েছেন নায়লা নাঈম।
ভেরিফায়েড ফেসবুকে নায়লা জানিয়েছেন, সোমবার (১ জুন) বিকেলে সাভারের ভাকুর্তা বাজার এলাকায় পারিবারিক জমি রয়েছে। সেখান থেকে ঢাকায় ফেরার পথে মায়ের সঙ্গে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাজার করার সময় হেনস্তার শিকার হন তিনি।
নায়লা নাঈমের ভাষ্যে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি শাকসবজি কিনছিলেন। তাঁর হাতে বাজারের ব্যাগ ছিল। একটি দোকানে টাকা পরিশোধের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেন। ধাক্কা দেওয়ার সময় ওই ব্যক্তি তাঁর পোশাক নিয়ে মন্তব্য করেন।
‘পর্দা নাই, বাজারে ঘুরছে’ বলে মন্তব্য করে নায়লা নাঈম বলেন, ‘লোকটা বলে, আমার মাথায় পর্দা নাই, আমি কেন বাজারে আসছি। প্রথমে বিষয়টা বুঝতে পারিনি। পরে বুঝতে পারি। এসব কথা বলে আমাকে ধাক্কা দেয়।’
ঘটনার পর নায়লা দ্রুত বাজার ত্যাগ করেন। অটোতে ওঠার পর পুরো বিষয় উপলব্ধি করেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আম্মু তখন আমার ব্যাগ ঠিক করছিল এবং আমাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছিল। আমি এমন মানুষ না, কেউ বাজে মন্তব্য করবে আর আমি কিছু না বলে চলে আসব। কিন্তু ঘটনাটা এত আকস্মিক ছিল যে, প্রতিবাদ করতে পারিনি। পুরো রাস্তায় ভাবছিলাম, আমার নিজের দেশে কেন এমন অপমানের শিকার হলাম।’
থানায় অভিযোগ করেছেন কিনা- প্রশ্নে নায়লা নাঈম বলেন, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করিনি। সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। আমি কাউকে কিছু জানাইনি। প্রথমে সবাই এভিডেন্স চাইবে। আমি তো লোকটাকে চিনি না। একজন র্যান্ডম বাজারের লোক। তাঁকে কোথা থেকে খুঁজে বের করব? বাজারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলারও সুযোগ হয়নি। তার আগেই আম্মু আমাকে নিয়ে চলে আসে।
সাভার মডেল থানার ভাকুর্তা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই ফরহাদ আলী বলেন, এখনো কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকার সাভারে মডেল ও অভিনেত্রী নায়লা নাঈমকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। বাজারে শাকসবজি কেনার সময় এক ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পোশাক ও পর্দা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। সামাজিক মাধ্যমে খবরটি নিজেই দিয়েছেন নায়লা নাঈম।
ভেরিফায়েড ফেসবুকে নায়লা জানিয়েছেন, সোমবার (১ জুন) বিকেলে সাভারের ভাকুর্তা বাজার এলাকায় পারিবারিক জমি রয়েছে। সেখান থেকে ঢাকায় ফেরার পথে মায়ের সঙ্গে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাজার করার সময় হেনস্তার শিকার হন তিনি।
নায়লা নাঈমের ভাষ্যে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি শাকসবজি কিনছিলেন। তাঁর হাতে বাজারের ব্যাগ ছিল। একটি দোকানে টাকা পরিশোধের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেন। ধাক্কা দেওয়ার সময় ওই ব্যক্তি তাঁর পোশাক নিয়ে মন্তব্য করেন।
‘পর্দা নাই, বাজারে ঘুরছে’ বলে মন্তব্য করে নায়লা নাঈম বলেন, ‘লোকটা বলে, আমার মাথায় পর্দা নাই, আমি কেন বাজারে আসছি। প্রথমে বিষয়টা বুঝতে পারিনি। পরে বুঝতে পারি। এসব কথা বলে আমাকে ধাক্কা দেয়।’
ঘটনার পর নায়লা দ্রুত বাজার ত্যাগ করেন। অটোতে ওঠার পর পুরো বিষয় উপলব্ধি করেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আম্মু তখন আমার ব্যাগ ঠিক করছিল এবং আমাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছিল। আমি এমন মানুষ না, কেউ বাজে মন্তব্য করবে আর আমি কিছু না বলে চলে আসব। কিন্তু ঘটনাটা এত আকস্মিক ছিল যে, প্রতিবাদ করতে পারিনি। পুরো রাস্তায় ভাবছিলাম, আমার নিজের দেশে কেন এমন অপমানের শিকার হলাম।’
থানায় অভিযোগ করেছেন কিনা- প্রশ্নে নায়লা নাঈম বলেন, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করিনি। সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। আমি কাউকে কিছু জানাইনি। প্রথমে সবাই এভিডেন্স চাইবে। আমি তো লোকটাকে চিনি না। একজন র্যান্ডম বাজারের লোক। তাঁকে কোথা থেকে খুঁজে বের করব? বাজারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলারও সুযোগ হয়নি। তার আগেই আম্মু আমাকে নিয়ে চলে আসে।
সাভার মডেল থানার ভাকুর্তা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই ফরহাদ আলী বলেন, এখনো কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকার অদূরে সাভারের পৌর ছাত্রদল নেতা রনি ইসলামের (২২) বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) সাভারের ছায়াবীথি মহল্লার একটি বাড়ি থেকে রিয়া মনি (২১) নামে তাঁর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে থেকেই পলাতক ওই ছাত্রদল নেতা।
১৮ মিনিট আগে
মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) রাতে ওই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এ ঘটনা জড়িত সন্দেহে ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাক এলাকায় ভাগ্নের ডাকে একটি বিরোধের সালিস করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৪৫) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক এক নেতা।
১০ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে স্কুলশিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। রামিসার পরিবার, স্বজন ও প্রতিবেশীদের চাওয়া—রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয়।
১১ ঘণ্টা আগে