স্ট্রিম ডেস্ক

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব নামটি বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় যেমন পরিচিত, তেমনই বিতর্কিত। একদিকে জঙ্গিবাদ, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে বাহিনীটির ভূমিকা ছিল; অন্যদিকে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও দীর্ঘদিন ধরে র্যাবকে ঘিরে রয়েছে।
এবার সেই র্যাবের নামই বদলে যাচ্ছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ মন্ত্রিসভা ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের জন্য ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে।
খসড়াটি এখন আইনগত যাচাইয়ের জন্য লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগে যাবে। অর্থাৎ, এখনো এটি চূড়ান্ত আইন হয়ে যায়নি। এই আইনের মাধ্যমে বর্তমান র্যাবের আইনি কাঠামো বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, র্যাবের জনবল, সম্পদ, দায়িত্ব ও চলমান কার্যক্রমের বড় অংশই নতুন বাহিনীতে চলে যাবে। আইন কার্যকর হলে ২০০৩ সালে যে সংশোধনীর মাধ্যমে র্যাবের আইনি ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, সেটি রহিত হবে। র্যাবের অর্থ, সম্পত্তি, নথি, হিসাব, অধিকার, দায়দায়িত্ব ও অন্যান্য সম্পদ এসআরবিতে স্থানান্তরিত হবে।
শুধু সম্পদ নয়, র্যাবে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এসআরবির সদস্য হয়ে যাবেন। তাঁদের চাকরির শর্তও নতুন করে পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। এমনকি র্যাবের করা বা র্যাবের বিরুদ্ধে চলমান মামলা ও আইনি কার্যক্রমও শুধু নাম বদলের কারণে বন্ধ হবে না; সেগুলো এসআরবির নামে চলবে।
এসআরবির কাজের তালিকাও বেশ বড়। প্রস্তাবিত আইনে সন্ত্রাসবাদ, সংঘবদ্ধ অপরাধ, মানব পাচার, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক, সাইবার অপরাধ, অপহরণ, হত্যা এবং নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে অপরাধ মোকাবিলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্বও থাকবে। আদালত, সরকার বা পুলিশের মহাপরিদর্শকের নির্দেশে এসআরবি কোনো ফৌজদারি মামলার তদন্তও করতে পারবে।
এসআরবিকে শুধু অভিযান পরিচালনার বাহিনী হিসেবে রাখা হচ্ছে না। প্রস্তাবিত আইনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পরোয়ানা ছাড়াই কোনো জায়গায় প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতার কথাও বলা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার করা ব্যক্তি ও জব্দ করা আলামত দ্রুত নিকটস্থ থানায় হস্তান্তরের বিধানও রাখা হয়েছে।
এসআরবির মহাপরিচালক হবেন বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা এবং তিনি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সাধারণ নিয়ন্ত্রণাধীনে কাজ করবেন।
কিন্তু এখানেও র্যাবের পুরোনো বৈশিষ্ট্যের একটি অংশ থাকছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে সদস্যকে প্রেষণ বা সাময়িক সংযুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ র্যাবের অন্যতম বৈশিষ্ট্যই ছিল বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে এর কাঠামো তৈরি হওয়া।
র্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন ও গোপন বন্দিশালার অভিযোগের কারণে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলো বহুদিন ধরে বাহিনীটির সংস্কার বা বিলুপ্তির দাবি জানিয়ে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর র্যাব এবং বাহিনীটির সাবেক ও তৎকালীন সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরও র্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশ করেছে। জুলাই ২০২৪-এর সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘের তদন্তে র্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে আসে এবং র্যাব বিলুপ্ত করে গুরুতর লঙ্ঘনে জড়িত নন এমন সদস্যদের নিজ নিজ ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
খসড়ায় একটি নতুন বিষয় রাখা হয়েছে—অভিযোগ প্রতিকার কমিটি। নাগরিকদের অভিযোগ এবং এসআরবির সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ দেখার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি থাকার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে চারজন থাকবেন সরকার, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট ইউনিটের কর্মকর্তা। আর একজন হবেন সরকার মনোনীত এমন ব্যক্তি, যাঁর মানবাধিকার, আইন বা বিচার প্রশাসনে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কমিটি অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে।
তবে মানবাধিকারকর্মীদের প্রশ্ন, কমিটির বড় অংশ যদি সরকারি ও বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত হয়, তাহলে সেটি কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাইবার অপরাধ, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মতো নতুন ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় বিশেষ প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম ও সক্ষমতা নিয়ে একটি বিশেষায়িত বাহিনী প্রয়োজন।
অন্যদিকে মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন—পুরোনো জনবল, সম্পদ, ক্ষমতা ও কাঠামোর এতটা অংশ যদি একইভাবে নতুন বাহিনীতে চলে যায়, তাহলে শুধু নাম বদল করে মৌলিক পরিবর্তন কতটা সম্ভব?
খসড়া অনুযায়ী, এটি শুধু নামের পরিবর্তন নয়, আবার পুরোপুরি নতুন বাহিনী তৈরিও নয়। র্যাবের পুরোনো জনবল, সম্পদ, দায়িত্ব ও অনেক ক্ষমতার ধারাবাহিকতা এসআরবিতে রাখার প্রস্তাব রয়েছে।
তাই শেষ পর্যন্ত এসআরবির আসল পরীক্ষা হবে আইনের প্রয়োগ, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকা, স্বাধীন জবাবদিহি এবং অতীতের অভিযোগের বিচার কতটা নিশ্চিত করা যায় তার মাধ্যমে।

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব নামটি বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় যেমন পরিচিত, তেমনই বিতর্কিত। একদিকে জঙ্গিবাদ, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে বাহিনীটির ভূমিকা ছিল; অন্যদিকে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও দীর্ঘদিন ধরে র্যাবকে ঘিরে রয়েছে।
এবার সেই র্যাবের নামই বদলে যাচ্ছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ মন্ত্রিসভা ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবি নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের জন্য ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে।
খসড়াটি এখন আইনগত যাচাইয়ের জন্য লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগে যাবে। অর্থাৎ, এখনো এটি চূড়ান্ত আইন হয়ে যায়নি। এই আইনের মাধ্যমে বর্তমান র্যাবের আইনি কাঠামো বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, র্যাবের জনবল, সম্পদ, দায়িত্ব ও চলমান কার্যক্রমের বড় অংশই নতুন বাহিনীতে চলে যাবে। আইন কার্যকর হলে ২০০৩ সালে যে সংশোধনীর মাধ্যমে র্যাবের আইনি ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, সেটি রহিত হবে। র্যাবের অর্থ, সম্পত্তি, নথি, হিসাব, অধিকার, দায়দায়িত্ব ও অন্যান্য সম্পদ এসআরবিতে স্থানান্তরিত হবে।
শুধু সম্পদ নয়, র্যাবে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এসআরবির সদস্য হয়ে যাবেন। তাঁদের চাকরির শর্তও নতুন করে পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। এমনকি র্যাবের করা বা র্যাবের বিরুদ্ধে চলমান মামলা ও আইনি কার্যক্রমও শুধু নাম বদলের কারণে বন্ধ হবে না; সেগুলো এসআরবির নামে চলবে।
এসআরবির কাজের তালিকাও বেশ বড়। প্রস্তাবিত আইনে সন্ত্রাসবাদ, সংঘবদ্ধ অপরাধ, মানব পাচার, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক, সাইবার অপরাধ, অপহরণ, হত্যা এবং নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে অপরাধ মোকাবিলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্বও থাকবে। আদালত, সরকার বা পুলিশের মহাপরিদর্শকের নির্দেশে এসআরবি কোনো ফৌজদারি মামলার তদন্তও করতে পারবে।
এসআরবিকে শুধু অভিযান পরিচালনার বাহিনী হিসেবে রাখা হচ্ছে না। প্রস্তাবিত আইনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পরোয়ানা ছাড়াই কোনো জায়গায় প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতার কথাও বলা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার করা ব্যক্তি ও জব্দ করা আলামত দ্রুত নিকটস্থ থানায় হস্তান্তরের বিধানও রাখা হয়েছে।
এসআরবির মহাপরিচালক হবেন বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা এবং তিনি পুলিশের মহাপরিদর্শকের সাধারণ নিয়ন্ত্রণাধীনে কাজ করবেন।
কিন্তু এখানেও র্যাবের পুরোনো বৈশিষ্ট্যের একটি অংশ থাকছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে সদস্যকে প্রেষণ বা সাময়িক সংযুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ র্যাবের অন্যতম বৈশিষ্ট্যই ছিল বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে এর কাঠামো তৈরি হওয়া।
র্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন ও গোপন বন্দিশালার অভিযোগের কারণে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলো বহুদিন ধরে বাহিনীটির সংস্কার বা বিলুপ্তির দাবি জানিয়ে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর র্যাব এবং বাহিনীটির সাবেক ও তৎকালীন সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরও র্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশ করেছে। জুলাই ২০২৪-এর সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘের তদন্তে র্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে আসে এবং র্যাব বিলুপ্ত করে গুরুতর লঙ্ঘনে জড়িত নন এমন সদস্যদের নিজ নিজ ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
খসড়ায় একটি নতুন বিষয় রাখা হয়েছে—অভিযোগ প্রতিকার কমিটি। নাগরিকদের অভিযোগ এবং এসআরবির সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ দেখার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি থাকার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে চারজন থাকবেন সরকার, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট ইউনিটের কর্মকর্তা। আর একজন হবেন সরকার মনোনীত এমন ব্যক্তি, যাঁর মানবাধিকার, আইন বা বিচার প্রশাসনে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কমিটি অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে।
তবে মানবাধিকারকর্মীদের প্রশ্ন, কমিটির বড় অংশ যদি সরকারি ও বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত হয়, তাহলে সেটি কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাইবার অপরাধ, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মতো নতুন ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় বিশেষ প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম ও সক্ষমতা নিয়ে একটি বিশেষায়িত বাহিনী প্রয়োজন।
অন্যদিকে মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন—পুরোনো জনবল, সম্পদ, ক্ষমতা ও কাঠামোর এতটা অংশ যদি একইভাবে নতুন বাহিনীতে চলে যায়, তাহলে শুধু নাম বদল করে মৌলিক পরিবর্তন কতটা সম্ভব?
খসড়া অনুযায়ী, এটি শুধু নামের পরিবর্তন নয়, আবার পুরোপুরি নতুন বাহিনী তৈরিও নয়। র্যাবের পুরোনো জনবল, সম্পদ, দায়িত্ব ও অনেক ক্ষমতার ধারাবাহিকতা এসআরবিতে রাখার প্রস্তাব রয়েছে।
তাই শেষ পর্যন্ত এসআরবির আসল পরীক্ষা হবে আইনের প্রয়োগ, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকা, স্বাধীন জবাবদিহি এবং অতীতের অভিযোগের বিচার কতটা নিশ্চিত করা যায় তার মাধ্যমে।
.png)

প্রায় পাঁচ দশক ধরে চলে আসা জুলাই-জুন অর্থবছরের হিসাব পদ্ধতি বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে দেশের সব সরকারি কার্যক্রম চলবে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ সময়সীমা অনুসরণ করে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অবশ্য হুট করে কার্যকর হচ্ছে না। ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে একট
১৮ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্পের শুরুটা ছিল অনেকটাই ঘটনাচক্রে। ১৯৬০ সালের এক প্রবল ঝড়ে গ্রিক কার্গো জাহাজ ‘এমভি আলপাইন’ চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট উপকূলে আটকে যায়। পরে সেটি আর সমুদ্রে ফিরতে পারেনি। ১৯৬৪ সালে জাহাজটি ভাঙার উদ্যোগ নেয় চট্টগ্রাম স্টিল হাউস। এরপর মুক্তিযুদ্ধের পর ক্ষতিগ্রস্ত পাকিস্তানি জাহাজ ‘