স্ট্রিম সংবাদদাতা

পদোন্নতির দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে সোমবার (১১ মে) সকালে প্রশাসনিক ভবন-১ এর নিচে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষকদের একাংশ।
সোমবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা।
গতকাল রোববার বৈঠক করে শাটডাউন কর্মসূচির ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তও নেন কয়েকজন শিক্ষক।
এদিকে আন্দোলন ঘোষণার মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন। একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা আরও অন্তত ৪০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করবেন বলে শিক্ষক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
প্রক্টরের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক রাহাত হোসাইন বলেন, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্য যে তালবাহানা করছেন, তাতে এই পরিবেশে তাঁর সঙ্গে কাজ করা অসম্ভব। তাই দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল কাইউম বলেন, প্রক্টরসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সিন্ডিকেটের ৯ জন শিক্ষক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষকেরা জানান, পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গত ৩০ এপ্রিল উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়। সেখানে দাবি মেনে নেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ওই বৈঠকের পর পাঁচ দিনের জন্য আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা শুধু পাঠদানে ফেরেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষকদের ভাষ্য, তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল ৮ মে অনুষ্ঠিত ৯৪তম সিন্ডিকেট সভায় পদোন্নতির বিষয়ে যৌক্তিক সমাধান হবে। কিন্তু ওই সভায় বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী সংকট সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে উপাচার্য বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখেন।
পাশাপাশি অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে উপাচার্য নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন বলেও শিক্ষকরা উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।
গত ২১ এপ্রিল পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষকরা। প্রথমে লাগাতার কর্মবিরতির কর্মসূচি পালন করেন। পরে শাটডাউন কর্মসূচিও ঘোষণা করেন। তারই ধারাবাহিকতা ২৮ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়।
উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, ‘শনিবারের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের পাঁচজন প্রতিনিধিসহ সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে অভিন্ন সংবিধি প্রণয়ন করে তাঁদের পদোন্নতি দেওয়া হবে। কিন্তু এর মধ্যেই শিক্ষকেরা আবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। আমরা বিধি অনুযায়ী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে সর্বোচ্চ আন্তরিক।’
শিক্ষকদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ‘আমার কাছে এখনো কোনো পদত্যাগপত্র আসেনি। তাঁরা মৌখিকভাবে অব্যাহতির কথা জানিয়েছেন।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, পদোন্নতি প্রত্যাশী শিক্ষকদের ২০১৫ সালের বিধি অনুযায়ী পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চিঠির পর সেই প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়। ইউজিসি ২০২১ সালের অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণের পরামর্শ দেয়।
দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ওই নীতিমালায় যুক্ত হলেও বরিশালসহ তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তা এখনো কার্যকর হয়নি। এ কারণে আগে ২০২১ সালের নিয়োগ সংবিধি অনুমোদনের পর পদোন্নতি দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

পদোন্নতির দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে সোমবার (১১ মে) সকালে প্রশাসনিক ভবন-১ এর নিচে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষকদের একাংশ।
সোমবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা।
গতকাল রোববার বৈঠক করে শাটডাউন কর্মসূচির ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তও নেন কয়েকজন শিক্ষক।
এদিকে আন্দোলন ঘোষণার মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন। একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা আরও অন্তত ৪০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করবেন বলে শিক্ষক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
প্রক্টরের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক রাহাত হোসাইন বলেন, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্য যে তালবাহানা করছেন, তাতে এই পরিবেশে তাঁর সঙ্গে কাজ করা অসম্ভব। তাই দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল কাইউম বলেন, প্রক্টরসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সিন্ডিকেটের ৯ জন শিক্ষক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষকেরা জানান, পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গত ৩০ এপ্রিল উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়। সেখানে দাবি মেনে নেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ওই বৈঠকের পর পাঁচ দিনের জন্য আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা শুধু পাঠদানে ফেরেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষকদের ভাষ্য, তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল ৮ মে অনুষ্ঠিত ৯৪তম সিন্ডিকেট সভায় পদোন্নতির বিষয়ে যৌক্তিক সমাধান হবে। কিন্তু ওই সভায় বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী সংকট সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে উপাচার্য বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখেন।
পাশাপাশি অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে উপাচার্য নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন বলেও শিক্ষকরা উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।
গত ২১ এপ্রিল পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষকরা। প্রথমে লাগাতার কর্মবিরতির কর্মসূচি পালন করেন। পরে শাটডাউন কর্মসূচিও ঘোষণা করেন। তারই ধারাবাহিকতা ২৮ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়।
উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, ‘শনিবারের সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের পাঁচজন প্রতিনিধিসহ সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে অভিন্ন সংবিধি প্রণয়ন করে তাঁদের পদোন্নতি দেওয়া হবে। কিন্তু এর মধ্যেই শিক্ষকেরা আবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। আমরা বিধি অনুযায়ী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে সর্বোচ্চ আন্তরিক।’
শিক্ষকদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ‘আমার কাছে এখনো কোনো পদত্যাগপত্র আসেনি। তাঁরা মৌখিকভাবে অব্যাহতির কথা জানিয়েছেন।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, পদোন্নতি প্রত্যাশী শিক্ষকদের ২০১৫ সালের বিধি অনুযায়ী পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চিঠির পর সেই প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়। ইউজিসি ২০২১ সালের অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণের পরামর্শ দেয়।
দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ওই নীতিমালায় যুক্ত হলেও বরিশালসহ তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তা এখনো কার্যকর হয়নি। এ কারণে আগে ২০২১ সালের নিয়োগ সংবিধি অনুমোদনের পর পদোন্নতি দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পৃথক দুটি বিস্ফোরণে হতাহত হয়েছে। গিরিধারা এলাকায় গ্যাসের চুলা বিস্ফোরণে একজন মারা গেছেন। অন্যদিকে কুতুবপুর লাকিবাজার এলাকায় ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার (১১ মে) এই ঘটনা ঘটে।
১১ মিনিট আগে
সাতক্ষীরায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে আম পাড়ার মৌসুম। জেলার বিভিন্ন বাগানে প্রতিদিন সকাল থেকেই শুরু হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ ও গোলাপখাসসহ স্থানীয় জাতের আম সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগান মালিক ও শ্রমিকরা।
১৪ মিনিট আগে
নওগাঁর পত্নীতলায় একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আমবাটি ডাবল সেতু এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে তাঁদের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান পত্নীতলা থানার ওসি।
১৮ মিনিট আগে
যশোরের শার্শায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গিলাপোল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহতরা হলেন উপজেলার উলাসী খালপাড়ার শাহিন হোসেন (৩৫) ও উলাসী গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেন (৪৫)।
১ ঘণ্টা আগে