leadT1ad

চুয়াডাঙ্গায় ভাড়াবাসায় সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত লাশ

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গা

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ১৭: ৪৭
নিহত মাহমুদুর রহমান। ছবি সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে উপজেলা আইসিটি অফিসার (সহকারী প্রোগ্রামার) ও মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মাহমুদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১০টার দিকে জীবননগর পৌর এলাকার আশতলাপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার হয়।

নিহত মাহমুদুর রহমান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ঝিটকীপোতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। স্ত্রী নাসরিন আক্তার ও এক সন্তানকে নিয়ে জীবননগরে বসবাস করতেন তিনি।

স্থানীয়দের মতে, নিহত মাহমুদুর রহমান শান্ত, ভদ্র ও হাসিখুশি কর্মকর্তা ছিলেন। দাম্পত্য কলহের জের ধরেই এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

মাহমুদুর রহমানের স্ত্রী নাসরিন আক্তার বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ছোটখাটো ঝগড়া হলেও তা পরে মিটে যেত। ঘটনার আগের রাতে বা সকালে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ হয়নি।

তিনি জানান, সকালে মাহমুদুর রহমান ঘুম থেকে উঠে ছেলের জন্য জুস কিনতে বাইরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে একটি রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘক্ষণ সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

নিহতের পিতা আতাউর রহমান জানান, তাঁর ছেলে ও পুত্রবধূর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া ও মনোমালিন্য হতো। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহমুদুর তাঁর মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছে। এর কিছুক্ষণ পরই তাঁর মৃত্যুর খবর জানতে পারি।’

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। দুপুর ১টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, ‘মাহমুদুর রহমান শান্ত, ভদ্র ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন।’

Ad 300x250

সম্পর্কিত