স্ট্রিম ডেস্ক

বসবাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার ছয় বছর পর চলতি আগস্টেই ব্রিটেনে ফিরছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল দম্পতি। তাঁদের সঙ্গে দুই সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটও ব্রিটেনে ফিরবে। সেপ্টেম্বরে ব্রিটেনের একটি স্কুলে তাদের পড়াশোনা শুরু করার কথা।
ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স আগস্টের শেষ দিকে লন্ডনের বাইরে একটি ব্যক্তিগত বাসভবনে উঠবেন বলে জানা গেছে। বাড়িটি রাজপরিবারের কোনো বাসভবন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটো ও পর্তুগালে তাঁদের মালিকানাধীন বাড়ি দুটিও থাকবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যারি ও মেগানের দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা রাজা তৃতীয় চার্লসকে জানানো হয়েছে। গত মাসে গ্লুচেস্টারশায়ারের হাইগ্রোভে রাজার সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়েছিল। সেই সাক্ষাতের পরই দেশে ফেরার খবরটি সামনে এল।
হ্যারি-মেগান ব্রিটেনে ফিরলেও তাঁরা রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন না। তাঁরা ব্যক্তিগত নাগরিক ও কর্মরত নন রাজপরিবারের এমন সদস্য হিসেবেই থাকবেন। ‘আধা রাজকীয়, আধা ব্যক্তিগত’ ধরনের কোনো ব্যবস্থা তাঁদের দেওয়া হবে না বলে জানা গেছে।
হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক এখনো স্বাভাবিক হয়নি। ব্রিটেন ছাড়ার পর রাজপরিবারের বিভিন্ন সদস্যকে নিয়ে হ্যারি-মেগানের প্রকাশ্য সমালোচনায় দুই ভাইয়ের দূরত্ব আরও বেড়েছে। বিবিসির রাজপরিবারবিষয়ক সাবেক প্রতিবেদক পিটার হান্ট মনে করেন, হ্যারি-মেগানের ফেরায় দুই ভাইকে ঘিরে আলাদা দুটি বলয় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে রাজা চার্লস ব্যক্তিগতভাবে পরিবারের সদস্যদের আরও কাছে পাওয়ার সুযোগকে স্বাগত জানাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে রাজপরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন হ্যারি।
এদিকে হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে হ্যারি জানিয়েছিলেন, পুলিশি নিরাপত্তা ছাড়া স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ব্রিটেনে ফিরতে নিরাপদ বোধ করেন না তিনি। যুক্তরাজ্যে থাকাকালে তাঁদের আলাদা করে বিশেষ নিরাপত্তা পাওয়ার সুযোগও নেই। রাজপরিবারের বাসভবনে অবস্থানের ক্ষেত্রে অবশ্য ব্যতিক্রম রয়েছে।
হ্যারি-মেগানের দেশে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্রিটিশ শিক্ষামন্ত্রী লুসি পাওয়েল।
যদিও এখনো ব্রিটেনে ফেরার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি হ্যারি বা মেগান।
সূত্র: টেলিগ্রাফ ও দ্যা গার্ডিয়ান

বসবাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার ছয় বছর পর চলতি আগস্টেই ব্রিটেনে ফিরছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল দম্পতি। তাঁদের সঙ্গে দুই সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটও ব্রিটেনে ফিরবে। সেপ্টেম্বরে ব্রিটেনের একটি স্কুলে তাদের পড়াশোনা শুরু করার কথা।
ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স আগস্টের শেষ দিকে লন্ডনের বাইরে একটি ব্যক্তিগত বাসভবনে উঠবেন বলে জানা গেছে। বাড়িটি রাজপরিবারের কোনো বাসভবন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটো ও পর্তুগালে তাঁদের মালিকানাধীন বাড়ি দুটিও থাকবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যারি ও মেগানের দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের কথা রাজা তৃতীয় চার্লসকে জানানো হয়েছে। গত মাসে গ্লুচেস্টারশায়ারের হাইগ্রোভে রাজার সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়েছিল। সেই সাক্ষাতের পরই দেশে ফেরার খবরটি সামনে এল।
হ্যারি-মেগান ব্রিটেনে ফিরলেও তাঁরা রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন না। তাঁরা ব্যক্তিগত নাগরিক ও কর্মরত নন রাজপরিবারের এমন সদস্য হিসেবেই থাকবেন। ‘আধা রাজকীয়, আধা ব্যক্তিগত’ ধরনের কোনো ব্যবস্থা তাঁদের দেওয়া হবে না বলে জানা গেছে।
হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক এখনো স্বাভাবিক হয়নি। ব্রিটেন ছাড়ার পর রাজপরিবারের বিভিন্ন সদস্যকে নিয়ে হ্যারি-মেগানের প্রকাশ্য সমালোচনায় দুই ভাইয়ের দূরত্ব আরও বেড়েছে। বিবিসির রাজপরিবারবিষয়ক সাবেক প্রতিবেদক পিটার হান্ট মনে করেন, হ্যারি-মেগানের ফেরায় দুই ভাইকে ঘিরে আলাদা দুটি বলয় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে রাজা চার্লস ব্যক্তিগতভাবে পরিবারের সদস্যদের আরও কাছে পাওয়ার সুযোগকে স্বাগত জানাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে রাজপরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন হ্যারি।
এদিকে হ্যারি-মেগানের নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে হ্যারি জানিয়েছিলেন, পুলিশি নিরাপত্তা ছাড়া স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ব্রিটেনে ফিরতে নিরাপদ বোধ করেন না তিনি। যুক্তরাজ্যে থাকাকালে তাঁদের আলাদা করে বিশেষ নিরাপত্তা পাওয়ার সুযোগও নেই। রাজপরিবারের বাসভবনে অবস্থানের ক্ষেত্রে অবশ্য ব্যতিক্রম রয়েছে।
হ্যারি-মেগানের দেশে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্রিটিশ শিক্ষামন্ত্রী লুসি পাওয়েল।
যদিও এখনো ব্রিটেনে ফেরার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি হ্যারি বা মেগান।
সূত্র: টেলিগ্রাফ ও দ্যা গার্ডিয়ান
.png)

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন বা ৪০ লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এই তথ্য জানিয়েছে। এতে রাজস্ব ও ঋণের বোঝায় ধুঁকতে থাকা দেশটিতে সংকট আরও জোরালো হওয়ার আভাস স্পষ্ট।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে সহায়তা বা দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজা সিটির পুলিশ হেডকোয়ার্টারে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় গাজার নারী পুলিশ প্রধান কর্নেল ফাতিনা আল-সাহহারসহ অন্তত ৯ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। একই দিন নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে হামলায় প্রাণ গেছে আরও এক ফিলিস্তিনির। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
