দেশে কারিনা কায়সারের মরদেহ, সোমবার দ্বিতীয় জানাজা ও দাফন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। ছবি: সংগৃহীত

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। রোববার (১৭ মে) বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে কারিনার মরদেহ গ্রহণ করেন তাঁর বাবা কায়সার হামিদ।

কফিন পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অশ্রুসিক্ত চোখে মেয়ের কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন বাবা। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। কারিনার মা সবার উদ্দেশে বলেন, ‘আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন।’

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বনানী ডিওএইচএস জামে মসজিদে প্রথম জানাজা হবে। সোমবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় কারিনার দাফন হবে।

দেশে পৌঁছেছে কারিনা কায়সারের মরদেহ। ছবি: সংগৃহীত
দেশে পৌঁছেছে কারিনা কায়সারের মরদেহ। ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার (১৫ মে) রাতে চেন্নাইয়ের ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কারিনা মারা যান। তিনি সাবেক জাতীয় ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে এবং দাবাড়ু রানি হামিদের নাতনি।

গত কয়েক দিন ধরেই লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাঁকে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১১ মে রাতে তাঁকে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা প্রথমে তাঁর ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেন। এরপর লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।

পরিবার সূত্র জানায়, জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর কারিনার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং ‘ই’ জটিলতায় তাঁর লিভার ফেইলিওর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউ এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত কারিনা অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজও করতেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত