স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত।
রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলাটির আবেদন করেন রাজধানীর রমনা থানা বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম। শুনানি শেষে আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে মামলাটি আমলে নেন এবং আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম (আমীর) জানান, সকালে মামলার আবেদন জমা দেওয়ার পর বেলা ১১টার দিকে শুনানি হয়। আদালত পরে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, গত ৫ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাদী দেখতে পান, মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালেও তার বক্তব্য হুবহু প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে মির্জা আব্বাসকে ‘বাংলাদেশ ক্রিমিনাল র্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, আসামির এই বক্তব্য অত্যন্ত মানহানিকর ও নিন্দনীয়। ফেসবুক ও ইউটিউবে এসব বক্তব্য ভাইরাল করার মাধ্যমে মির্জা আব্বাসের সম্মান ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। আসামির এসব কর্মকাণ্ড সব ধরনের রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সভ্যতার রীতিনীতি বহির্ভূত। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মির্জা আব্বাসের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য এসব মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য প্রকাশ করছেন। আসামির এসব বক্তব্য দেখে বাদী ও মির্জা আব্বাস বিস্মিত হয়েছেন বলে আরজিতে উল্লেখ করা হয়।
মামলার অভিযোগে এই বিরোধের সূত্রপাত হিসেবে সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের সঙ্গে শাপলা কলি প্রতীকের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। বহুল আলোচিত আসনটিতে ৪ হাজার ৯৮০ ভোটের ব্যবধানে জয় পান মির্জা আব্বাস।
বাদীর অভিযোগ, নির্বাচনের সময় থেকেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিভিন্ন মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে ভোটে হেরে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় তার হুমকিমূলক ও মানহানিকর বক্তব্যের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত।
রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলাটির আবেদন করেন রাজধানীর রমনা থানা বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম। শুনানি শেষে আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে মামলাটি আমলে নেন এবং আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম (আমীর) জানান, সকালে মামলার আবেদন জমা দেওয়ার পর বেলা ১১টার দিকে শুনানি হয়। আদালত পরে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, গত ৫ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাদী দেখতে পান, মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালেও তার বক্তব্য হুবহু প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে মির্জা আব্বাসকে ‘বাংলাদেশ ক্রিমিনাল র্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, আসামির এই বক্তব্য অত্যন্ত মানহানিকর ও নিন্দনীয়। ফেসবুক ও ইউটিউবে এসব বক্তব্য ভাইরাল করার মাধ্যমে মির্জা আব্বাসের সম্মান ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। আসামির এসব কর্মকাণ্ড সব ধরনের রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সভ্যতার রীতিনীতি বহির্ভূত। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মির্জা আব্বাসের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য এসব মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য প্রকাশ করছেন। আসামির এসব বক্তব্য দেখে বাদী ও মির্জা আব্বাস বিস্মিত হয়েছেন বলে আরজিতে উল্লেখ করা হয়।
মামলার অভিযোগে এই বিরোধের সূত্রপাত হিসেবে সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের সঙ্গে শাপলা কলি প্রতীকের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। বহুল আলোচিত আসনটিতে ৪ হাজার ৯৮০ ভোটের ব্যবধানে জয় পান মির্জা আব্বাস।
বাদীর অভিযোগ, নির্বাচনের সময় থেকেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিভিন্ন মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে ভোটে হেরে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় তার হুমকিমূলক ও মানহানিকর বক্তব্যের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

হত্যা ও রায় জালিয়াতির চার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলা এখনও বিচারাধীন থাকায় তিনি আপাতত কারামুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
১৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির মামলায় রাজধানীর দুটি আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সব নির্বাচনী সরঞ্জাম হেফাজতে নিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ওই দুই আসন ঢাকা-১৬ ও ঢাকা-৪ আসনে বিজয়ী প্রার্থীদের নোটিশও দেওয়া হয়েছে।
১৬ মিনিট আগে
জ্বালানি-সংকট এড়াতে কৃচ্ছ্রসাধনের উদ্দেশ্যে এবারের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের সময় কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
৩৯ মিনিট আগে
‘সামাজিকভাবে ও অনলাইনে নারীদের টার্গেট করে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয় যে তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যারা রাজনৈতিকভাবে ভোকাল, তাদের বেশি টার্গেট করা হয়।’
১ ঘণ্টা আগে