স্ট্রিম সংবাদদাতা

খুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫। বুধবার (১৯ আগস্ট) খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ১৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫০২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে খুলনায় ৩৪৪, বাগেরহাটে ৭৭, সাতক্ষীরায় ১০, যশোরে ৩০, ঝিনাইদহে ৭, মাগুরায় ৪, নড়াইলে ৭, কুষ্টিয়ায় ১৬, চুয়াডাঙ্গায় ৬ ও মেহেরপুরে ১ জন রয়েছেন।
এদিকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ৩ হাজার ৮২৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ২৬৭ জন।
খুলনা সিটি করপোরেশন নগরের ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করেছে। সিটি করপোরেশনের ২২ নম্বর (কাস্টম ঘাট ও কয়লাঘাট), ২৮ নম্বর (পশ্চিম টুটপাড়া, মিয়াপাড়া ও কারাপাড়া), ২৯ নম্বর (হাজী মহসিন রোড, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, টিবি ক্রস রোড ও গগন বাবু রোড) এবং ৩০ নম্বর (টুটপাড়া ও মতিয়াখালী) ওয়ার্ডকে রেড জোনে রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিবছর জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। বর্তমান ডেঙ্গুর ধরন আগের চেয়ে বেশি ছদ্মবেশী।
এ বিষয়ে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সামান্য জ্বর বা দুর্বলতার পরও হঠাৎ অবস্থার অবনতি হতে পারে। বিশেষ করে জ্বর কমার পরের তিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ। এ সময় প্লাটিলেট কমে যাওয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং লিভার, কিডনি কিংবা মস্তিষ্ক আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বমি, তীব্র পেটব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি কিংবা অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
সরেজমিনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দোতলায় উঠলেই করিডরজুড়ে রোগীদের ভিড় চোখে পড়ে। সিট না পেয়ে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে। এদিকে ডেঙ্গুর জন্য নির্ধারিত স্থানে জায়গা না পেয়ে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসা নিচ্ছেন কেউ কেউ।
এ বিষয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আরিফ মোহাম্মাদ জানান, হাসপাতালে সিটের তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। কয়েক দিন ধরে রোগীর চাপ আরও বেড়েছে। হাসপাতালের মেডিসিন, শিশু ওয়ার্ড, বারান্দা ও মেঝেতেও রোগী রাখতে হচ্ছে। এতে কিছুটা ঝুঁকি তো থাকেই।
নগরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালেও রোগীদের একই রকম ভিড় দেখা গেছে। জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. রফিকুল ইসলাম গাজী জানান, মেডিসিন বিভাগের দুটি ওয়ার্ডে সিট রয়েছে ২৫টি। সেখানে ভর্তির জন্য অনেক বেশি রোগী অপেক্ষা করছেন।
বেসরকারি খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কোনো শয্যা ফাঁকা নেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, সবচেয়ে বেশি চাপ রয়েছে ডেঙ্গু রোগীর।
এদিকে খুলনার সিভিল সার্জন মাহফুজা খাতুন জানান, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু রোগী বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদেরও এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক থেকে দুই দিন জ্বর থাকলেও দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নয়টি উপজেলার মধ্যে রূপসায় ডেঙ্গু রোগীর চাপ বেশি। অন্য আটটি উপজেলায় পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক। সব উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীদের আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট নেই।

খুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫। বুধবার (১৯ আগস্ট) খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ১৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫০২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে খুলনায় ৩৪৪, বাগেরহাটে ৭৭, সাতক্ষীরায় ১০, যশোরে ৩০, ঝিনাইদহে ৭, মাগুরায় ৪, নড়াইলে ৭, কুষ্টিয়ায় ১৬, চুয়াডাঙ্গায় ৬ ও মেহেরপুরে ১ জন রয়েছেন।
এদিকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ৩ হাজার ৮২৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ২৬৭ জন।
খুলনা সিটি করপোরেশন নগরের ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করেছে। সিটি করপোরেশনের ২২ নম্বর (কাস্টম ঘাট ও কয়লাঘাট), ২৮ নম্বর (পশ্চিম টুটপাড়া, মিয়াপাড়া ও কারাপাড়া), ২৯ নম্বর (হাজী মহসিন রোড, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, টিবি ক্রস রোড ও গগন বাবু রোড) এবং ৩০ নম্বর (টুটপাড়া ও মতিয়াখালী) ওয়ার্ডকে রেড জোনে রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিবছর জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। বর্তমান ডেঙ্গুর ধরন আগের চেয়ে বেশি ছদ্মবেশী।
এ বিষয়ে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সামান্য জ্বর বা দুর্বলতার পরও হঠাৎ অবস্থার অবনতি হতে পারে। বিশেষ করে জ্বর কমার পরের তিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ। এ সময় প্লাটিলেট কমে যাওয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং লিভার, কিডনি কিংবা মস্তিষ্ক আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বমি, তীব্র পেটব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি কিংবা অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
সরেজমিনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দোতলায় উঠলেই করিডরজুড়ে রোগীদের ভিড় চোখে পড়ে। সিট না পেয়ে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে। এদিকে ডেঙ্গুর জন্য নির্ধারিত স্থানে জায়গা না পেয়ে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসা নিচ্ছেন কেউ কেউ।
এ বিষয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আরিফ মোহাম্মাদ জানান, হাসপাতালে সিটের তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। কয়েক দিন ধরে রোগীর চাপ আরও বেড়েছে। হাসপাতালের মেডিসিন, শিশু ওয়ার্ড, বারান্দা ও মেঝেতেও রোগী রাখতে হচ্ছে। এতে কিছুটা ঝুঁকি তো থাকেই।
নগরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালেও রোগীদের একই রকম ভিড় দেখা গেছে। জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. রফিকুল ইসলাম গাজী জানান, মেডিসিন বিভাগের দুটি ওয়ার্ডে সিট রয়েছে ২৫টি। সেখানে ভর্তির জন্য অনেক বেশি রোগী অপেক্ষা করছেন।
বেসরকারি খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কোনো শয্যা ফাঁকা নেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, সবচেয়ে বেশি চাপ রয়েছে ডেঙ্গু রোগীর।
এদিকে খুলনার সিভিল সার্জন মাহফুজা খাতুন জানান, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু রোগী বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদেরও এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক থেকে দুই দিন জ্বর থাকলেও দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নয়টি উপজেলার মধ্যে রূপসায় ডেঙ্গু রোগীর চাপ বেশি। অন্য আটটি উপজেলায় পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক। সব উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীদের আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট নেই।
.png)

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলতি বছর ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২১ ডেঙ্গু রোগী। এর মধ্যে ৫৩৫ জনই চলতি আগস্ট মাসের ২০ দিনে। জুলাইয়ে ৩৬০ আর এর আগের ছয় মাসে ভর্তি হন বাকি ১২৬ জন।
১৮ মিনিট আগে
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। বেলা ২টা থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে সংসদ সদস্যদের সামনে ভোটের কার্যক্রম তুলে ধরে ব্রিফ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
২৪ মিনিট আগে
চাঁদা আদায় ও শ্রমিকদের মারধরকে কেন্দ্র করে দুটি শ্রমিক সংগঠনের বিরোধের জেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সব রুটে বাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে তিনটি সড়কে শত শত যানবাহন আটকা পড়েছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল থেকে একটি শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা কর্মবিরতি পালন ও যানবাহন চলাচলে
