স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন রক্তপাতহীন ও সহিংসতামুক্ত দেখতে চান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
আজ সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর পূর্ণ সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা আলোচনা করে সমঝোতায় পৌঁছান। আমরা কোনো রক্তপাত দেখতে চাই না।’
অতীতের নির্বাচনী সহিংসতার কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘গ্রামে ছোটখাটো বিষয়ে মারামারি হয়। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই পাড়ার টেঁটাযুদ্ধ দেখেছি। এখন ওই দুই পাড়া থেকে যদি দুই প্রার্থী দাঁড়ান তবে কারবালা হয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে ঝামেলা এড়াতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া প্রয়োজন।’
দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পার্টি সিম্বল ব্যবহার না হলেও গণমাধ্যমে দেখছি বিভিন্ন দল মনোনয়ন দিচ্ছে। এটি চিন্তার বিষয়। যদি সবাই স্বতন্ত্র হয়ে যেত, তবে দলের মালিকানা বা দখলদারত্বের গোলযোগ হতো না।’
বিগত সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে নাসির উদ্দীন বলেন, ‘নির্বাচন কেমন হয়েছে তা বিচারের ভার দেশবাসী ও বিশ্বের ওপর। লুকানোর কিছু নেই, আমরা "সিরাত-আল-মুস্তাকিমের" অর্থাৎ সঠিক পথের ওপর ছিলাম। অনেক বড় নেতা ফোন করেছেন কিন্তু আমি ফোন ধরিনি। ছোট-বড় সবার জন্য একই নীতি নিয়েছি।’ তিনি দেশে একটি টেকসই ও সুন্দর নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনার প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তিনি মুখের ওপর অপ্রিয় সত্য কথা বলেন। আমাদের সঙ্গে দেখা করে দরজার বাইরে গিয়ে তিনি গালি দিতেন, আমি এতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো নিজের বিশ্বাসের কথা বলার সুযোগ। তাঁর বক্তব্যে আমি আহত নই।’
সিইসি জানান, একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে কমিশনের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি থাকবে না।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন রক্তপাতহীন ও সহিংসতামুক্ত দেখতে চান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
আজ সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর পূর্ণ সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা আলোচনা করে সমঝোতায় পৌঁছান। আমরা কোনো রক্তপাত দেখতে চাই না।’
অতীতের নির্বাচনী সহিংসতার কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘গ্রামে ছোটখাটো বিষয়ে মারামারি হয়। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই পাড়ার টেঁটাযুদ্ধ দেখেছি। এখন ওই দুই পাড়া থেকে যদি দুই প্রার্থী দাঁড়ান তবে কারবালা হয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে ঝামেলা এড়াতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া প্রয়োজন।’
দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পার্টি সিম্বল ব্যবহার না হলেও গণমাধ্যমে দেখছি বিভিন্ন দল মনোনয়ন দিচ্ছে। এটি চিন্তার বিষয়। যদি সবাই স্বতন্ত্র হয়ে যেত, তবে দলের মালিকানা বা দখলদারত্বের গোলযোগ হতো না।’
বিগত সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে নাসির উদ্দীন বলেন, ‘নির্বাচন কেমন হয়েছে তা বিচারের ভার দেশবাসী ও বিশ্বের ওপর। লুকানোর কিছু নেই, আমরা "সিরাত-আল-মুস্তাকিমের" অর্থাৎ সঠিক পথের ওপর ছিলাম। অনেক বড় নেতা ফোন করেছেন কিন্তু আমি ফোন ধরিনি। ছোট-বড় সবার জন্য একই নীতি নিয়েছি।’ তিনি দেশে একটি টেকসই ও সুন্দর নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনার প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তিনি মুখের ওপর অপ্রিয় সত্য কথা বলেন। আমাদের সঙ্গে দেখা করে দরজার বাইরে গিয়ে তিনি গালি দিতেন, আমি এতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো নিজের বিশ্বাসের কথা বলার সুযোগ। তাঁর বক্তব্যে আমি আহত নই।’
সিইসি জানান, একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে কমিশনের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি থাকবে না।

সংবাদপত্রে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। সোমবার (১৮ মে) সংগঠনের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান চৌধুরীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ মিনিট আগে
রাজধানীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৭১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রবিবার (১৭ মে) দিবাগত রাতে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অধীন ছয়টি থানা এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৪ মিনিট আগে
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের কালারাই বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ দখল করে বসবাসের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুনমুন বণিকের বিরুদ্ধে। এতে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান।
৪২ মিনিট আগে
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
১ ঘণ্টা আগে