উপায়হীন হয়েই জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৬, ১৬: ০৪
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমলে দেশেও দ্রুত কমানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রোববার রাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি মাসে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হয়। মে মাসে কিন্তু এটি হয়নি, কারণ এপ্রিলে একবার সমন্বয় করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, আমরা একটা কথা বারবার বলার চেষ্টা করেছি, সরকার যখন একান্ত উপায়হীন হবে তখনই এ ধরনের অপ্রিয় কিছু সিদ্ধান্ত হয়তো নিতে বাধ্য হবে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে এ ধরনের বাস্তবতা এসেছে।

বাংলাদেশে ব্যবহার হওয়া জ্বালানি তেলের ৬৬ শতাংশই ডিজেল জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটার পেছনেই সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি সরকারকে দিতে হয়। কিন্তু তারপরও কিন্তু এটা আনটাচড, যাতে সাধারণ মানুষ কোনোভাবে অ্যাফেক্টেড না হয়। কিন্তু আমি যেটা বলেছি, আমরা উপায়হীন। কিছু কিছু জায়গায় বাধ্য হয়ে সমন্বয় করতে হচ্ছে।’

তেলের দাম পর্যায়ক্রমে বাড়বে কিনা জানতে চাইলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সরকার আশাবাদী মধ্যপ্রাচ্য সংকট দ্রুতই সমাধান হবে। সেক্ষেত্রে তিনি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত কমলে সরকারও এটি দ্রুত কমিয়ে আনবে।

অবশ্য দেশের মানুষের অতীত অভিজ্ঞতা সুখকর নয় জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মানে যেভাবে বাড়ে হয়তো বা সেভাবে কমে না। কিন্তু আমি এটুকু দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, যদি এই সংকট সমাধান হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কমে আসে, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন— যেহেতু এটা নির্বাচিত সরকার, জনগণের প্রতি আমাদের একটি দায়বদ্ধতা রয়েছে, সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে জনগণের কষ্ট লাঘবের জন্য আমরা তড়িৎ সিদ্ধান্ত নেব।’

সম্পর্কিত