মোহাম্মদপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. হুসাইন আহমেদ (৪৮) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেছেন, এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।
এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডের বাইতুল ফজল মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে আটক করে পুলিশ।
ভুক্তভোগীর বাবা স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার ছেলে স্কুলে ক্লাস ফাইভের শিক্ষার্থী। তাকে স্কুলের পাশাপাশি বিকেলে কোরআন শিক্ষার জন্য মাদ্রায় পাঠাই। কিন্তু কোরআন পড়তে গিয়ে আমার ছেলেটার এই অবস্থা হয়ে গেল!’
বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছেলেকে বলাৎকার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি একজন হৃদরোগের রোগী। আমার ওপেন হার্ট সার্জারি করা। আমার ছেলেকে ওই হুজুর বলেছে, আমার কাছে তোর সব ভিডিও করা আছে। কাউকে এই ঘটনা বললে ভিডিও প্রকাশ করে দেব। আমার বদদোয়ায় তোর বাবা মারা যাবে।’
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, প্রতিদিন বিকেলে অন্যান্য শিক্ষার্থীর সঙ্গে ওই মাদ্রাসায় কোরআন পড়তে যেত ওই শিশু। পড়ানোর সময় বিভিন্ন অজুহাতে ওই শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে নিয়ে একাধিকবার বলাৎকার করেন শিক্ষক হুসাইন আহমেদ। সর্বশেষ গত ২ সেপ্টেম্বর তাকে বলাৎকার করা হয়। পরে বিষয়টি এক শিক্ষার্থী তার বাবা-মাকে জানালে তারা স্থানীয়দের নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেন।
এ ঘটনার খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, ‘এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
.png)






-7410ee-256x144.webp)