রান্নাঘরে বিস্ফোরণ

সায়মারও মৃত্যু, পরিবারটিতে রইল না কেউ

রান্নাঘরে বিস্ফোরণ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৪: ৩০
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ পরিবারের শেষ সদস্য মোছাম্মৎ সায়মাও (৩৫) মারা গেছেন। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

গত রোববার (১০ মে) ওই দুর্ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সায়মার স্বামী ও তাঁর তিন সন্তান আগেই মারা গিয়েছিল। সায়মার মৃত্যুতে এখন পাঁচ সদস্যের পরিবারে কেউই আর থাকল না।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সায়মার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তাঁর শ্বাসনালীও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। প্রথম থেকেই তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। আপ্রাণ চেষ্টা করেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে রোববার ভোরে ফতুল্লার গিরিধারার বাসায় চুলা জ্বালানোর সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর আগুনে দগ্ধ হয় সবজি বিক্রেতা আবুল কালামের (৩৫) পুরো পরিবার। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার আবুল কালাম, বুধবার চার বছরের মেয়ে এবং বৃহস্পতিবার ছেলে মুন্না (১২) ও আরেক মেয়ে মুন্নির (৭) মৃত্যু হয়।

পরিবারের একমাত্র সদস্য হিসেবে সায়মার দিকে তাকিয়ে ছিল স্বজনরা। আজ সকালে তাঁর মৃত্যুর পর স্বজনের আহাজারিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

ফতুল্লা থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। গ্যাস লিকেজের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট তিতাস কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত