স্ট্রিম সংবাদদাতা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে মামলা করায় ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এ সময় ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য চরবাগ্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়ভাবে ‘তৌহিদী জনতার’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে একদল লোক লাঠিসোটা নিয়ে এ হামলা চালায়। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী কিশোরী (১৪) উপজেলার দারুল আকরাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার হেফজ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত আবুল খায়ের ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক। গত বৃহস্পতিবার চরজব্বর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা। এরপর থেকেই ওই শিক্ষক পলাতক। এদিকে মামলা করার আগে থেকেই স্থানীয়দের চাপ এবং পরে বাড়িতে হামলার ঘটনায় পরিবারটি নিরাপত্তা শঙ্কায় রয়েছে।
শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আবুল খায়ের ঝাড়ফুঁকের কথা বলে আমার মেয়েকে যৌন হেনস্তা করেন। আমরা এর বিচার চাওয়ায় উল্টো আমাদের বাড়িতে হামলা ও মেয়েকে মারধর করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা আতঙ্কে আছি।’

থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে দেখতে মাদ্রাসায় যান তাঁর দাদি। সেখানে প্রধান শিক্ষক আবুল খায়ের জানান, শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁর নাতনিকে ঝাড়ফুঁক দিতে হবে। এরপর দাদিকে সরিষার তেল আনতে বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে ছাত্রীকে নিজের শোয়ার কক্ষে নিয়ে যৌন হেনস্তা করেন ওই শিক্ষক। একপর্যায়ে ছাত্রীর কান্নার শব্দ শুনে দাদি কক্ষে প্রবেশ করলে শিক্ষক তাঁকে বের করে দেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিষয়টি সমঝোতার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারকে চাপ দেন। তবে সমঝোতা না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার চরজব্বর থানায় মামলা করেন ছাত্রীর বাবা। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত শিক্ষকের পক্ষে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ‘মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার’ দাবিতে মানববন্ধন করেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় কিছু লোক। মানববন্ধন শেষেই ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা জানান, ঘটনার পর প্রধান শিক্ষক তাঁদেরকে বিষয়টি গোপন রাখতে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দিয়েছিলেন। হুমকি ও স্থানীয়দের চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত আত্মীয়দের পরামর্শে তিনি আইনি আশ্রয় নেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চরজব্বর থানার উপপরিদর্শক বাপন চক্রবর্তী বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি। বর্তমানে ছুটিতে থাকায় এ বিষয়ে আপডেট জানি না।’
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানের মন্তব্য জানার জন্য একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে মামলা করায় ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এ সময় ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য চরবাগ্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়ভাবে ‘তৌহিদী জনতার’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে একদল লোক লাঠিসোটা নিয়ে এ হামলা চালায়। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী কিশোরী (১৪) উপজেলার দারুল আকরাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার হেফজ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত আবুল খায়ের ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক। গত বৃহস্পতিবার চরজব্বর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা। এরপর থেকেই ওই শিক্ষক পলাতক। এদিকে মামলা করার আগে থেকেই স্থানীয়দের চাপ এবং পরে বাড়িতে হামলার ঘটনায় পরিবারটি নিরাপত্তা শঙ্কায় রয়েছে।
শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আবুল খায়ের ঝাড়ফুঁকের কথা বলে আমার মেয়েকে যৌন হেনস্তা করেন। আমরা এর বিচার চাওয়ায় উল্টো আমাদের বাড়িতে হামলা ও মেয়েকে মারধর করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা আতঙ্কে আছি।’

থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে দেখতে মাদ্রাসায় যান তাঁর দাদি। সেখানে প্রধান শিক্ষক আবুল খায়ের জানান, শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁর নাতনিকে ঝাড়ফুঁক দিতে হবে। এরপর দাদিকে সরিষার তেল আনতে বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে ছাত্রীকে নিজের শোয়ার কক্ষে নিয়ে যৌন হেনস্তা করেন ওই শিক্ষক। একপর্যায়ে ছাত্রীর কান্নার শব্দ শুনে দাদি কক্ষে প্রবেশ করলে শিক্ষক তাঁকে বের করে দেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিষয়টি সমঝোতার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারকে চাপ দেন। তবে সমঝোতা না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার চরজব্বর থানায় মামলা করেন ছাত্রীর বাবা। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত শিক্ষকের পক্ষে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ‘মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার’ দাবিতে মানববন্ধন করেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় কিছু লোক। মানববন্ধন শেষেই ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা জানান, ঘটনার পর প্রধান শিক্ষক তাঁদেরকে বিষয়টি গোপন রাখতে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দিয়েছিলেন। হুমকি ও স্থানীয়দের চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত আত্মীয়দের পরামর্শে তিনি আইনি আশ্রয় নেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চরজব্বর থানার উপপরিদর্শক বাপন চক্রবর্তী বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি। বর্তমানে ছুটিতে থাকায় এ বিষয়ে আপডেট জানি না।’
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানের মন্তব্য জানার জন্য একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নোয়াখালী সদর উপজেলার সুধারাম থানার বাঁধের বাজার এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে সরকারবিরোধী স্লোগান, মিছিল ও রাস্তা অবরোধের ঘটনায় পুলিশি অভিযানে আরও ১৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২০ মিনিট আগে
সাজা শেষ হওয়ার পরও পরিচয় শনাক্তকরণ ও আইনি জটিলতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন কারাগারে আটকে আছেন প্রায় দেড় শ ভারতীয় নাগরিক। সোমবার (৮ জুন) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাংলাদেশি কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।
২৩ মিনিট আগে
টিআইবি প্রতিবেদনে পরিসংখ্যান উপস্থাপনের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পুলিশ। সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকাশিত তথ্যের বিশ্লেষণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট ও শ্রেণিভিত্তিক তথ্য উপেক্ষিত হয়েছে।
৩২ মিনিট আগে
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি ইউপির দায়িত্ব পালন নিয়ে বর্তমান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। সোমবার দুপুরে ইউনিয়নের কালাইনজুড়া গ্রামে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। এতে থানার ওসিসহ ৫০ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে